ঢাকা ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ১৭ মার্চ ও ২৬ মার্চের আহ্বায়কসহ তিনজনকে প্রত্যাহারের আহ্বান কুবি শিক্ষক সমিতির Logo সিলেটে সাইবার ট্রাইব্যুনালে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের Logo ড. ইউনূসের মামলা পর্যবেক্ষণ করছে জাতিসংঘ Logo কাভার্ডভ্যান ও অটোরিকশার সংঘর্ষে ছাত্র নিহত, আহত ৩ Logo রাজশাহীতে যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৫ Logo এবার ঢাবি অধ্যাপক নাদিরের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ  Logo সন্দ্বীপ থানার ওসির পিপিএম পদক লাভ Logo মালয়েশিয়ায় ১৩৪ বাংলাদেশি গ্রেফতার Logo শাবির ছাত্রীহলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্থাপন, কমবে চুরি ও বহিরাগত প্রবেশ, বাড়বে নিরাপত্তা Logo গণতন্ত্র মঞ্চের কর্মসূচিতে হামলার নিন্দা ১২ দলীয় জোটের




পেয়ারার পুষ্টি গুণ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৫:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ৯৫ বার পড়া হয়েছে

পেয়ারা সারা পৃথিবী তে ভীষণ পরিচিত একটি ফল।

পৃথিবীর প্রায় সকল দেশে এই ফল পাওয়া যায়। আমাদের দেশে ( বাংলাদেশে) এখন শহর এলাকা গুলোতে দেশী পেয়ারার তুলনায় চাষ করা পেয়ারা পাওয়া যায় সারা বছর।

এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি। ভিটামিন এ চোখ, চুলের জন্য ভীষণ উপকারী। শিশু বয়স থেকে এই ফল খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

ভিটামিন সি পুরো দেহের চামড়ার পুষ্টি যোগায়, বহুবিধ ছোঁয়াচে অসুখ থেকে দূরে সরিয়ে রাখে। গরম ঠানডা জনিত অসুখ গুলো থেকে রক্ষা করে এই ফল।

পেয়ারা তে রয়েছে কারটিনয়েড নামক এক উপাদান, যা ভাইরাসজনিত ইনফেকশন কে প্রতিহত করে। ডায়রিয়ার জীবাণু কে করে দূরবল।

তারুণ্য বজায় রাখতে যুদ্ধ করে দেহের বিষাক্ত উপাদান গুলোর বিরুদ্ধে।

পেয়ারা তে আরো আছে উপকারী বন্ধু ভিটামিন বি। এই ভিটামিন বেরিবেরি অসুখ দূর করে, রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে তোলে। মুখ ও ঠোটের কোণায় ঘা,স্নায়ু দুর্বলতা কমাতে সাহায্য করে।

পেয়ারার খোসা তে রয়েছে ফাইবার, যা খাবার হজমে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। ডায়াবেটিক রোগীর জন্য ফাইবার জাতীয় খাবার ও ফল খুব দরকারি।

তবে ডায়াবেটিক রোগী ও মোটা মানুষেরা মিষ্টি পেয়ারা কম খাবেন। কিছুটা কাচা পেয়ারা তাদের জন্য বয়ে আনবে সুফল।

পেয়ারা শরীরে ইউরিক এসিডের পরিমাণ কমায়। বেড়ে যাওয়া ইউরিক এসিড দেহে বাত অসুখ তৈরী করে। তাই নিয়মিত পেয়ারা খান। তবে কিডনীর জটিলতায় আক্রান্ত হলে, চিকিৎসক এর পরামর্শ মেনে যে কোন ফল বা খাবার খাওয়া উচিৎ ।

অনেকেই পেয়ারার বীজ হজম করতে পারেননা। তাই হজমে সমস্যা থাকলে বীজ ফেলে পেয়ারা খান। এই ফলের পুষ্টিগুণ তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়। তাই ফ্রিজ এ সংরক্ষন না করাই ভালো।

পৃথিবীর একেক দেশে একেক প্রজাতির পেয়ারা পাওয়া যায়। সব পেয়ারাই উপকারী।

 

ফারহানা মোবিন

চিকিৎসক ও লেখক

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




পেয়ারার পুষ্টি গুণ

আপডেট সময় : ০১:০৫:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ এপ্রিল ২০১৯

পেয়ারা সারা পৃথিবী তে ভীষণ পরিচিত একটি ফল।

পৃথিবীর প্রায় সকল দেশে এই ফল পাওয়া যায়। আমাদের দেশে ( বাংলাদেশে) এখন শহর এলাকা গুলোতে দেশী পেয়ারার তুলনায় চাষ করা পেয়ারা পাওয়া যায় সারা বছর।

এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি। ভিটামিন এ চোখ, চুলের জন্য ভীষণ উপকারী। শিশু বয়স থেকে এই ফল খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

ভিটামিন সি পুরো দেহের চামড়ার পুষ্টি যোগায়, বহুবিধ ছোঁয়াচে অসুখ থেকে দূরে সরিয়ে রাখে। গরম ঠানডা জনিত অসুখ গুলো থেকে রক্ষা করে এই ফল।

পেয়ারা তে রয়েছে কারটিনয়েড নামক এক উপাদান, যা ভাইরাসজনিত ইনফেকশন কে প্রতিহত করে। ডায়রিয়ার জীবাণু কে করে দূরবল।

তারুণ্য বজায় রাখতে যুদ্ধ করে দেহের বিষাক্ত উপাদান গুলোর বিরুদ্ধে।

পেয়ারা তে আরো আছে উপকারী বন্ধু ভিটামিন বি। এই ভিটামিন বেরিবেরি অসুখ দূর করে, রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে তোলে। মুখ ও ঠোটের কোণায় ঘা,স্নায়ু দুর্বলতা কমাতে সাহায্য করে।

পেয়ারার খোসা তে রয়েছে ফাইবার, যা খাবার হজমে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। ডায়াবেটিক রোগীর জন্য ফাইবার জাতীয় খাবার ও ফল খুব দরকারি।

তবে ডায়াবেটিক রোগী ও মোটা মানুষেরা মিষ্টি পেয়ারা কম খাবেন। কিছুটা কাচা পেয়ারা তাদের জন্য বয়ে আনবে সুফল।

পেয়ারা শরীরে ইউরিক এসিডের পরিমাণ কমায়। বেড়ে যাওয়া ইউরিক এসিড দেহে বাত অসুখ তৈরী করে। তাই নিয়মিত পেয়ারা খান। তবে কিডনীর জটিলতায় আক্রান্ত হলে, চিকিৎসক এর পরামর্শ মেনে যে কোন ফল বা খাবার খাওয়া উচিৎ ।

অনেকেই পেয়ারার বীজ হজম করতে পারেননা। তাই হজমে সমস্যা থাকলে বীজ ফেলে পেয়ারা খান। এই ফলের পুষ্টিগুণ তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়। তাই ফ্রিজ এ সংরক্ষন না করাই ভালো।

পৃথিবীর একেক দেশে একেক প্রজাতির পেয়ারা পাওয়া যায়। সব পেয়ারাই উপকারী।

 

ফারহানা মোবিন

চিকিৎসক ও লেখক