ঢাকা ০২:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দি কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নলীগ লুট করে আগষ্টিন শত কোটি টাকার মালিক Logo জিয়া শিশুকিশোর মেলার কেন্দ্রীয় কমিটির গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক হলেন হাফিজুর রহমান শফিক Logo জিয়া শিশু কিশোর মেলার নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা  Logo ভোলার জেলা রেজিস্ট্রার নুর নেওয়াজ ৫০ কোটি টাকার সম্পদের মালিক Logo প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে শীর্ষ কর্মকর্তা আতিকুর পাহাড়সমান অভিযোগ নিয়েও বহাল Logo বদলি-বাণিজ্য ঘুষ বাণিজ্যে বেপরোয়া সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিন সিন্ডিকেট Logo রাজউকে দুর্নীতিতে আলোচনার শীর্ষে পরিচালক জাকারিয়া: ‘সেফ জন’ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ  Logo প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য Logo ‘৬ বছরে ৮৬৫০ কোটি লুটপাট : সওজে নতুন করে সক্রিয় সেই ‘ডন’ রায়হান মুস্তাফিজ!’ Logo ৮০ কোটির জালিয়াতি: শিল্পগোষ্ঠীকে ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে বৃষ্টি–মেসবাহ দম্পতি লাপাত্তা 

মাশরাফির পরিদর্শন করা হাসপাতালের ৪ চিকিৎসক ওএসডি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৩:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০১৯ ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

নড়াইল প্রতিনিধি;

নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা পরিদর্শনের সময় নড়াইল সদরের যে হাসপাতালটির চার চিকিৎসককে অনুপস্থিত দেখেছিলেন তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

রোববার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এই চিকিৎসকদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়ে সাত কর্মদিবসের মধ্যে মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে যোগ দিতে বলা হয়েছে।

ওএসডি হওয়া চিকিৎসকার হলেন- নড়াইল সদর হাসপাতালের সার্জারির সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. মো. আখতার হোসেন, কার্ডিওলজির জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. মো. শওকত আলী ও ডা. মো. রবিউল আলম এবং মেডিকেল অফিসার ডা. এ এসএম সায়েম।

এর আগে শনিবার ওই চিকিৎসকদের বিনা অনুমতিতে হাসপাতালে অনুপস্থিতির কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুস শাকুর অনুপস্থিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে শনিবার বলেন, প্রাথমিকভাবে তাদের কারণ দর্শানোর চিঠি দেওয়া হয়েছে। তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া যেসব চিকিৎসক ছুটি ছাড়াই অনুপস্থিত, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক ও সাংসদ মাশরাফি গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে আকস্মিকভাবে নড়াইল সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে যান।

জানা গেছে, এ সময় হাজিরা খাতায় ওই চিকিৎসকদের স্বাক্ষর না দেখে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুস শাকুর এবং পরে অনুপস্থিত সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. আকরাম হোসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেন মাশরাফি।

পরে তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ডের রোগীদের কাছ থেকে নানা সমস্যার কথা শোনেন ও হাসপাতালের বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার চিত্র দেখতে পান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

মাশরাফির পরিদর্শন করা হাসপাতালের ৪ চিকিৎসক ওএসডি

আপডেট সময় : ১২:৪৩:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০১৯

নড়াইল প্রতিনিধি;

নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা পরিদর্শনের সময় নড়াইল সদরের যে হাসপাতালটির চার চিকিৎসককে অনুপস্থিত দেখেছিলেন তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

রোববার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এই চিকিৎসকদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়ে সাত কর্মদিবসের মধ্যে মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে যোগ দিতে বলা হয়েছে।

ওএসডি হওয়া চিকিৎসকার হলেন- নড়াইল সদর হাসপাতালের সার্জারির সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. মো. আখতার হোসেন, কার্ডিওলজির জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. মো. শওকত আলী ও ডা. মো. রবিউল আলম এবং মেডিকেল অফিসার ডা. এ এসএম সায়েম।

এর আগে শনিবার ওই চিকিৎসকদের বিনা অনুমতিতে হাসপাতালে অনুপস্থিতির কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুস শাকুর অনুপস্থিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে শনিবার বলেন, প্রাথমিকভাবে তাদের কারণ দর্শানোর চিঠি দেওয়া হয়েছে। তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া যেসব চিকিৎসক ছুটি ছাড়াই অনুপস্থিত, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক ও সাংসদ মাশরাফি গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে আকস্মিকভাবে নড়াইল সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে যান।

জানা গেছে, এ সময় হাজিরা খাতায় ওই চিকিৎসকদের স্বাক্ষর না দেখে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুস শাকুর এবং পরে অনুপস্থিত সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. আকরাম হোসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেন মাশরাফি।

পরে তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ডের রোগীদের কাছ থেকে নানা সমস্যার কথা শোনেন ও হাসপাতালের বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার চিত্র দেখতে পান।