ঢাকা ০৭:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ২২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ




দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে হাত-পা বেঁধে গৃহবধূকে গণধর্ষণ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২০:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মে ২০১৯ ৫৩ বার পড়া হয়েছে

জেলা প্রতিনিধি ঠাকুরগাঁও;
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বড়গাঁও ইউনিয়নের চামেশ্বরী গ্রামে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে হাত-পা বেঁধে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণ করেছে চার প্রতিবেশী যুবক।

সোমবার বিকেলে বিষয়টি জানিয়েছেন ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূ (৩০)। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই গৃহবধূ।

গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূ বলেন, রোববার রাতে আমার স্বামী কাজের জন্য বাড়ির বাইরে যায়। এই সুযোগে ভোর রাতে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে প্রতিবেশী হারুন, ময়নুল, শাহিন ও খায়রুল। এরপর আমার হাত-পা বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় তারা।

গৃহবধূ আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের বাসার আশেপাশে ঘোরাফেরা করছিল তারা। আমাকে বাসায় একে পেয়ে গণধর্ষণ করেছে তারা। আমি এ ঘটনার সঠিক বিচার চাই।

সদর হাসপাতালের চিকিৎসক রোকেয়া বলেন, এই গৃহবধূ গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন কিনা তা রিপোর্ট পেলেই বোঝা যাবে। আমরা তার বিভিন্ন আলামত নিয়ে সেগুলো পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছি।

এ বিষয়ে সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) চিত্ত রঞ্জন দাশ বলেন, খবর পাওয়া মাত্রই আমরা ঘটনাস্থলে যাই। ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর বক্তব্য নিয়েছি আমরা। তিনি থানায় মামলা করলে এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে হাত-পা বেঁধে গৃহবধূকে গণধর্ষণ

আপডেট সময় : ১০:২০:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মে ২০১৯

জেলা প্রতিনিধি ঠাকুরগাঁও;
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বড়গাঁও ইউনিয়নের চামেশ্বরী গ্রামে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে হাত-পা বেঁধে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণ করেছে চার প্রতিবেশী যুবক।

সোমবার বিকেলে বিষয়টি জানিয়েছেন ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূ (৩০)। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই গৃহবধূ।

গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূ বলেন, রোববার রাতে আমার স্বামী কাজের জন্য বাড়ির বাইরে যায়। এই সুযোগে ভোর রাতে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে প্রতিবেশী হারুন, ময়নুল, শাহিন ও খায়রুল। এরপর আমার হাত-পা বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় তারা।

গৃহবধূ আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের বাসার আশেপাশে ঘোরাফেরা করছিল তারা। আমাকে বাসায় একে পেয়ে গণধর্ষণ করেছে তারা। আমি এ ঘটনার সঠিক বিচার চাই।

সদর হাসপাতালের চিকিৎসক রোকেয়া বলেন, এই গৃহবধূ গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন কিনা তা রিপোর্ট পেলেই বোঝা যাবে। আমরা তার বিভিন্ন আলামত নিয়ে সেগুলো পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছি।

এ বিষয়ে সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) চিত্ত রঞ্জন দাশ বলেন, খবর পাওয়া মাত্রই আমরা ঘটনাস্থলে যাই। ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর বক্তব্য নিয়েছি আমরা। তিনি থানায় মামলা করলে এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।