ঢাকা ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জবিতে আজীবন ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ Logo শাবিতে হল প্রশাসনকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে নোটিসে জোর পূর্বক সাইন আদায় Logo এবার সামনে আসছে ছাত্রলীগ কর্তৃক আন্দোলনকারীদের মারধরের আরো ঘটনা Logo আবাসিক হল ছাড়ছে শাবি শিক্ষার্থীরা Logo নিরাপত্তার স্বার্থে শাবি শিক্ষার্থীদের আইডিকার্ড সাথে রাখার আহবান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের Logo জনস্বাস্থ্যের প্রধান সাধুর যত অসাধু কর্ম: দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ! Logo বিআইডব্লিউটিএ বন্দর শাখা যুগ্ম পরিচালক আলমগীরের দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্য  Logo রাজশাহীতে এটিএন বাংলার সাংবাদিক সুজাউদ্দিন ছোটনকে হয়রানিমূলক মামলায় বএিমইউজরে নিন্দা ও প্রতিবাদ Logo শিক্ষার্থীদের তথ্য প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ায় অবদান রাখতে হবেঃ ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী Logo ‘কানামাছি শিশুসাহিত্য পুরস্কার ২০২৪’ পেলেন লেখক




‘ফণী’ পরবর্তী ত্রাণ তৎপরতায় প্রস্তুত নৌবাহিনীর ৩২টি জাহাজ ও নৌ কন্টিনজেন্ট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৫:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মে ২০১৯ ৮০ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক;
ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র আঘাত পরবর্তী জরুরি উদ্ধারকাজ, ত্রাণ তৎপরতা ও চিকিৎসা সহায়তাসহ যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। শুক্রবার আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম, খুলনা ও মোংলা নৌ অঞ্চলে নৌবাহিনীর ৩২টি জাহাজ সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় দ্রুততম সময়ে জরুরি ত্রাণসামগ্রী এবং চিকিৎসা সহায়তা প্রদানের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুরসহ উপকূলীয় দূর্গত এলাকাগুলোতে মোতায়েনের জন্য নৌ কন্টিনজেন্ট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্যোগ পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য নৌবাহিনী জাহাজ মেঘনা বরিশালে, বানৌজা তিস্তা ঝালকাঠিতে, এলসিটি-১০৪ বরগুনায় এবং এলসিভিপি-০১১ পটুয়াখালীতে নিয়োজিত থাকবে। এসব জাহাজ জরুরি খাদ্যসামগ্রী হিসেবে দুই হাজার পরিবারের তিন দিনের শুকনা খাবার বহন করছে।

নৌবাহিনীর জাহাজগুলোতে প্রতিটি পরিবারের জন্য শুকনা খাবার হিসেবে রাখা হয়েছে ১০ কেজি চাল, দুই কেজি ডাল, দুই কেজি তেল, দুই কেজি লবণ, দুই কেজি চিড়া, দুই কেজি মুড়ি, এক কেজি গুড় ও প্যাকেট বিস্কুট। এছাড়াও মোমবাতি, পলিথিন ব্যাগ, ম্যাচ বক্স, বিশুদ্ধ খাবার পানি, স্যালাইন ও জীবন রক্ষাকারী ওষুধ রয়েছে।

দুর্গত এলাকাগুলোতে জরুরি চিকিৎসা সহায়তার জন্য বিশেষ মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, জীবন রক্ষাকারী ওষুধ ও খাবার স্যালাইন বিতরণের কাজে নিয়োজিত থাকবে। এছাড়া, নৌ কন্টিনজেন্টসমূহ অনুরূপ ত্রাণসামগ্রী নিয়ে সড়ক পথে দুর্গত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণের জন্য নিয়োজিত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




‘ফণী’ পরবর্তী ত্রাণ তৎপরতায় প্রস্তুত নৌবাহিনীর ৩২টি জাহাজ ও নৌ কন্টিনজেন্ট

আপডেট সময় : ০৮:২৫:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মে ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক;
ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র আঘাত পরবর্তী জরুরি উদ্ধারকাজ, ত্রাণ তৎপরতা ও চিকিৎসা সহায়তাসহ যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। শুক্রবার আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম, খুলনা ও মোংলা নৌ অঞ্চলে নৌবাহিনীর ৩২টি জাহাজ সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় দ্রুততম সময়ে জরুরি ত্রাণসামগ্রী এবং চিকিৎসা সহায়তা প্রদানের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুরসহ উপকূলীয় দূর্গত এলাকাগুলোতে মোতায়েনের জন্য নৌ কন্টিনজেন্ট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্যোগ পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য নৌবাহিনী জাহাজ মেঘনা বরিশালে, বানৌজা তিস্তা ঝালকাঠিতে, এলসিটি-১০৪ বরগুনায় এবং এলসিভিপি-০১১ পটুয়াখালীতে নিয়োজিত থাকবে। এসব জাহাজ জরুরি খাদ্যসামগ্রী হিসেবে দুই হাজার পরিবারের তিন দিনের শুকনা খাবার বহন করছে।

নৌবাহিনীর জাহাজগুলোতে প্রতিটি পরিবারের জন্য শুকনা খাবার হিসেবে রাখা হয়েছে ১০ কেজি চাল, দুই কেজি ডাল, দুই কেজি তেল, দুই কেজি লবণ, দুই কেজি চিড়া, দুই কেজি মুড়ি, এক কেজি গুড় ও প্যাকেট বিস্কুট। এছাড়াও মোমবাতি, পলিথিন ব্যাগ, ম্যাচ বক্স, বিশুদ্ধ খাবার পানি, স্যালাইন ও জীবন রক্ষাকারী ওষুধ রয়েছে।

দুর্গত এলাকাগুলোতে জরুরি চিকিৎসা সহায়তার জন্য বিশেষ মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, জীবন রক্ষাকারী ওষুধ ও খাবার স্যালাইন বিতরণের কাজে নিয়োজিত থাকবে। এছাড়া, নৌ কন্টিনজেন্টসমূহ অনুরূপ ত্রাণসামগ্রী নিয়ে সড়ক পথে দুর্গত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণের জন্য নিয়োজিত থাকবে।