ঢাকা ১২:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

ডাক্তারকে ‘ধর্ষণের’ হুমকি দাতা সেই ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তারের ৪৫ মিনিটেই জামিন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২১:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০১৯ ২১৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,
সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক নারী চিকিৎসককে ‘ধর্ষণের’ হুমকি দেওয়া ছাত্রলীগ নেতা সারোয়ার হোসেন চৌধুরী আটকের ৪৫ মিনিট পরই জামিনে মুক্ত পেয়েছেন।

মঙ্গলবার গ্রেপ্তার হওয়ার আগেই সিলেট অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোস্তাইন বিল্লাহ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। এ কারণে আটকের ৪৫ মিনিটের মাথায় তিনি ছাড়া পান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আইয়ুব আলী জানান, আদালত শুনানি শেষে ছাত্রলীগ নেতা সারোয়ার হোসেনের জামিন মঞ্জুর করেন।

আদালত সূত্র জানায়, মামলাটি জামিন যোগ্য ধারায় হওয়াতে আদালত দক্ষিণ সুরমা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সারোয়ার হোসেনকে জামিন প্রদান করেন।

সারোয়ার হোসেনকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়ে সিলেট কোতোয়ালি থানার ওসি সেলিম মিঞা বলেন, ‘বেলা আড়াইটার দিকে আদালতের গেট থেকে তাকে ধরার পর সারোয়ার পুলিশকে জানায় সে জামিন নিয়েছে। পরবর্তীতে আদালতের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে তাকে সোয়া ৩টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়।’

এর আগে, সোমবার রাতে সারোয়ারের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফেরদৌস আহমেদ। মামলায় ১৩ জন চিকিৎসককে সাক্ষী করা হয়েছে।

গত ৯ মে সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক রোগীর চিকিৎসাসেবা নিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সারোয়ার হোসেন চৌধুরীর। একপর্যায়ে চিকিৎসক ডা. নাজিফা আনজুম নিশাতকে ধর্ষণ ও হত্যার হুমকি দেন সারোয়ার। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

এ ঘটনায় শনিবার অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। তারা বলেন, ছাত্রলীগ নেতা সারোয়ার ইন্টার্ন চিকিৎসককে ধর্ষণের হুমকি দিয়ে অসদাচরণ করার প্রতিবাদে সকাল থেকে নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে কর্মবিরতি পালন করছেন তারা। তারা সারোয়ার হোসেন চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ডাক্তারকে ‘ধর্ষণের’ হুমকি দাতা সেই ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তারের ৪৫ মিনিটেই জামিন

আপডেট সময় : ০৫:২১:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক,
সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক নারী চিকিৎসককে ‘ধর্ষণের’ হুমকি দেওয়া ছাত্রলীগ নেতা সারোয়ার হোসেন চৌধুরী আটকের ৪৫ মিনিট পরই জামিনে মুক্ত পেয়েছেন।

মঙ্গলবার গ্রেপ্তার হওয়ার আগেই সিলেট অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোস্তাইন বিল্লাহ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। এ কারণে আটকের ৪৫ মিনিটের মাথায় তিনি ছাড়া পান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আইয়ুব আলী জানান, আদালত শুনানি শেষে ছাত্রলীগ নেতা সারোয়ার হোসেনের জামিন মঞ্জুর করেন।

আদালত সূত্র জানায়, মামলাটি জামিন যোগ্য ধারায় হওয়াতে আদালত দক্ষিণ সুরমা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সারোয়ার হোসেনকে জামিন প্রদান করেন।

সারোয়ার হোসেনকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়ে সিলেট কোতোয়ালি থানার ওসি সেলিম মিঞা বলেন, ‘বেলা আড়াইটার দিকে আদালতের গেট থেকে তাকে ধরার পর সারোয়ার পুলিশকে জানায় সে জামিন নিয়েছে। পরবর্তীতে আদালতের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে তাকে সোয়া ৩টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়।’

এর আগে, সোমবার রাতে সারোয়ারের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফেরদৌস আহমেদ। মামলায় ১৩ জন চিকিৎসককে সাক্ষী করা হয়েছে।

গত ৯ মে সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক রোগীর চিকিৎসাসেবা নিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সারোয়ার হোসেন চৌধুরীর। একপর্যায়ে চিকিৎসক ডা. নাজিফা আনজুম নিশাতকে ধর্ষণ ও হত্যার হুমকি দেন সারোয়ার। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

এ ঘটনায় শনিবার অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। তারা বলেন, ছাত্রলীগ নেতা সারোয়ার ইন্টার্ন চিকিৎসককে ধর্ষণের হুমকি দিয়ে অসদাচরণ করার প্রতিবাদে সকাল থেকে নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে কর্মবিরতি পালন করছেন তারা। তারা সারোয়ার হোসেন চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।