ঢাকা ০৯:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণা : প্রতারকচক্রের তিন সদস্য কারাগারে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৫:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ মে ২০১৯ ২৮৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক;
সশস্ত্র বাহিনী ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীতে চাকরি দেয়ার নামে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া প্রতারকচক্রের তিন সদস্যের রিমান্ড নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

শনিবার তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। প্রতারণার ঘটনায় যাত্রীবাড়ী থানায় করা মামলায় সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। অন্যদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা জামিন আবেদন করে। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরী তাদের রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় র‌্যাব-১০ এর একটি দল রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে ভুয়া চাকরিদাতা প্রতারক চক্রের ওই তিন সদস্যকে আটক করে। আটকরা হলেন- সবুজ তালুকদার (৪৮), মিজানুর রহমান (৫০) ও সাহাবুব রহমান বাবলু (৬০)। সিরাজুল ইসলাম নামে আরও একজন পলাতক।

র‌্যাব সদর দফতরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি মিজানুর রহমান জানান, এক মাস ধরে কয়েকজন প্রতারিত ভুক্তভোগী একটি চক্রের বিরুদ্ধে চাকরি দেয়ার নাম করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করে আসছিল। র‌্যাব-১০ এসব অভিযোগের ব্যাপারে অনুসন্ধান, গোয়েন্দা তৎপরতা ও নজরদারি করে আসছিল।

একাধিক অভিযোগের মধ্যেই আক্তার হোসেন র‌্যাব-১০ এ অভিযোগ দায়ের করেন যে, তার ভাতিজা মিজানুর রহমানকে (২৭) সশস্ত্র বাহিনীর বেসামরিক পদে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারকদের যোগসাজশে নগদ ২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা গ্রহণ করে পলাতক সিরাজুল ইসলাম।

সিরাজুল কোনো ধরনের চাকরি প্রদান না করে টালবাহানা করতে থাকে ও গৃহীত টাকা ফেরত না দিয়ে হুমকি দিতে থাকে।

অভিযোগের আলোকে র‌্যাব-১০ এর একটি দল প্রতারকচক্রের ওই তিন সদস্যকে আটক করে। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে প্রতারক সিরাজ কৌশলে পালিয়ে যায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে বেকার, চাকরিপ্রত্যাশী ছেলে-মেয়েদের অর্থের বিনিময় চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণা করে আসছে। চাকরি প্রদানের নামে প্রতারণাপূর্বক বিভিন্ন যুবক ও তাদের পরিবার থেকে কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে চক্রটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণা : প্রতারকচক্রের তিন সদস্য কারাগারে

আপডেট সময় : ০৫:৪৫:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক;
সশস্ত্র বাহিনী ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীতে চাকরি দেয়ার নামে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া প্রতারকচক্রের তিন সদস্যের রিমান্ড নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

শনিবার তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। প্রতারণার ঘটনায় যাত্রীবাড়ী থানায় করা মামলায় সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। অন্যদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা জামিন আবেদন করে। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরী তাদের রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় র‌্যাব-১০ এর একটি দল রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে ভুয়া চাকরিদাতা প্রতারক চক্রের ওই তিন সদস্যকে আটক করে। আটকরা হলেন- সবুজ তালুকদার (৪৮), মিজানুর রহমান (৫০) ও সাহাবুব রহমান বাবলু (৬০)। সিরাজুল ইসলাম নামে আরও একজন পলাতক।

র‌্যাব সদর দফতরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি মিজানুর রহমান জানান, এক মাস ধরে কয়েকজন প্রতারিত ভুক্তভোগী একটি চক্রের বিরুদ্ধে চাকরি দেয়ার নাম করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করে আসছিল। র‌্যাব-১০ এসব অভিযোগের ব্যাপারে অনুসন্ধান, গোয়েন্দা তৎপরতা ও নজরদারি করে আসছিল।

একাধিক অভিযোগের মধ্যেই আক্তার হোসেন র‌্যাব-১০ এ অভিযোগ দায়ের করেন যে, তার ভাতিজা মিজানুর রহমানকে (২৭) সশস্ত্র বাহিনীর বেসামরিক পদে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারকদের যোগসাজশে নগদ ২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা গ্রহণ করে পলাতক সিরাজুল ইসলাম।

সিরাজুল কোনো ধরনের চাকরি প্রদান না করে টালবাহানা করতে থাকে ও গৃহীত টাকা ফেরত না দিয়ে হুমকি দিতে থাকে।

অভিযোগের আলোকে র‌্যাব-১০ এর একটি দল প্রতারকচক্রের ওই তিন সদস্যকে আটক করে। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে প্রতারক সিরাজ কৌশলে পালিয়ে যায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে বেকার, চাকরিপ্রত্যাশী ছেলে-মেয়েদের অর্থের বিনিময় চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণা করে আসছে। চাকরি প্রদানের নামে প্রতারণাপূর্বক বিভিন্ন যুবক ও তাদের পরিবার থেকে কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে চক্রটি।