ঢাকা ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মূল্যবোধভিত্তিক পেশাদারিত্বই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের স্তম্ভ: আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালক Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

রাজশাহীতে জমে উঠেছে আমের বাজার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৬:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০১৯ ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

আমের জন্য খ্যাত রাজশাহীর বানেশ্বর হাট। ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজারে প্রতি বছরের ন্যায় চলতি বছরেও আমের বাজার জমে উঠেছে। প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার আম কেনাবেচা হচ্ছে এ হাটে। আম চাষী ও ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন টনকে টন আম আমদানি করছে এ হাটে। আমদানি করা এসব আম আড়তে মাধ্যমে চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। নানান প্রতিকূলতার মধ্যেও এবার আমের দাম ভাল হওয়ায় ব্যবসায়ী ও চাষীরা অনেকটাই সন্তুষ্ট।

জানা গেছে, রাজশাহী জেলার প্রত্যন্ত এলাকার আম চাষীরা যেমন আম বিক্রির জন্য এখানে আসে।তেমনি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ীসহ সাধারণ ক্রেতা-বিক্রেতারা এ বাজারে ভিড় জমায়। চলতি বছরে প্রশাসনের নজরদারির কারণে ব্যবসায়ীরা ফরমালিন মুক্ত আম বিক্রি করছে বলে এলাকাবাসী জানান। বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতা ও আড়ৎদারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে বিগত বছরের তুলনায় এবারে আমের দাম কিছুটা বেশি।

আম চাষী ও আম ব্যবসায়ীরা জানান, মণ প্রতি আঁটি আম ৮শ’ থেকে ১২শ’ টাকা, নেংড়া আম ১৬শ’ থেকে ২২শ’ টাকা, লখনা ৮শ’ থেকে ১২শ’ টাকা, রানী প্রসাদ ১৫শ’ থেকে ১৮শ’ টাকা, খিরসা আম ১৫শ’ থেকে ২১শ’ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

পুঠিয়া উপজেলার ধলাট এলাকার আম বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন জানান, লখনা আম বিগত বছরে ৪শ’ থেকে ৭শ’ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কিন্তু এ বছরে ৮শ’ থেকে ১১শ’ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে আমাদের কিছুটা লাভ হচ্ছে। কিন্তু কয়েক দফার ঝড়ে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আম ও আড়ত ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন, এবার রোজার পরে পুরোদমে আম বিক্রি শুরু হওয়ায় দাম অনেকটা বেশি। এ এলাকার প্রচলিত নিয়ম মতে ৪৫-৪৬ কেজিতে এক মণ, এই নিয়মে আম ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে বলে জানান তিনি।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার একেএম মুনজুরে মাওলা জানান, চলতি বছরে উপজেলায় ১৫ শত ২৫ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে। গত বছর আমের ফলন ভাল হয়েছিল। চলতি বছরেও আমের ফলন ভাল হয়েছে কিন্তু কয়েক বারের ঝড়ে আমের অনেক ক্ষতি হয়েছে। তবে বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে এবং দাম ভাল থাকায় আম বিক্রি করে এবার কৃষক লাভবান হবে। রাজশাহীর আমের সুনাম ধরে রাখার জন্য ফরমালিন মুক্ত আম বাজার জাত করতে যা করার দরকার তাই করছেন বলে জানান এ কর্মকর্তা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

রাজশাহীতে জমে উঠেছে আমের বাজার

আপডেট সময় : ০১:৩৬:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০১৯

আমের জন্য খ্যাত রাজশাহীর বানেশ্বর হাট। ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজারে প্রতি বছরের ন্যায় চলতি বছরেও আমের বাজার জমে উঠেছে। প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার আম কেনাবেচা হচ্ছে এ হাটে। আম চাষী ও ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন টনকে টন আম আমদানি করছে এ হাটে। আমদানি করা এসব আম আড়তে মাধ্যমে চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। নানান প্রতিকূলতার মধ্যেও এবার আমের দাম ভাল হওয়ায় ব্যবসায়ী ও চাষীরা অনেকটাই সন্তুষ্ট।

জানা গেছে, রাজশাহী জেলার প্রত্যন্ত এলাকার আম চাষীরা যেমন আম বিক্রির জন্য এখানে আসে।তেমনি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ীসহ সাধারণ ক্রেতা-বিক্রেতারা এ বাজারে ভিড় জমায়। চলতি বছরে প্রশাসনের নজরদারির কারণে ব্যবসায়ীরা ফরমালিন মুক্ত আম বিক্রি করছে বলে এলাকাবাসী জানান। বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতা ও আড়ৎদারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে বিগত বছরের তুলনায় এবারে আমের দাম কিছুটা বেশি।

আম চাষী ও আম ব্যবসায়ীরা জানান, মণ প্রতি আঁটি আম ৮শ’ থেকে ১২শ’ টাকা, নেংড়া আম ১৬শ’ থেকে ২২শ’ টাকা, লখনা ৮শ’ থেকে ১২শ’ টাকা, রানী প্রসাদ ১৫শ’ থেকে ১৮শ’ টাকা, খিরসা আম ১৫শ’ থেকে ২১শ’ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

পুঠিয়া উপজেলার ধলাট এলাকার আম বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন জানান, লখনা আম বিগত বছরে ৪শ’ থেকে ৭শ’ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কিন্তু এ বছরে ৮শ’ থেকে ১১শ’ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে আমাদের কিছুটা লাভ হচ্ছে। কিন্তু কয়েক দফার ঝড়ে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আম ও আড়ত ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন, এবার রোজার পরে পুরোদমে আম বিক্রি শুরু হওয়ায় দাম অনেকটা বেশি। এ এলাকার প্রচলিত নিয়ম মতে ৪৫-৪৬ কেজিতে এক মণ, এই নিয়মে আম ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে বলে জানান তিনি।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার একেএম মুনজুরে মাওলা জানান, চলতি বছরে উপজেলায় ১৫ শত ২৫ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে। গত বছর আমের ফলন ভাল হয়েছিল। চলতি বছরেও আমের ফলন ভাল হয়েছে কিন্তু কয়েক বারের ঝড়ে আমের অনেক ক্ষতি হয়েছে। তবে বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে এবং দাম ভাল থাকায় আম বিক্রি করে এবার কৃষক লাভবান হবে। রাজশাহীর আমের সুনাম ধরে রাখার জন্য ফরমালিন মুক্ত আম বাজার জাত করতে যা করার দরকার তাই করছেন বলে জানান এ কর্মকর্তা।