ঢাকা ০২:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বিআরটিসিতে দুর্নীতির বরপুত্র চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা Logo শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীকে ঘিরে সমালোচনার ঝড় Logo বরিশালে গণপূর্তে ঘুষ–চেক কেলেঙ্কারি! Logo ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস্ ক্রাইম রিপোর্টাস সোসাইটির কম্বল ও খাবার বিতরন Logo বাংলাদেশে ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি নির্বাচন পর্যবেক্ষক মোতায়েন করল ইউরোপীয় ইউনিয়ন Logo নাগরিক শোকসভা কাল: সঙ্গে আনতে হবে আমন্ত্রণপত্র Logo উত্তরায় হোটেলে চাঁদা চাওয়ায় সাংবাদিককে গণধোলাই Logo ৩০ লক্ষ টাকায় বনানী ক্লাবের সদস্য হওয়া দুর্নীতিবাজ কাস্টমস কমিশনার জাকিরের পুনর্বাসন Logo চমেকে বিনামূল্যে বিশুদ্ধ খাবার পানির প্ল্যান্ট স্থাপন করল দূর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশন Logo তারেক রহমানের সঙ্গে সম্পাদক-সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

রাজশাহীতে জমে উঠেছে আমের বাজার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৬:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০১৯ ১৫৬ বার পড়া হয়েছে

আমের জন্য খ্যাত রাজশাহীর বানেশ্বর হাট। ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজারে প্রতি বছরের ন্যায় চলতি বছরেও আমের বাজার জমে উঠেছে। প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার আম কেনাবেচা হচ্ছে এ হাটে। আম চাষী ও ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন টনকে টন আম আমদানি করছে এ হাটে। আমদানি করা এসব আম আড়তে মাধ্যমে চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। নানান প্রতিকূলতার মধ্যেও এবার আমের দাম ভাল হওয়ায় ব্যবসায়ী ও চাষীরা অনেকটাই সন্তুষ্ট।

জানা গেছে, রাজশাহী জেলার প্রত্যন্ত এলাকার আম চাষীরা যেমন আম বিক্রির জন্য এখানে আসে।তেমনি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ীসহ সাধারণ ক্রেতা-বিক্রেতারা এ বাজারে ভিড় জমায়। চলতি বছরে প্রশাসনের নজরদারির কারণে ব্যবসায়ীরা ফরমালিন মুক্ত আম বিক্রি করছে বলে এলাকাবাসী জানান। বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতা ও আড়ৎদারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে বিগত বছরের তুলনায় এবারে আমের দাম কিছুটা বেশি।

আম চাষী ও আম ব্যবসায়ীরা জানান, মণ প্রতি আঁটি আম ৮শ’ থেকে ১২শ’ টাকা, নেংড়া আম ১৬শ’ থেকে ২২শ’ টাকা, লখনা ৮শ’ থেকে ১২শ’ টাকা, রানী প্রসাদ ১৫শ’ থেকে ১৮শ’ টাকা, খিরসা আম ১৫শ’ থেকে ২১শ’ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

পুঠিয়া উপজেলার ধলাট এলাকার আম বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন জানান, লখনা আম বিগত বছরে ৪শ’ থেকে ৭শ’ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কিন্তু এ বছরে ৮শ’ থেকে ১১শ’ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে আমাদের কিছুটা লাভ হচ্ছে। কিন্তু কয়েক দফার ঝড়ে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আম ও আড়ত ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন, এবার রোজার পরে পুরোদমে আম বিক্রি শুরু হওয়ায় দাম অনেকটা বেশি। এ এলাকার প্রচলিত নিয়ম মতে ৪৫-৪৬ কেজিতে এক মণ, এই নিয়মে আম ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে বলে জানান তিনি।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার একেএম মুনজুরে মাওলা জানান, চলতি বছরে উপজেলায় ১৫ শত ২৫ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে। গত বছর আমের ফলন ভাল হয়েছিল। চলতি বছরেও আমের ফলন ভাল হয়েছে কিন্তু কয়েক বারের ঝড়ে আমের অনেক ক্ষতি হয়েছে। তবে বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে এবং দাম ভাল থাকায় আম বিক্রি করে এবার কৃষক লাভবান হবে। রাজশাহীর আমের সুনাম ধরে রাখার জন্য ফরমালিন মুক্ত আম বাজার জাত করতে যা করার দরকার তাই করছেন বলে জানান এ কর্মকর্তা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

রাজশাহীতে জমে উঠেছে আমের বাজার

আপডেট সময় : ০১:৩৬:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০১৯

আমের জন্য খ্যাত রাজশাহীর বানেশ্বর হাট। ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজারে প্রতি বছরের ন্যায় চলতি বছরেও আমের বাজার জমে উঠেছে। প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার আম কেনাবেচা হচ্ছে এ হাটে। আম চাষী ও ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন টনকে টন আম আমদানি করছে এ হাটে। আমদানি করা এসব আম আড়তে মাধ্যমে চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। নানান প্রতিকূলতার মধ্যেও এবার আমের দাম ভাল হওয়ায় ব্যবসায়ী ও চাষীরা অনেকটাই সন্তুষ্ট।

জানা গেছে, রাজশাহী জেলার প্রত্যন্ত এলাকার আম চাষীরা যেমন আম বিক্রির জন্য এখানে আসে।তেমনি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ীসহ সাধারণ ক্রেতা-বিক্রেতারা এ বাজারে ভিড় জমায়। চলতি বছরে প্রশাসনের নজরদারির কারণে ব্যবসায়ীরা ফরমালিন মুক্ত আম বিক্রি করছে বলে এলাকাবাসী জানান। বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতা ও আড়ৎদারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে বিগত বছরের তুলনায় এবারে আমের দাম কিছুটা বেশি।

আম চাষী ও আম ব্যবসায়ীরা জানান, মণ প্রতি আঁটি আম ৮শ’ থেকে ১২শ’ টাকা, নেংড়া আম ১৬শ’ থেকে ২২শ’ টাকা, লখনা ৮শ’ থেকে ১২শ’ টাকা, রানী প্রসাদ ১৫শ’ থেকে ১৮শ’ টাকা, খিরসা আম ১৫শ’ থেকে ২১শ’ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

পুঠিয়া উপজেলার ধলাট এলাকার আম বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন জানান, লখনা আম বিগত বছরে ৪শ’ থেকে ৭শ’ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কিন্তু এ বছরে ৮শ’ থেকে ১১শ’ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে আমাদের কিছুটা লাভ হচ্ছে। কিন্তু কয়েক দফার ঝড়ে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আম ও আড়ত ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন, এবার রোজার পরে পুরোদমে আম বিক্রি শুরু হওয়ায় দাম অনেকটা বেশি। এ এলাকার প্রচলিত নিয়ম মতে ৪৫-৪৬ কেজিতে এক মণ, এই নিয়মে আম ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে বলে জানান তিনি।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার একেএম মুনজুরে মাওলা জানান, চলতি বছরে উপজেলায় ১৫ শত ২৫ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে। গত বছর আমের ফলন ভাল হয়েছিল। চলতি বছরেও আমের ফলন ভাল হয়েছে কিন্তু কয়েক বারের ঝড়ে আমের অনেক ক্ষতি হয়েছে। তবে বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে এবং দাম ভাল থাকায় আম বিক্রি করে এবার কৃষক লাভবান হবে। রাজশাহীর আমের সুনাম ধরে রাখার জন্য ফরমালিন মুক্ত আম বাজার জাত করতে যা করার দরকার তাই করছেন বলে জানান এ কর্মকর্তা।