ঢাকা ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

প্রেমিককে সাত দিনে ৭৭ হাজার বার ফোন করে প্রেমিকা গ্রেফতার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৯:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯ ২৭৩ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক;
একবার কথা বলার জন্য সাবেক প্রেমিককে এক সপ্তাহে ৭৭ হাজার বার ফোন করে গ্রেফতার হয়েছেন মেক্সিকোর এক তরুণী। শুধু তাই নয়, ফোনের পাশাপাশি এসএমএস, ই-মেইল, চিঠি পাঠিয়েও রেকর্ড গড়েছেন এই প্রেমিকা।

২৮ বছর বয়সী ওই তরুণীর নাম লিন্ডা মারফি। উইলিয়াম রায়ানস নামের এক যুবকের সঙ্গে পরিচয়ের কিছুদিনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। কিন্তু ব্যক্তিগত কিছু সমস্যার কারণে সেই সম্পর্ক কয়েকদিনের মধ্যেই ভেঙে যায়।

উইলিয়াম এই সম্পর্কের জের বেশিদিন টানতে চাননি। তবে লিন্ডা ব্রেকআপ হয়ে যাওয়ার কয়েকদিন পরই সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করতে চেয়েছিলেন। সে জন্য তিনি উইলিয়ামকে ফোন করেন। সমস্যার শুরু হয় সেখান থেকেই।

লিন্ডার কোনো ফোন রিসিভ করেননি উইলিয়াম। এরপরই ফোনে এভাবে বিরক্ত করার জন্য পুলিশের দ্বারস্থ হন উইলিয়াম। লিন্ডার ফোনের কল হিস্ট্রি পরীক্ষা করে পুলিশ জানতে পারে এক সপ্তাহে ৭৭ হাজার ৬৩৯ বার ফোন করেছেন লিন্ডা।

এছাড়া এই সময়ের মধ্যে তিনি সাবেক প্রেমিক উইলিয়ামকে ই-মেইল করেছেন ১ হাজার ৯৩৭ বার, ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েছেন ৪১ হাজার ২২৯টি, ২১৭টি ভয়েস ম্যাসেজ এবং চিঠি দিয়েছেন ৬৪৭টি।

পুলিশ অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তে নেমে সত্যতা নিশ্চিত হয়। পরে আলবুকারিন পুলিশ ডিপার্টমেন্ট লিন্ডাকে গ্রেফতার করে।

লিন্ডা বলেছেন, তিনি তিনটি ফোন থেকে একসঙ্গে উইলিয়ামের বাড়ির ল্যান্ডফোন, মোবাইল ও অফিসের ফোনে ক্রমাগত কল দিয়েছেন। উইলিয়ামের সঙ্গে একবার কথা বলার জন্য দিনে সবসময় ফোন করতেন তিনি। রাত জেগে ফোন করার জন্য বিশেষ ধরনের এনার্জি ড্রিংক ও অ্যামফেটামাইন জাতীয় ওষুধ খেতেন লিন্ডা।

পুলিশ বলছে, লিন্ডা অবসেসিভ কমপালসিভ ডিজঅর্ডার নামের এক বিশেষ মানসিক রোগের শিকার। এই রোগে আক্রান্তরা মানসিক উদ্বেগে ভোগেন এবং একই কাজ বারবার করে যাওয়া থেকে নিজেকে বিরত করতে পারেন না। উইলিয়ামের সঙ্গে প্রেম ভেঙে যাওয়ার পরে লিন্ডার সেই সমস্যা আরও বৃদ্ধি পায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

প্রেমিককে সাত দিনে ৭৭ হাজার বার ফোন করে প্রেমিকা গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৩:৪৯:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক;
একবার কথা বলার জন্য সাবেক প্রেমিককে এক সপ্তাহে ৭৭ হাজার বার ফোন করে গ্রেফতার হয়েছেন মেক্সিকোর এক তরুণী। শুধু তাই নয়, ফোনের পাশাপাশি এসএমএস, ই-মেইল, চিঠি পাঠিয়েও রেকর্ড গড়েছেন এই প্রেমিকা।

২৮ বছর বয়সী ওই তরুণীর নাম লিন্ডা মারফি। উইলিয়াম রায়ানস নামের এক যুবকের সঙ্গে পরিচয়ের কিছুদিনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। কিন্তু ব্যক্তিগত কিছু সমস্যার কারণে সেই সম্পর্ক কয়েকদিনের মধ্যেই ভেঙে যায়।

উইলিয়াম এই সম্পর্কের জের বেশিদিন টানতে চাননি। তবে লিন্ডা ব্রেকআপ হয়ে যাওয়ার কয়েকদিন পরই সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করতে চেয়েছিলেন। সে জন্য তিনি উইলিয়ামকে ফোন করেন। সমস্যার শুরু হয় সেখান থেকেই।

লিন্ডার কোনো ফোন রিসিভ করেননি উইলিয়াম। এরপরই ফোনে এভাবে বিরক্ত করার জন্য পুলিশের দ্বারস্থ হন উইলিয়াম। লিন্ডার ফোনের কল হিস্ট্রি পরীক্ষা করে পুলিশ জানতে পারে এক সপ্তাহে ৭৭ হাজার ৬৩৯ বার ফোন করেছেন লিন্ডা।

এছাড়া এই সময়ের মধ্যে তিনি সাবেক প্রেমিক উইলিয়ামকে ই-মেইল করেছেন ১ হাজার ৯৩৭ বার, ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েছেন ৪১ হাজার ২২৯টি, ২১৭টি ভয়েস ম্যাসেজ এবং চিঠি দিয়েছেন ৬৪৭টি।

পুলিশ অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তে নেমে সত্যতা নিশ্চিত হয়। পরে আলবুকারিন পুলিশ ডিপার্টমেন্ট লিন্ডাকে গ্রেফতার করে।

লিন্ডা বলেছেন, তিনি তিনটি ফোন থেকে একসঙ্গে উইলিয়ামের বাড়ির ল্যান্ডফোন, মোবাইল ও অফিসের ফোনে ক্রমাগত কল দিয়েছেন। উইলিয়ামের সঙ্গে একবার কথা বলার জন্য দিনে সবসময় ফোন করতেন তিনি। রাত জেগে ফোন করার জন্য বিশেষ ধরনের এনার্জি ড্রিংক ও অ্যামফেটামাইন জাতীয় ওষুধ খেতেন লিন্ডা।

পুলিশ বলছে, লিন্ডা অবসেসিভ কমপালসিভ ডিজঅর্ডার নামের এক বিশেষ মানসিক রোগের শিকার। এই রোগে আক্রান্তরা মানসিক উদ্বেগে ভোগেন এবং একই কাজ বারবার করে যাওয়া থেকে নিজেকে বিরত করতে পারেন না। উইলিয়ামের সঙ্গে প্রেম ভেঙে যাওয়ার পরে লিন্ডার সেই সমস্যা আরও বৃদ্ধি পায়।