ঢাকা ০২:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo টাটা মটরস বাংলাদেশে উদ্বোধন করলো টাটা যোদ্ধা Logo আশা শিক্ষা কর্মসূচী কর্তৃক অভিভাবক মতবিনিময় সভা Logo গণপূর্ত প্রধান প্রকৌশলীর গাড়ি চাপায় পিষ্ট সহকারী প্রকৌশলী -উত্তাল গণপূর্ত Logo শাবিপ্রবির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ Logo সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাহিনুরের সীমাহীন সম্পদ ও অনিয়ম -পর্ব-০১ Logo তামাক সেবনের আলাদা কক্ষ বানালেন গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী: রয়েছে দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ! Logo দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি: কালবে সর্বোচ্চ পদ দখলে রেখেছে আগস্টিন! Logo আইআইএফসি ও মার্কটেল বাংলাদেশ’র মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তর পরিদর্শনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী Logo সর্বজনীন পেনশন প্রত্যাহারে শাবি শিক্ষক সমিতি মৌন মিছিল ও কালোব্যাজ ধারণ




রাজশাহীতে জমে উঠেছে আমের বাজার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৬:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০১৯ ৬০ বার পড়া হয়েছে

আমের জন্য খ্যাত রাজশাহীর বানেশ্বর হাট। ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজারে প্রতি বছরের ন্যায় চলতি বছরেও আমের বাজার জমে উঠেছে। প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার আম কেনাবেচা হচ্ছে এ হাটে। আম চাষী ও ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন টনকে টন আম আমদানি করছে এ হাটে। আমদানি করা এসব আম আড়তে মাধ্যমে চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। নানান প্রতিকূলতার মধ্যেও এবার আমের দাম ভাল হওয়ায় ব্যবসায়ী ও চাষীরা অনেকটাই সন্তুষ্ট।

জানা গেছে, রাজশাহী জেলার প্রত্যন্ত এলাকার আম চাষীরা যেমন আম বিক্রির জন্য এখানে আসে।তেমনি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ীসহ সাধারণ ক্রেতা-বিক্রেতারা এ বাজারে ভিড় জমায়। চলতি বছরে প্রশাসনের নজরদারির কারণে ব্যবসায়ীরা ফরমালিন মুক্ত আম বিক্রি করছে বলে এলাকাবাসী জানান। বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতা ও আড়ৎদারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে বিগত বছরের তুলনায় এবারে আমের দাম কিছুটা বেশি।

আম চাষী ও আম ব্যবসায়ীরা জানান, মণ প্রতি আঁটি আম ৮শ’ থেকে ১২শ’ টাকা, নেংড়া আম ১৬শ’ থেকে ২২শ’ টাকা, লখনা ৮শ’ থেকে ১২শ’ টাকা, রানী প্রসাদ ১৫শ’ থেকে ১৮শ’ টাকা, খিরসা আম ১৫শ’ থেকে ২১শ’ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

পুঠিয়া উপজেলার ধলাট এলাকার আম বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন জানান, লখনা আম বিগত বছরে ৪শ’ থেকে ৭শ’ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কিন্তু এ বছরে ৮শ’ থেকে ১১শ’ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে আমাদের কিছুটা লাভ হচ্ছে। কিন্তু কয়েক দফার ঝড়ে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আম ও আড়ত ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন, এবার রোজার পরে পুরোদমে আম বিক্রি শুরু হওয়ায় দাম অনেকটা বেশি। এ এলাকার প্রচলিত নিয়ম মতে ৪৫-৪৬ কেজিতে এক মণ, এই নিয়মে আম ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে বলে জানান তিনি।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার একেএম মুনজুরে মাওলা জানান, চলতি বছরে উপজেলায় ১৫ শত ২৫ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে। গত বছর আমের ফলন ভাল হয়েছিল। চলতি বছরেও আমের ফলন ভাল হয়েছে কিন্তু কয়েক বারের ঝড়ে আমের অনেক ক্ষতি হয়েছে। তবে বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে এবং দাম ভাল থাকায় আম বিক্রি করে এবার কৃষক লাভবান হবে। রাজশাহীর আমের সুনাম ধরে রাখার জন্য ফরমালিন মুক্ত আম বাজার জাত করতে যা করার দরকার তাই করছেন বলে জানান এ কর্মকর্তা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




রাজশাহীতে জমে উঠেছে আমের বাজার

আপডেট সময় : ০১:৩৬:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০১৯

আমের জন্য খ্যাত রাজশাহীর বানেশ্বর হাট। ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজারে প্রতি বছরের ন্যায় চলতি বছরেও আমের বাজার জমে উঠেছে। প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার আম কেনাবেচা হচ্ছে এ হাটে। আম চাষী ও ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন টনকে টন আম আমদানি করছে এ হাটে। আমদানি করা এসব আম আড়তে মাধ্যমে চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। নানান প্রতিকূলতার মধ্যেও এবার আমের দাম ভাল হওয়ায় ব্যবসায়ী ও চাষীরা অনেকটাই সন্তুষ্ট।

জানা গেছে, রাজশাহী জেলার প্রত্যন্ত এলাকার আম চাষীরা যেমন আম বিক্রির জন্য এখানে আসে।তেমনি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ীসহ সাধারণ ক্রেতা-বিক্রেতারা এ বাজারে ভিড় জমায়। চলতি বছরে প্রশাসনের নজরদারির কারণে ব্যবসায়ীরা ফরমালিন মুক্ত আম বিক্রি করছে বলে এলাকাবাসী জানান। বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতা ও আড়ৎদারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে বিগত বছরের তুলনায় এবারে আমের দাম কিছুটা বেশি।

আম চাষী ও আম ব্যবসায়ীরা জানান, মণ প্রতি আঁটি আম ৮শ’ থেকে ১২শ’ টাকা, নেংড়া আম ১৬শ’ থেকে ২২শ’ টাকা, লখনা ৮শ’ থেকে ১২শ’ টাকা, রানী প্রসাদ ১৫শ’ থেকে ১৮শ’ টাকা, খিরসা আম ১৫শ’ থেকে ২১শ’ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

পুঠিয়া উপজেলার ধলাট এলাকার আম বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন জানান, লখনা আম বিগত বছরে ৪শ’ থেকে ৭শ’ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কিন্তু এ বছরে ৮শ’ থেকে ১১শ’ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে আমাদের কিছুটা লাভ হচ্ছে। কিন্তু কয়েক দফার ঝড়ে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আম ও আড়ত ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন, এবার রোজার পরে পুরোদমে আম বিক্রি শুরু হওয়ায় দাম অনেকটা বেশি। এ এলাকার প্রচলিত নিয়ম মতে ৪৫-৪৬ কেজিতে এক মণ, এই নিয়মে আম ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে বলে জানান তিনি।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার একেএম মুনজুরে মাওলা জানান, চলতি বছরে উপজেলায় ১৫ শত ২৫ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে। গত বছর আমের ফলন ভাল হয়েছিল। চলতি বছরেও আমের ফলন ভাল হয়েছে কিন্তু কয়েক বারের ঝড়ে আমের অনেক ক্ষতি হয়েছে। তবে বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে এবং দাম ভাল থাকায় আম বিক্রি করে এবার কৃষক লাভবান হবে। রাজশাহীর আমের সুনাম ধরে রাখার জন্য ফরমালিন মুক্ত আম বাজার জাত করতে যা করার দরকার তাই করছেন বলে জানান এ কর্মকর্তা।