ঢাকা ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গণপূর্তের ইএম শাখা সার্কেল ৪: তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তৈমুর আলমের দূর্নীতির কীর্তি! Logo সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন জাহাঙ্গীর শিকদার Logo প্রকল্প বণ্টনে অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগে গণপূর্ত সচিব নজরুলকে নিয়ে বিতর্কের ঝড়! Logo শিক্ষা প্রকৌশলে দুর্নীতির অভিযোগ: কোটি টাকার চুক্তিতে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহজাহান আলী Logo কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগে সীমাহীন ঘুষ–দুর্নীতির অভিযোগ Logo বটিয়াঘাটায় বিএনপি প্রার্থীর উঠান বৈঠক: সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরবিচ্ছিন্ন নিরাপত্তার আশ্বাস Logo গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী কায়সার কবির ও ক্যাশিয়ার এনামুল হকের বিরুদ্ধে কোটি টাকার লুটপাটের অভিযোগ|| পর্ব – Logo বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের অর্থ অপব্যবহার: এশিয়াটিক থ্রি সিক্সটি ইস্যুতে হাইকোর্টে যাচ্ছে আইনজীদের সংগঠন  Logo বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের জ্যেষ্ঠ নেতার পদোন্নতি সহ পিআরএল: রয়েছে শত কোটি টাকার লুটপাটের অভিযোগ! Logo দৈনিক সবুজ বাংলাদেশের সম্পাদক মোহাম্মদ মাসুদ এর জন্মদিন আজ

কোটা আন্দোলনের নেতা রাশেদকে পুলিশে দিল ছাত্রলীগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৬:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুন ২০১৯ ১৮০ বার পড়া হয়েছে

জেলা প্রতিনিধি;
বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ (কোটা সংস্কার আন্দোলন) পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানকে ঝিনাইদহের একটি হোটেল থেকে তুলে নিয়ে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

সোমবার বিকেলে ঝিনাইদহ শহরের জেএফসি হোটেল থেকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাকে তুলে নিয়ে যান। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ (কোটা সংস্কার আন্দোলন) পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. তারেক রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঝিনাইদহ শহরের জেএফসি হোটেল থেকে ছাত্রলীগের নেতারা রাশেদকে তুলে নিয়ে যায়। পরে রাশেদ খানকে ঝিনাইদহ সদর থানায় সোপর্দ করা হয়। বিকেলে রাশেদের বাবার মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেয়ার কথা বলা হলেও এখনো ছাড়েনি পুলিশ।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে শহরের জেএফসি হোটেলে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে গল্প করছিলেন রাশেদ খান। এ সময় সেখানে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। পরে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী পুলিশকে বিষয়টি জানায়। পরে রাশেদকে তারা পুলিশে দেয়।

ঝিনাইদহ সদর থানা পুলিশের ওসি মিজানুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ (কোটা সংস্কার আন্দোলন) পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি। স্থানীয় কিছু লোকের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির কারণে তাকে থানায় আনা হয়। তার বাবাকে খবর দেয়া হয়েছে। তিনি এলে রাশেদকে ছেড়ে দেয়া হবে।

এ বিষয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা রাশেদ খান বলেন, আমি ও আমার স্ত্রী সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ শহরের জেএফসি রেস্টুরেন্টে খাবার খাচ্ছিলাম। এ সময় স্থানীয় কিছু ছাত্রলীগ নেতা আমাদের ধরে থানায় নিয়ে যায়। আমি এই মুহূর্তে পুলিশ হেফাজতে রয়েছি।

ওসি মিজানুর রহমান বলেন, একদল যুবক রাশেদ খানকে ধরে থানায় নিয়ে আসে। তাকে গ্রেফতার কিংবা আটক করা হয়নি। তাকে ছেড়ে দেয়া হবে।

কারা রাশেদ খানকে থানায় নিয়ে এসেছেন জানতে চাইলে ওসি মিজানুর রহমান বলেন, একদল যুবক রাশেদকে থানায় নিয়ে আসে। আমি তাদের চিনি না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

কোটা আন্দোলনের নেতা রাশেদকে পুলিশে দিল ছাত্রলীগ

আপডেট সময় : ১১:৩৬:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুন ২০১৯

জেলা প্রতিনিধি;
বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ (কোটা সংস্কার আন্দোলন) পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানকে ঝিনাইদহের একটি হোটেল থেকে তুলে নিয়ে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

সোমবার বিকেলে ঝিনাইদহ শহরের জেএফসি হোটেল থেকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাকে তুলে নিয়ে যান। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ (কোটা সংস্কার আন্দোলন) পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. তারেক রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঝিনাইদহ শহরের জেএফসি হোটেল থেকে ছাত্রলীগের নেতারা রাশেদকে তুলে নিয়ে যায়। পরে রাশেদ খানকে ঝিনাইদহ সদর থানায় সোপর্দ করা হয়। বিকেলে রাশেদের বাবার মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেয়ার কথা বলা হলেও এখনো ছাড়েনি পুলিশ।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে শহরের জেএফসি হোটেলে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে গল্প করছিলেন রাশেদ খান। এ সময় সেখানে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। পরে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী পুলিশকে বিষয়টি জানায়। পরে রাশেদকে তারা পুলিশে দেয়।

ঝিনাইদহ সদর থানা পুলিশের ওসি মিজানুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ (কোটা সংস্কার আন্দোলন) পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি। স্থানীয় কিছু লোকের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির কারণে তাকে থানায় আনা হয়। তার বাবাকে খবর দেয়া হয়েছে। তিনি এলে রাশেদকে ছেড়ে দেয়া হবে।

এ বিষয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা রাশেদ খান বলেন, আমি ও আমার স্ত্রী সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ শহরের জেএফসি রেস্টুরেন্টে খাবার খাচ্ছিলাম। এ সময় স্থানীয় কিছু ছাত্রলীগ নেতা আমাদের ধরে থানায় নিয়ে যায়। আমি এই মুহূর্তে পুলিশ হেফাজতে রয়েছি।

ওসি মিজানুর রহমান বলেন, একদল যুবক রাশেদ খানকে ধরে থানায় নিয়ে আসে। তাকে গ্রেফতার কিংবা আটক করা হয়নি। তাকে ছেড়ে দেয়া হবে।

কারা রাশেদ খানকে থানায় নিয়ে এসেছেন জানতে চাইলে ওসি মিজানুর রহমান বলেন, একদল যুবক রাশেদকে থানায় নিয়ে আসে। আমি তাদের চিনি না।