ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও এলজিআরডি মন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৯:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮ ২৯৫ বার পড়া হয়েছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে তিনি এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন।

আজ মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপনে জারি হয়। এতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী রুল অব বিজনেস, ১৯৯৬-এর রুল ৩(৪) এর ক্ষমতাবলে মন্ত্রিদের মধ্যে বর্তমান দায়িত্বের পাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়েছেন।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন এর আগেও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন। ২০০৮ সালে ফরিদপুর-৩ (সদর) আসন থেকে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হন তিনি। জনশক্তি খাতে দীর্ঘদিন ধরে যে বিশৃঙ্খলা চলে আসছিল, তিনি মন্ত্রী হওয়ার পর সেই পরিস্থিতি থেকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই খাতকে উদ্ধার করেছেন। বিদেশে চাকরি নিয়ে যাওয়া কর্মীদের স্বার্থ রক্ষায় সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রম বাজার খুলেছিল খন্দকার মোশাররফ হোসেনের প্রচেষ্টায়। তার সময়েই সরকারি ব্যবস্থাপনায় নাম মাত্র খরচে বিদেশে কর্মী পাঠানো শুরু হয়।

পরে ২০১৫ সালের ৯ জুলাই খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়। তিনি এই মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রকৌশল বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন, ৩৫ বছর পর সেই মন্ত্রণালয়েরই ফিরেছিলেন মন্ত্রী হয়ে।

এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের অধীন এলজিইডির প্রতিষ্ঠাতা প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন। প্রতিষ্ঠার পর ১৯৬৯ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন।

প্রতিষ্ঠার পর এটির নাম ছিল পল্লী পূর্ত কর্মসূচি। ১৯৮৪ সালে নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় এলজিইবি (লোকাল গভর্নমেন্ট ব্যুরো)।

বর্তমান এলজিইডি (লোকাল গভর্নমেন্ট ইঞ্জিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট) নামকরণ হয় ১৯৯২ সালে।

কর্মক্ষেত্রের সব জায়গাতেই সুনাম কুড়িয়েছেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) চিফ টেকনিক্যাল কলসালট্যান্ট পদে চাকরি নিয়ে ১৯৮০ সালে তিনি আফ্রিকার দেশ সিয়েরা লিওনে যান। সেখানে তার কাজে সন্তুষ্ট হয়ে দেশটির সরকার তাকে সম্মানজনক নাগরিকত্ব দেয়। পরে উগান্ডাতেও সাফল্যের সঙ্গে একই দায়িত্ব পালন করেন খন্দকার মোশাররফ

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও এলজিআরডি মন্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:৫৯:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে তিনি এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন।

আজ মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপনে জারি হয়। এতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী রুল অব বিজনেস, ১৯৯৬-এর রুল ৩(৪) এর ক্ষমতাবলে মন্ত্রিদের মধ্যে বর্তমান দায়িত্বের পাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়েছেন।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন এর আগেও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন। ২০০৮ সালে ফরিদপুর-৩ (সদর) আসন থেকে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হন তিনি। জনশক্তি খাতে দীর্ঘদিন ধরে যে বিশৃঙ্খলা চলে আসছিল, তিনি মন্ত্রী হওয়ার পর সেই পরিস্থিতি থেকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই খাতকে উদ্ধার করেছেন। বিদেশে চাকরি নিয়ে যাওয়া কর্মীদের স্বার্থ রক্ষায় সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রম বাজার খুলেছিল খন্দকার মোশাররফ হোসেনের প্রচেষ্টায়। তার সময়েই সরকারি ব্যবস্থাপনায় নাম মাত্র খরচে বিদেশে কর্মী পাঠানো শুরু হয়।

পরে ২০১৫ সালের ৯ জুলাই খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়। তিনি এই মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রকৌশল বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন, ৩৫ বছর পর সেই মন্ত্রণালয়েরই ফিরেছিলেন মন্ত্রী হয়ে।

এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের অধীন এলজিইডির প্রতিষ্ঠাতা প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন। প্রতিষ্ঠার পর ১৯৬৯ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন।

প্রতিষ্ঠার পর এটির নাম ছিল পল্লী পূর্ত কর্মসূচি। ১৯৮৪ সালে নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় এলজিইবি (লোকাল গভর্নমেন্ট ব্যুরো)।

বর্তমান এলজিইডি (লোকাল গভর্নমেন্ট ইঞ্জিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট) নামকরণ হয় ১৯৯২ সালে।

কর্মক্ষেত্রের সব জায়গাতেই সুনাম কুড়িয়েছেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) চিফ টেকনিক্যাল কলসালট্যান্ট পদে চাকরি নিয়ে ১৯৮০ সালে তিনি আফ্রিকার দেশ সিয়েরা লিওনে যান। সেখানে তার কাজে সন্তুষ্ট হয়ে দেশটির সরকার তাকে সম্মানজনক নাগরিকত্ব দেয়। পরে উগান্ডাতেও সাফল্যের সঙ্গে একই দায়িত্ব পালন করেন খন্দকার মোশাররফ