ঢাকা ০৯:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নিরাপত্তার স্বার্থে শাবি শিক্ষার্থীদের আইডিকার্ড সাথে রাখার আহবান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের Logo জনস্বাস্থ্যের প্রধান সাধুর যত অসাধু কর্ম: দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ! Logo বিআইডব্লিউটিএ বন্দর শাখা যুগ্ম পরিচালক আলমগীরের দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্য  Logo রাজশাহীতে এটিএন বাংলার সাংবাদিক সুজাউদ্দিন ছোটনকে হয়রানিমূলক মামলায় বএিমইউজরে নিন্দা ও প্রতিবাদ Logo শিক্ষার্থীদের তথ্য প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ায় অবদান রাখতে হবেঃ ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী Logo ‘কানামাছি শিশুসাহিত্য পুরস্কার ২০২৪’ পেলেন লেখক Logo মধ্যরাতে শাবি ছাত্রলীগের ‘ তুমি কে, আমি কে- বাঙ্গালী, বাঙ্গালী’ শ্লোগানে উত্তাল ক্যাম্পাস Logo আম নিয়ে কষ্টগাঁথা Logo ঘুমান্ত বিবেক মাতাল আবেগ’ – আকাশমণি Logo পুলিশের হামলার পরও ৬ ঘন্টা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধে কুবি শিক্ষার্থীর




ডাক্তারকে ‘ধর্ষণের’ হুমকি দাতা সেই ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তারের ৪৫ মিনিটেই জামিন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২১:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০১৯ ৭৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,
সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক নারী চিকিৎসককে ‘ধর্ষণের’ হুমকি দেওয়া ছাত্রলীগ নেতা সারোয়ার হোসেন চৌধুরী আটকের ৪৫ মিনিট পরই জামিনে মুক্ত পেয়েছেন।

মঙ্গলবার গ্রেপ্তার হওয়ার আগেই সিলেট অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোস্তাইন বিল্লাহ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। এ কারণে আটকের ৪৫ মিনিটের মাথায় তিনি ছাড়া পান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আইয়ুব আলী জানান, আদালত শুনানি শেষে ছাত্রলীগ নেতা সারোয়ার হোসেনের জামিন মঞ্জুর করেন।

আদালত সূত্র জানায়, মামলাটি জামিন যোগ্য ধারায় হওয়াতে আদালত দক্ষিণ সুরমা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সারোয়ার হোসেনকে জামিন প্রদান করেন।

সারোয়ার হোসেনকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়ে সিলেট কোতোয়ালি থানার ওসি সেলিম মিঞা বলেন, ‘বেলা আড়াইটার দিকে আদালতের গেট থেকে তাকে ধরার পর সারোয়ার পুলিশকে জানায় সে জামিন নিয়েছে। পরবর্তীতে আদালতের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে তাকে সোয়া ৩টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়।’

এর আগে, সোমবার রাতে সারোয়ারের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফেরদৌস আহমেদ। মামলায় ১৩ জন চিকিৎসককে সাক্ষী করা হয়েছে।

গত ৯ মে সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক রোগীর চিকিৎসাসেবা নিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সারোয়ার হোসেন চৌধুরীর। একপর্যায়ে চিকিৎসক ডা. নাজিফা আনজুম নিশাতকে ধর্ষণ ও হত্যার হুমকি দেন সারোয়ার। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

এ ঘটনায় শনিবার অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। তারা বলেন, ছাত্রলীগ নেতা সারোয়ার ইন্টার্ন চিকিৎসককে ধর্ষণের হুমকি দিয়ে অসদাচরণ করার প্রতিবাদে সকাল থেকে নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে কর্মবিরতি পালন করছেন তারা। তারা সারোয়ার হোসেন চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




ডাক্তারকে ‘ধর্ষণের’ হুমকি দাতা সেই ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তারের ৪৫ মিনিটেই জামিন

আপডেট সময় : ০৫:২১:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক,
সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক নারী চিকিৎসককে ‘ধর্ষণের’ হুমকি দেওয়া ছাত্রলীগ নেতা সারোয়ার হোসেন চৌধুরী আটকের ৪৫ মিনিট পরই জামিনে মুক্ত পেয়েছেন।

মঙ্গলবার গ্রেপ্তার হওয়ার আগেই সিলেট অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোস্তাইন বিল্লাহ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। এ কারণে আটকের ৪৫ মিনিটের মাথায় তিনি ছাড়া পান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আইয়ুব আলী জানান, আদালত শুনানি শেষে ছাত্রলীগ নেতা সারোয়ার হোসেনের জামিন মঞ্জুর করেন।

আদালত সূত্র জানায়, মামলাটি জামিন যোগ্য ধারায় হওয়াতে আদালত দক্ষিণ সুরমা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সারোয়ার হোসেনকে জামিন প্রদান করেন।

সারোয়ার হোসেনকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়ে সিলেট কোতোয়ালি থানার ওসি সেলিম মিঞা বলেন, ‘বেলা আড়াইটার দিকে আদালতের গেট থেকে তাকে ধরার পর সারোয়ার পুলিশকে জানায় সে জামিন নিয়েছে। পরবর্তীতে আদালতের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে তাকে সোয়া ৩টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়।’

এর আগে, সোমবার রাতে সারোয়ারের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফেরদৌস আহমেদ। মামলায় ১৩ জন চিকিৎসককে সাক্ষী করা হয়েছে।

গত ৯ মে সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক রোগীর চিকিৎসাসেবা নিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সারোয়ার হোসেন চৌধুরীর। একপর্যায়ে চিকিৎসক ডা. নাজিফা আনজুম নিশাতকে ধর্ষণ ও হত্যার হুমকি দেন সারোয়ার। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

এ ঘটনায় শনিবার অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। তারা বলেন, ছাত্রলীগ নেতা সারোয়ার ইন্টার্ন চিকিৎসককে ধর্ষণের হুমকি দিয়ে অসদাচরণ করার প্রতিবাদে সকাল থেকে নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে কর্মবিরতি পালন করছেন তারা। তারা সারোয়ার হোসেন চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।