ঢাকা ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

মুরগির বাচ্চাকে বাঁচাতে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সেই শিশু পুরস্কৃত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ এপ্রিল ২০১৯ ৩৫৪ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক; ভারতের ৬ বছর বয়সী এক শিশু নিজের সাইকেল দিয়ে মুরগির একটি বাচ্চাকে চাপা দেয়ার পর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সেই শিশুকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

মানবিকতার এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় সেই শিশুকে পুরস্কৃত করেছে তার স্কুল কর্তৃপক্ষ। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার

মুরগির ওই বাচ্চাকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটে যাওয়ার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।

ছবিতে দেখা যায়, ওই শিশুটির এক হাতে মুরগির বাচ্চা আর অন্য হাতে ছিল দশ রুপি।

ঘটনাটি ঘটে ভারতের মিজোরামের সাইরাং এলাকায়। ওই শিশুর নাম ডেরেক সি লালচানহিমা।

হাসপাতালে মুরগির বাচ্চা নিয়ে আসা ওই ছবিটিতে ফেসবুকে অসংখ্য লাইক, মন্তব্য আর শেয়ার হয়েছে।

সাংগা সেইস নামের একটি আইডি থেকে ছবিটি ফেসবুকে শেয়ার করা হয়। তিনি জানান, ডেরেকের বাবা ঘটনাটি তাকে জানানোর পর তার সঙ্গে ছবিটি শেয়ার করেছিলেন।

সাংগা বলেন, ওর বাবার বক্তব্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনাক্রমে মেরে ফেলা প্রতিবেশীর একটি মুরগির বাচ্চা নিয়ে শিশুটি বাড়িতে আসে। বাচ্চাটি যে মারা গেছে সেটি সে বুঝতে পারছিল না তাই তার বাবাকে বাচ্চাটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া জন্য বলতে থাকে। বাবা তাকে দশটি রুপি দিয়ে তাকেই হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন।

লালচানহিমা মুরগির বাচ্চা ও দশ রুপি হাতে হাসপাতালে হাজির হয়। সেখানে শিশুটির সরলতা ও মানবিকতা দেখে অভিভূত এক নার্স তার ছবি তোলেন। সেই ছবিটিই অনলাইনে ভাইরাল হয়।

হাসপাতাল থেকে কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে ফিরে মুরগির বাচ্চাটিকে সাহায্য করার চেষ্টায় এরপর আরও ১০০ রুপি নিয়ে ফের হাসপাতালে ছুটে যায় শিশুটি।

সাংগা বলেন, শেষ পর্যন্ত তারা বাবা-মা তাকে বোঝান যে মুরগির বাচ্চাটা মারা গেছে, হাসপাতালের লোকেরা আর কিছু করতে পারবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

মুরগির বাচ্চাকে বাঁচাতে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সেই শিশু পুরস্কৃত

আপডেট সময় : ০৯:৫৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ এপ্রিল ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক; ভারতের ৬ বছর বয়সী এক শিশু নিজের সাইকেল দিয়ে মুরগির একটি বাচ্চাকে চাপা দেয়ার পর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সেই শিশুকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

মানবিকতার এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় সেই শিশুকে পুরস্কৃত করেছে তার স্কুল কর্তৃপক্ষ। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার

মুরগির ওই বাচ্চাকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটে যাওয়ার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।

ছবিতে দেখা যায়, ওই শিশুটির এক হাতে মুরগির বাচ্চা আর অন্য হাতে ছিল দশ রুপি।

ঘটনাটি ঘটে ভারতের মিজোরামের সাইরাং এলাকায়। ওই শিশুর নাম ডেরেক সি লালচানহিমা।

হাসপাতালে মুরগির বাচ্চা নিয়ে আসা ওই ছবিটিতে ফেসবুকে অসংখ্য লাইক, মন্তব্য আর শেয়ার হয়েছে।

সাংগা সেইস নামের একটি আইডি থেকে ছবিটি ফেসবুকে শেয়ার করা হয়। তিনি জানান, ডেরেকের বাবা ঘটনাটি তাকে জানানোর পর তার সঙ্গে ছবিটি শেয়ার করেছিলেন।

সাংগা বলেন, ওর বাবার বক্তব্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনাক্রমে মেরে ফেলা প্রতিবেশীর একটি মুরগির বাচ্চা নিয়ে শিশুটি বাড়িতে আসে। বাচ্চাটি যে মারা গেছে সেটি সে বুঝতে পারছিল না তাই তার বাবাকে বাচ্চাটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া জন্য বলতে থাকে। বাবা তাকে দশটি রুপি দিয়ে তাকেই হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন।

লালচানহিমা মুরগির বাচ্চা ও দশ রুপি হাতে হাসপাতালে হাজির হয়। সেখানে শিশুটির সরলতা ও মানবিকতা দেখে অভিভূত এক নার্স তার ছবি তোলেন। সেই ছবিটিই অনলাইনে ভাইরাল হয়।

হাসপাতাল থেকে কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে ফিরে মুরগির বাচ্চাটিকে সাহায্য করার চেষ্টায় এরপর আরও ১০০ রুপি নিয়ে ফের হাসপাতালে ছুটে যায় শিশুটি।

সাংগা বলেন, শেষ পর্যন্ত তারা বাবা-মা তাকে বোঝান যে মুরগির বাচ্চাটা মারা গেছে, হাসপাতালের লোকেরা আর কিছু করতে পারবে না।