ঢাকা ০২:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo টাটা মটরস বাংলাদেশে উদ্বোধন করলো টাটা যোদ্ধা Logo আশা শিক্ষা কর্মসূচী কর্তৃক অভিভাবক মতবিনিময় সভা Logo গণপূর্ত প্রধান প্রকৌশলীর গাড়ি চাপায় পিষ্ট সহকারী প্রকৌশলী -উত্তাল গণপূর্ত Logo শাবিপ্রবির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ Logo সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাহিনুরের সীমাহীন সম্পদ ও অনিয়ম -পর্ব-০১ Logo তামাক সেবনের আলাদা কক্ষ বানালেন গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী: রয়েছে দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ! Logo দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি: কালবে সর্বোচ্চ পদ দখলে রেখেছে আগস্টিন! Logo আইআইএফসি ও মার্কটেল বাংলাদেশ’র মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তর পরিদর্শনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী Logo সর্বজনীন পেনশন প্রত্যাহারে শাবি শিক্ষক সমিতি মৌন মিছিল ও কালোব্যাজ ধারণ




কক্সবাজারের ৪৬০৮৭ জেলে পরিবার পাচ্ছে ৪০ কেজি করে চাল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৩:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০১৯ ৬১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব সংবাদদাতা;

উপকূলীয় এলাকায় মাছ আহরণ ছাড়া জেলেদের আয়ের অন্য কোনো উৎস না থাকায় মাছ ধরা বন্ধের সময় জেলেদের জীবিকা নির্বাহ অনেক কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। ক্ষুধা নিবারণ ও দাদনদারদের ঋণের কিস্তি পরিশোধ করার জন্য জেলেদের বঙ্গোপসাগরে প্রধান প্রজনন মৌসুমে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন মাছ ও চিংড়ি জাতীয় মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধের সময় কক্সবাজারের ৪৬ হাজার ৮৭ জন জেলে পরিবারকে ৪০ কেজি করে চাল দেবে সরকার।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রমতে, কক্সবাজারে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৪৮ হাজার ৩৯৩ জন। কিন্তু জেলায় এর বাইরে আরও ৫০ হাজারের বেশি জেলে রয়েছে। মাত্র ৪৬ হাজার জেলের পরিবারের জন্য চাল বরাদ্দ করলেও অধিকাংশ জেলেই সহায়তার বাইরে থেকে যাচ্ছে। তবে যেসব জেলে পরিবার সরকারি চাল বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তাদের সহায়তা দেওয়ার জন্য উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসনের সূত্রে জানা গেছে, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাছ ধরা বন্ধের সময়ে জেলেদের খাদ্যশস্য সহায়তা দেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে কক্সবাজার জেলায় ১ হাজার ৮৪৩ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। এই খাদ্যশস্যের উপকারভোগি নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৬ হাজার ৮৭ জন জেলের পরিবার। প্রতি পরিবারে ৪০ কেজি করে বিতরণ করা হবে।

সূত্রমতে, কক্সবাজারে ৭ উপজেলার ৪৬ হাজার ৮৭ জন জেলের পরিবারের চাল বরাদ্দ হয়েছে। এরমধ্যে সদর উপজেলায় ৭ হাজার ৯৫ জন, চকরিয়ায় ৩ হাজার ৮৪৯ জন, মহেশখালীতে ১১ হাজার ৪২২ জন, উখিয়ায় ৩ হাজার ৩৯৯ জন, পেকুয়ায় ৩ হাজার ৯৪৯ জন, কুতুবদিয়ায় ৮ হাজার ৫১৩ জন ও টেকনাফে ৭ হাজার ৮৬০ জন জেলে পরিবার।

জেলা প্রশাসনের ত্রাণ ও পুর্নবাসন শাখার উচ্চমান সহকারী মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, মন্ত্রনালয় থেকে ইতোমধ্যে খাদ্যশস্য হিসেবে ভিজিএফ চালগুলোর বরাদ্দ পৌছেছে। বিতরণের জন্য শিগগিরই স্ব-স্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পৌছে দেওয়া হবে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার বলেন- শুধু নিবন্ধিত জেলে নয়, সবাইকে সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রোহিঙ্গাদের জন্য বরাদ্দকৃত ত্রাণের (চাল ও অন্যান্য সামগ্রি) ২৫ শতাংশ স্থানীয় জনগোষ্ঠিকে দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। ওই ২৫ শতাংশ ত্রাণ আপাতত জেলার সব জেলে পরিবারের মাঝে বিতরণ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। শিগগিরই বিতরণ শুরু হবে। প্রত্যেক জেলের কাছে সহায়তা পৌছানো হবে। ইতোমধ্যে কুতুবদিয়া ও মহেশখালীতে প্রায় ৪ হাজার পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, সবার জন্য আমরা উদ্যোগ নিয়েছি। আশাকরি কোন জেলে পরিবার সহায়তার বাইরে থাকবে না। শিগগিরই প্রত্যেকের কাছে সহায়তা পৌছে যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




কক্সবাজারের ৪৬০৮৭ জেলে পরিবার পাচ্ছে ৪০ কেজি করে চাল

আপডেট সময় : ০৬:২৩:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০১৯

নিজস্ব সংবাদদাতা;

উপকূলীয় এলাকায় মাছ আহরণ ছাড়া জেলেদের আয়ের অন্য কোনো উৎস না থাকায় মাছ ধরা বন্ধের সময় জেলেদের জীবিকা নির্বাহ অনেক কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। ক্ষুধা নিবারণ ও দাদনদারদের ঋণের কিস্তি পরিশোধ করার জন্য জেলেদের বঙ্গোপসাগরে প্রধান প্রজনন মৌসুমে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন মাছ ও চিংড়ি জাতীয় মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধের সময় কক্সবাজারের ৪৬ হাজার ৮৭ জন জেলে পরিবারকে ৪০ কেজি করে চাল দেবে সরকার।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রমতে, কক্সবাজারে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৪৮ হাজার ৩৯৩ জন। কিন্তু জেলায় এর বাইরে আরও ৫০ হাজারের বেশি জেলে রয়েছে। মাত্র ৪৬ হাজার জেলের পরিবারের জন্য চাল বরাদ্দ করলেও অধিকাংশ জেলেই সহায়তার বাইরে থেকে যাচ্ছে। তবে যেসব জেলে পরিবার সরকারি চাল বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তাদের সহায়তা দেওয়ার জন্য উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসনের সূত্রে জানা গেছে, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাছ ধরা বন্ধের সময়ে জেলেদের খাদ্যশস্য সহায়তা দেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে কক্সবাজার জেলায় ১ হাজার ৮৪৩ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। এই খাদ্যশস্যের উপকারভোগি নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৬ হাজার ৮৭ জন জেলের পরিবার। প্রতি পরিবারে ৪০ কেজি করে বিতরণ করা হবে।

সূত্রমতে, কক্সবাজারে ৭ উপজেলার ৪৬ হাজার ৮৭ জন জেলের পরিবারের চাল বরাদ্দ হয়েছে। এরমধ্যে সদর উপজেলায় ৭ হাজার ৯৫ জন, চকরিয়ায় ৩ হাজার ৮৪৯ জন, মহেশখালীতে ১১ হাজার ৪২২ জন, উখিয়ায় ৩ হাজার ৩৯৯ জন, পেকুয়ায় ৩ হাজার ৯৪৯ জন, কুতুবদিয়ায় ৮ হাজার ৫১৩ জন ও টেকনাফে ৭ হাজার ৮৬০ জন জেলে পরিবার।

জেলা প্রশাসনের ত্রাণ ও পুর্নবাসন শাখার উচ্চমান সহকারী মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, মন্ত্রনালয় থেকে ইতোমধ্যে খাদ্যশস্য হিসেবে ভিজিএফ চালগুলোর বরাদ্দ পৌছেছে। বিতরণের জন্য শিগগিরই স্ব-স্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পৌছে দেওয়া হবে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার বলেন- শুধু নিবন্ধিত জেলে নয়, সবাইকে সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রোহিঙ্গাদের জন্য বরাদ্দকৃত ত্রাণের (চাল ও অন্যান্য সামগ্রি) ২৫ শতাংশ স্থানীয় জনগোষ্ঠিকে দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। ওই ২৫ শতাংশ ত্রাণ আপাতত জেলার সব জেলে পরিবারের মাঝে বিতরণ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। শিগগিরই বিতরণ শুরু হবে। প্রত্যেক জেলের কাছে সহায়তা পৌছানো হবে। ইতোমধ্যে কুতুবদিয়া ও মহেশখালীতে প্রায় ৪ হাজার পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, সবার জন্য আমরা উদ্যোগ নিয়েছি। আশাকরি কোন জেলে পরিবার সহায়তার বাইরে থাকবে না। শিগগিরই প্রত্যেকের কাছে সহায়তা পৌছে যাবে।