ঢাকা ০৪:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি: নিহতদের মধ্যে ৩৭ জন বাংলাদেশি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২২:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০১৯ ২৩৩ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক;
ভূমধ্যসাগরে ভয়াবহ নৌকাডুবিতে যারা প্রাণ হারিয়েছে, তাদের মধ্যে ৩৭ জন বাংলাদেশি রয়েছে বলে জানা গেছে। তিউনিসিয়ার রেড ক্রিসেন্টকে উদ্ধৃত করে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের পক্ষ থেকে এ দুর্ঘটনায় ৬৫ জনের প্রাণহানির খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধারের কথা জানিয়েছে তারা।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখনও নিহত বাংলাদেশির সংখ্যা জানাতে পারেনি। তবে প্রাণ হারানো শরণার্থীদের একটা বড় অংশ বাংলাদেশি বলে জানিয়েছে তারা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র আরও জানিয়েছে, জীবিত উদ্ধার হওয়া ১৬ জনের মধ্যে ১৪ জন বাংলাদেশি।

তিউনিসিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা টিএপি’র খবর অনুযায়ী ডুবে যাওয়া নৌকায় ৭০ জনেরও বেশি অভিবাসন প্রত্যাশী ছিল। সি ফ্যাক্স উপকূলের ৪০ নটিক্যাল মাইল দূরে এটি ডুবে যায়। দেশটির রাজধানী তিউনিস থেকে ওই স্থানের দূরত্ব প্রায় ২৭০ কিলোমিটার। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মর্মান্তিক ওই নৌকাডুবির পর অভিবাসীদের উদ্ধারে একটি মাছ ধরার নৌযান নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় তিউনিস নৌবাহিনী। তারা জীবিতদের পাশাপাশি তিনজনের মরদেহ উদ্ধারে সমর্থ হয়।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম নৌকাডুবির এই ঘটনাকে ভূমধ্য সাগরের ‘আরেকটি বিয়োগান্তক ঘটনা’ আখ্যা দিয়ে জানিয়েছে, জাহাজটি পার্শ্ববর্তী দেশ লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি থেকে ছেড়ে এসেছিল। সম্প্রতি সে দেশে সংঘাত জোরালো হয়েছে। সংস্থাটির একজন কর্মকর্তা মার্কিন বার্তা সংস্থা এপিকে জানিয়েছেন, ডুবে যাওয়া শরণার্থীদের মধ্যে লিবীয় ছাড়াও বাংলাদেশ এবং মরক্কোর নাগরিকেরা ছিল। তবে নৌকাটিতে ঠিক কতজন বাংলাদেশি বা কোন দেশের কতজন নাগরিক ছিল তা জানা যায়নি।

ধারণা করা হচ্ছে, নৌকাডুবির শিকার যাত্রীরা আফ্রিকার সাব-সাহারা অঞ্চল থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা করছিল।

ভূমধ্যসাগরের ভয়ঙ্কর এ পথটিতে প্রায় সময়ই শরণার্থীসহ নৌকাডুবির খবর পাওয়া যায়। এদিক দিয়ে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ বিশেষ করে লিবিয়া থেকে শরণার্থীরা নৌকাযোগে ইউরোপের দেশগুলোতে প্রবেশের চেষ্টা করে থাকে। ইউএনএইচসিআরের হিসাবে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত লিবিয়া থেকে ইউরোপে যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে ১৬৪ জন নিহত হয়েছে। কেবল গত জানুয়ারি মাসের এক নৌকাডুবির ঘটনাতেই ১১৭ জন নিঁখোজ হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি: নিহতদের মধ্যে ৩৭ জন বাংলাদেশি

আপডেট সময় : ০১:২২:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক;
ভূমধ্যসাগরে ভয়াবহ নৌকাডুবিতে যারা প্রাণ হারিয়েছে, তাদের মধ্যে ৩৭ জন বাংলাদেশি রয়েছে বলে জানা গেছে। তিউনিসিয়ার রেড ক্রিসেন্টকে উদ্ধৃত করে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের পক্ষ থেকে এ দুর্ঘটনায় ৬৫ জনের প্রাণহানির খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধারের কথা জানিয়েছে তারা।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখনও নিহত বাংলাদেশির সংখ্যা জানাতে পারেনি। তবে প্রাণ হারানো শরণার্থীদের একটা বড় অংশ বাংলাদেশি বলে জানিয়েছে তারা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র আরও জানিয়েছে, জীবিত উদ্ধার হওয়া ১৬ জনের মধ্যে ১৪ জন বাংলাদেশি।

তিউনিসিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা টিএপি’র খবর অনুযায়ী ডুবে যাওয়া নৌকায় ৭০ জনেরও বেশি অভিবাসন প্রত্যাশী ছিল। সি ফ্যাক্স উপকূলের ৪০ নটিক্যাল মাইল দূরে এটি ডুবে যায়। দেশটির রাজধানী তিউনিস থেকে ওই স্থানের দূরত্ব প্রায় ২৭০ কিলোমিটার। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মর্মান্তিক ওই নৌকাডুবির পর অভিবাসীদের উদ্ধারে একটি মাছ ধরার নৌযান নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় তিউনিস নৌবাহিনী। তারা জীবিতদের পাশাপাশি তিনজনের মরদেহ উদ্ধারে সমর্থ হয়।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম নৌকাডুবির এই ঘটনাকে ভূমধ্য সাগরের ‘আরেকটি বিয়োগান্তক ঘটনা’ আখ্যা দিয়ে জানিয়েছে, জাহাজটি পার্শ্ববর্তী দেশ লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি থেকে ছেড়ে এসেছিল। সম্প্রতি সে দেশে সংঘাত জোরালো হয়েছে। সংস্থাটির একজন কর্মকর্তা মার্কিন বার্তা সংস্থা এপিকে জানিয়েছেন, ডুবে যাওয়া শরণার্থীদের মধ্যে লিবীয় ছাড়াও বাংলাদেশ এবং মরক্কোর নাগরিকেরা ছিল। তবে নৌকাটিতে ঠিক কতজন বাংলাদেশি বা কোন দেশের কতজন নাগরিক ছিল তা জানা যায়নি।

ধারণা করা হচ্ছে, নৌকাডুবির শিকার যাত্রীরা আফ্রিকার সাব-সাহারা অঞ্চল থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা করছিল।

ভূমধ্যসাগরের ভয়ঙ্কর এ পথটিতে প্রায় সময়ই শরণার্থীসহ নৌকাডুবির খবর পাওয়া যায়। এদিক দিয়ে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ বিশেষ করে লিবিয়া থেকে শরণার্থীরা নৌকাযোগে ইউরোপের দেশগুলোতে প্রবেশের চেষ্টা করে থাকে। ইউএনএইচসিআরের হিসাবে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত লিবিয়া থেকে ইউরোপে যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে ১৬৪ জন নিহত হয়েছে। কেবল গত জানুয়ারি মাসের এক নৌকাডুবির ঘটনাতেই ১১৭ জন নিঁখোজ হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।