ঢাকা ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লঞ্চ থেকে মেঘনায় লাফ দেওয়া যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার, প্রশংসায় নৌ পুলিশের তৎপরতা Logo স্থানীয় কৃষকদের থেকে ভাড়ায় জমি নিয়ে সাইন বোর্ড: প্লট বানিজ্যের নামে পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী কর্তৃপক্ষ’র প্রতারণা Logo “নৌ-খাতের সিমুলেটর বাণিজ্যের লুটেরা সিন্ডিকেট সাব্বির মাদানি” Logo গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ত্রাসের রাজত্ব! নকল নবীশ মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকি ও দূর্নীতির অভিযোগ Logo ‘শিশু হাসপাতালে উপ-পরিচালক নেছার উদ্দীন সিন্ডিকেটের দুর্নীতি ও লুটপাট’ Logo গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়ার ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও টেন্ডার কারসাজি Logo মাঠের ত্যাগী না অভিজ্ঞ নেতা: রাজধানীর বিএনপিতে কোন পথে যাচ্ছে নেতৃত্ব? Logo অন্তর্বর্তী সরকার আমাকে ডিসিদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ দেয়নি: রাষ্ট্রপতি Logo পথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি Logo সাভার পৌরসভার লাইসেন্স পরিদর্শক আমজাদ মোল্লার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

প্রেমিককে সাত দিনে ৭৭ হাজার বার ফোন করে প্রেমিকা গ্রেফতার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৯:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯ ২৩৮ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক;
একবার কথা বলার জন্য সাবেক প্রেমিককে এক সপ্তাহে ৭৭ হাজার বার ফোন করে গ্রেফতার হয়েছেন মেক্সিকোর এক তরুণী। শুধু তাই নয়, ফোনের পাশাপাশি এসএমএস, ই-মেইল, চিঠি পাঠিয়েও রেকর্ড গড়েছেন এই প্রেমিকা।

২৮ বছর বয়সী ওই তরুণীর নাম লিন্ডা মারফি। উইলিয়াম রায়ানস নামের এক যুবকের সঙ্গে পরিচয়ের কিছুদিনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। কিন্তু ব্যক্তিগত কিছু সমস্যার কারণে সেই সম্পর্ক কয়েকদিনের মধ্যেই ভেঙে যায়।

উইলিয়াম এই সম্পর্কের জের বেশিদিন টানতে চাননি। তবে লিন্ডা ব্রেকআপ হয়ে যাওয়ার কয়েকদিন পরই সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করতে চেয়েছিলেন। সে জন্য তিনি উইলিয়ামকে ফোন করেন। সমস্যার শুরু হয় সেখান থেকেই।

লিন্ডার কোনো ফোন রিসিভ করেননি উইলিয়াম। এরপরই ফোনে এভাবে বিরক্ত করার জন্য পুলিশের দ্বারস্থ হন উইলিয়াম। লিন্ডার ফোনের কল হিস্ট্রি পরীক্ষা করে পুলিশ জানতে পারে এক সপ্তাহে ৭৭ হাজার ৬৩৯ বার ফোন করেছেন লিন্ডা।

এছাড়া এই সময়ের মধ্যে তিনি সাবেক প্রেমিক উইলিয়ামকে ই-মেইল করেছেন ১ হাজার ৯৩৭ বার, ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েছেন ৪১ হাজার ২২৯টি, ২১৭টি ভয়েস ম্যাসেজ এবং চিঠি দিয়েছেন ৬৪৭টি।

পুলিশ অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তে নেমে সত্যতা নিশ্চিত হয়। পরে আলবুকারিন পুলিশ ডিপার্টমেন্ট লিন্ডাকে গ্রেফতার করে।

লিন্ডা বলেছেন, তিনি তিনটি ফোন থেকে একসঙ্গে উইলিয়ামের বাড়ির ল্যান্ডফোন, মোবাইল ও অফিসের ফোনে ক্রমাগত কল দিয়েছেন। উইলিয়ামের সঙ্গে একবার কথা বলার জন্য দিনে সবসময় ফোন করতেন তিনি। রাত জেগে ফোন করার জন্য বিশেষ ধরনের এনার্জি ড্রিংক ও অ্যামফেটামাইন জাতীয় ওষুধ খেতেন লিন্ডা।

পুলিশ বলছে, লিন্ডা অবসেসিভ কমপালসিভ ডিজঅর্ডার নামের এক বিশেষ মানসিক রোগের শিকার। এই রোগে আক্রান্তরা মানসিক উদ্বেগে ভোগেন এবং একই কাজ বারবার করে যাওয়া থেকে নিজেকে বিরত করতে পারেন না। উইলিয়ামের সঙ্গে প্রেম ভেঙে যাওয়ার পরে লিন্ডার সেই সমস্যা আরও বৃদ্ধি পায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

প্রেমিককে সাত দিনে ৭৭ হাজার বার ফোন করে প্রেমিকা গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৩:৪৯:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক;
একবার কথা বলার জন্য সাবেক প্রেমিককে এক সপ্তাহে ৭৭ হাজার বার ফোন করে গ্রেফতার হয়েছেন মেক্সিকোর এক তরুণী। শুধু তাই নয়, ফোনের পাশাপাশি এসএমএস, ই-মেইল, চিঠি পাঠিয়েও রেকর্ড গড়েছেন এই প্রেমিকা।

২৮ বছর বয়সী ওই তরুণীর নাম লিন্ডা মারফি। উইলিয়াম রায়ানস নামের এক যুবকের সঙ্গে পরিচয়ের কিছুদিনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। কিন্তু ব্যক্তিগত কিছু সমস্যার কারণে সেই সম্পর্ক কয়েকদিনের মধ্যেই ভেঙে যায়।

উইলিয়াম এই সম্পর্কের জের বেশিদিন টানতে চাননি। তবে লিন্ডা ব্রেকআপ হয়ে যাওয়ার কয়েকদিন পরই সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করতে চেয়েছিলেন। সে জন্য তিনি উইলিয়ামকে ফোন করেন। সমস্যার শুরু হয় সেখান থেকেই।

লিন্ডার কোনো ফোন রিসিভ করেননি উইলিয়াম। এরপরই ফোনে এভাবে বিরক্ত করার জন্য পুলিশের দ্বারস্থ হন উইলিয়াম। লিন্ডার ফোনের কল হিস্ট্রি পরীক্ষা করে পুলিশ জানতে পারে এক সপ্তাহে ৭৭ হাজার ৬৩৯ বার ফোন করেছেন লিন্ডা।

এছাড়া এই সময়ের মধ্যে তিনি সাবেক প্রেমিক উইলিয়ামকে ই-মেইল করেছেন ১ হাজার ৯৩৭ বার, ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েছেন ৪১ হাজার ২২৯টি, ২১৭টি ভয়েস ম্যাসেজ এবং চিঠি দিয়েছেন ৬৪৭টি।

পুলিশ অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তে নেমে সত্যতা নিশ্চিত হয়। পরে আলবুকারিন পুলিশ ডিপার্টমেন্ট লিন্ডাকে গ্রেফতার করে।

লিন্ডা বলেছেন, তিনি তিনটি ফোন থেকে একসঙ্গে উইলিয়ামের বাড়ির ল্যান্ডফোন, মোবাইল ও অফিসের ফোনে ক্রমাগত কল দিয়েছেন। উইলিয়ামের সঙ্গে একবার কথা বলার জন্য দিনে সবসময় ফোন করতেন তিনি। রাত জেগে ফোন করার জন্য বিশেষ ধরনের এনার্জি ড্রিংক ও অ্যামফেটামাইন জাতীয় ওষুধ খেতেন লিন্ডা।

পুলিশ বলছে, লিন্ডা অবসেসিভ কমপালসিভ ডিজঅর্ডার নামের এক বিশেষ মানসিক রোগের শিকার। এই রোগে আক্রান্তরা মানসিক উদ্বেগে ভোগেন এবং একই কাজ বারবার করে যাওয়া থেকে নিজেকে বিরত করতে পারেন না। উইলিয়ামের সঙ্গে প্রেম ভেঙে যাওয়ার পরে লিন্ডার সেই সমস্যা আরও বৃদ্ধি পায়।