ঢাকা ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ করতে চাওয়ায় ছাত্রীকে খালে চুবিয়ে হত্যা!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মে ২০১৯ ১০৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশের কথা বলায় এক স্কুলছাত্রীকে পানিতে চুবিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আজ সোমবার বিকেলে নোয়াখালীর ২ নম্বর বিচারিক আদালতে ১৬৪ ধারায় এমন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন গ্রেপ্তার হওয়া মো. বাহার (৩৮)। জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মাশফিকুল হক তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

এর আগে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় চরকাঁকড়া এলাকা থেকে স্কুলছাত্রী হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে বাহারকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামি বাহারকে গ্রেপ্তার এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দেওয়ার বিষয়টি পুলিশ সুপার মো. ইলিয়াছ শরীফ নিশ্চিত করেছেন। পরে বাহারকে আদালতের নির্দেশে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোম্পানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গত শনিবার সকালে ঝড়ের মধ্যে বাড়ির পাশে বাগানে আম কুড়াতে গিয়েছিল সেই স্কুলছাত্রী। সেখানে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন বাহার। এরপর ধর্ষণের বিষয়টি বাড়িতে কাউকে বলতে স্কুলছাত্রীকে বারণ করেন বাহার। এ নিয়ে তর্কের একপর্যায়ে ছাত্রীকে খালে ফেলে মাথা পানিতে চুবিয়ে ধরে রাখেন বাহার। এতে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যায় স্কুলছাত্রী।

পুলিশ সুপার মো. ইলিয়াছ শরীফ বলেন, ঘটনার খবর পাওয়ার পর তিনি যখন ঘটনাস্থলে যান, তখন বাহার ঘটনাস্থলেই ছিলেন। ঘটনার আগেও বাহারকে এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি দীর্ঘ সময় ধরে জাল দিয়ে মাছ ধরতে দেখেন। এ কারণে বাহারের প্রতি তাঁদের সন্দেহ হয়। ওই সন্দেহের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করলে ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটিত হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ করতে চাওয়ায় ছাত্রীকে খালে চুবিয়ে হত্যা!

আপডেট সময় : ১২:১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক,
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশের কথা বলায় এক স্কুলছাত্রীকে পানিতে চুবিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আজ সোমবার বিকেলে নোয়াখালীর ২ নম্বর বিচারিক আদালতে ১৬৪ ধারায় এমন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন গ্রেপ্তার হওয়া মো. বাহার (৩৮)। জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মাশফিকুল হক তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

এর আগে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় চরকাঁকড়া এলাকা থেকে স্কুলছাত্রী হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে বাহারকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামি বাহারকে গ্রেপ্তার এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দেওয়ার বিষয়টি পুলিশ সুপার মো. ইলিয়াছ শরীফ নিশ্চিত করেছেন। পরে বাহারকে আদালতের নির্দেশে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোম্পানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গত শনিবার সকালে ঝড়ের মধ্যে বাড়ির পাশে বাগানে আম কুড়াতে গিয়েছিল সেই স্কুলছাত্রী। সেখানে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন বাহার। এরপর ধর্ষণের বিষয়টি বাড়িতে কাউকে বলতে স্কুলছাত্রীকে বারণ করেন বাহার। এ নিয়ে তর্কের একপর্যায়ে ছাত্রীকে খালে ফেলে মাথা পানিতে চুবিয়ে ধরে রাখেন বাহার। এতে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যায় স্কুলছাত্রী।

পুলিশ সুপার মো. ইলিয়াছ শরীফ বলেন, ঘটনার খবর পাওয়ার পর তিনি যখন ঘটনাস্থলে যান, তখন বাহার ঘটনাস্থলেই ছিলেন। ঘটনার আগেও বাহারকে এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি দীর্ঘ সময় ধরে জাল দিয়ে মাছ ধরতে দেখেন। এ কারণে বাহারের প্রতি তাঁদের সন্দেহ হয়। ওই সন্দেহের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করলে ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটিত হয়।