ঢাকা ০৯:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এবার গ্র্যামির দৌড়ে ‘ধুরন্ধর ২’ Logo রিকশাচালক থেকে মুচি, ১ নভেম্বর থেকে সবাই বাংলা কিউআর ব্যবহার করতে পারবেন Logo প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত ও গ্রেপ্তার করতে হবে: আখতার হোসেন Logo ৩৪৬ রানে অলআউট বাংলাদেশ Logo ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০ Logo মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: তারেক রহমান Logo মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo যাত্রাবাড়ীতে বাসে তল্লাশি, ৯ হাজার ই’য়া’বা’স’হ গ্রে’প্তা’র ২ Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল 

বরযাত্রীকে ৩ দিন আটকে রাখল পাত্রীপক্ষ, নেপথ্যে গাড়ি ভাড়া!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪২:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ মে ২০১৯ ২৬৩ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক;
বিয়ে বাড়িতে বর-কনের পরিবারের ঝগড়া নতুন কিছু নয়। প্রায় অনেক বিয়ে বাড়িতেই এমন ঘটনা ঘটে। কিন্তু দুই পক্ষের এই বিবাদে বরসহ বরযাত্রীদের টানা ৩ দিন আটকে রাখল পাত্রীপক্ষ। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আলিপুরদুয়ার জেলার পশ্চিম মাদারিহাটে ঘটেছে এই ঘটনা।

পুলিশ অবশ্য দাবি করেছে খবর পেয়ে তারা বর ও বরযাত্রীদের উদ্ধার করেছে। মাদারিহাট থানার ওসি অনির্বাণ মজুমদার বলেন, “পাত্র বা পাত্রীপক্ষের থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে এলাকার বাসিন্দাদের কাছে এই কথা শুনে আমরা সকলকেই উদ্ধার করেছি। লিখিত অভিযোগ পাইনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।”

পাত্রীর বাবা আনোয়ার হোসেন বলেন, “শুক্রবার বিদায়বেলায় আসবাবপত্রের গাড়ি ভাড়া নিয়ে যুদ্ধ বাধিয়ে দেয় পাত্রপক্ষ। আমার মেয়েকে ওরা মারতে উঠেছিল। আমরা আর ওই বাড়িতে মেয়ে দেব না। আমাদের মেয়েও ওখানে আর যাবে না। নিকাহ বাবদ যে টাকাটা পাত্রপক্ষকে দেওয়া হয়েছে সেটা আমরা ফেরত চাইছি। সেই টাকা হাতে না পাওয়া পর্যন্ত পাত্র ও তার সঙ্গীদের এখান থেকে ছাড়তে নিষেধ করেছেন আমাদের গ্রামের মানুষেরা।”
জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় বসেছিল বিয়ের আসর। চার মাস আগে কোচবিহারের শুকটাবাড়ির নূর হোসেনের বড় ছেলে আবু বক্কর সিদ্দিকির সঙ্গে পশ্চিম মাদারিহাটের আনোয়ার হোসেনের মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়। বিয়েতে নগদ ৬০ হাজার টাকা দাবি করে পাত্রপক্ষ। সেইসঙ্গে দুই ভরি সোনার গয়না ও আসবাবপত্রও দাবি করে। পাত্রপক্ষের দাবি মতো প্রাথমিকভাবে নগদ ৪৬ হাজার ৫০০ টাকা দেওয়া হয়। বাকি ১৩ হাজার ৫০০ টাকা জোগাড় করতে না পারায় বলা হয়েছিল বিয়ের সাত দিনের মধ্যে তা দিয়ে দেওয়া হবে। মূল ঝামেলার শুরু সেই থেকেই।

এই প্রসঙ্গে পাত্রের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “আমি বিয়ে করতে বসেছিলাম। কে কী করেছে তা আমি দেখিনি। ভুল কিছু হলেও হতে পারে। আমি সমস্যার সমাধান চাই। বউ নিয়ে বাড়ি ফিরতে চাই।” এই ঘটনায় পশ্চিম মাদারিহাটে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

বরযাত্রীকে ৩ দিন আটকে রাখল পাত্রীপক্ষ, নেপথ্যে গাড়ি ভাড়া!

আপডেট সময় : ০৬:৪২:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ মে ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক;
বিয়ে বাড়িতে বর-কনের পরিবারের ঝগড়া নতুন কিছু নয়। প্রায় অনেক বিয়ে বাড়িতেই এমন ঘটনা ঘটে। কিন্তু দুই পক্ষের এই বিবাদে বরসহ বরযাত্রীদের টানা ৩ দিন আটকে রাখল পাত্রীপক্ষ। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আলিপুরদুয়ার জেলার পশ্চিম মাদারিহাটে ঘটেছে এই ঘটনা।

পুলিশ অবশ্য দাবি করেছে খবর পেয়ে তারা বর ও বরযাত্রীদের উদ্ধার করেছে। মাদারিহাট থানার ওসি অনির্বাণ মজুমদার বলেন, “পাত্র বা পাত্রীপক্ষের থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে এলাকার বাসিন্দাদের কাছে এই কথা শুনে আমরা সকলকেই উদ্ধার করেছি। লিখিত অভিযোগ পাইনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।”

পাত্রীর বাবা আনোয়ার হোসেন বলেন, “শুক্রবার বিদায়বেলায় আসবাবপত্রের গাড়ি ভাড়া নিয়ে যুদ্ধ বাধিয়ে দেয় পাত্রপক্ষ। আমার মেয়েকে ওরা মারতে উঠেছিল। আমরা আর ওই বাড়িতে মেয়ে দেব না। আমাদের মেয়েও ওখানে আর যাবে না। নিকাহ বাবদ যে টাকাটা পাত্রপক্ষকে দেওয়া হয়েছে সেটা আমরা ফেরত চাইছি। সেই টাকা হাতে না পাওয়া পর্যন্ত পাত্র ও তার সঙ্গীদের এখান থেকে ছাড়তে নিষেধ করেছেন আমাদের গ্রামের মানুষেরা।”
জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় বসেছিল বিয়ের আসর। চার মাস আগে কোচবিহারের শুকটাবাড়ির নূর হোসেনের বড় ছেলে আবু বক্কর সিদ্দিকির সঙ্গে পশ্চিম মাদারিহাটের আনোয়ার হোসেনের মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়। বিয়েতে নগদ ৬০ হাজার টাকা দাবি করে পাত্রপক্ষ। সেইসঙ্গে দুই ভরি সোনার গয়না ও আসবাবপত্রও দাবি করে। পাত্রপক্ষের দাবি মতো প্রাথমিকভাবে নগদ ৪৬ হাজার ৫০০ টাকা দেওয়া হয়। বাকি ১৩ হাজার ৫০০ টাকা জোগাড় করতে না পারায় বলা হয়েছিল বিয়ের সাত দিনের মধ্যে তা দিয়ে দেওয়া হবে। মূল ঝামেলার শুরু সেই থেকেই।

এই প্রসঙ্গে পাত্রের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “আমি বিয়ে করতে বসেছিলাম। কে কী করেছে তা আমি দেখিনি। ভুল কিছু হলেও হতে পারে। আমি সমস্যার সমাধান চাই। বউ নিয়ে বাড়ি ফিরতে চাই।” এই ঘটনায় পশ্চিম মাদারিহাটে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।