ঢাকা ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




আবারও ভাইকে পদ ফিরিয়ে দিলেন এরশাদ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৮:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ এপ্রিল ২০১৯ ৯ বার পড়া হয়েছে

ভাই জি এম কাদেরকে দলের কো-চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার দুই সপ্তাহ না গড়াতেই তাকে ওই পদ ফিরিয়ে দিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ।

নিজের সিদ্ধান্ত বারবার পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বরাবরই আলোচিত এরশাদ বৃহস্পতিবার জি এম কাদেরকে দলের কো-চেয়ারম্যান পদে পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নেন।

দলের গঠনতন্ত্রের ২০/১ (ক) ধারার ক্ষমতাবলে চেয়ারম্যান এরশাদ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জাতীয় পার্টির যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক এম এ রাজ্জাক খান জানিয়েছেন।

গত ২২ মার্চ কো-চেয়ারম্যানের পদ থেকে ভাইকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এরশাদ। পরদিন সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতার পদ থেকেও কাদেরকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা এরশাদের দলে জি এম কাদেরের উপরে জ্যেষ্ঠ কো-চেয়ারম্যানের পদে রয়েছেন তার স্ত্রী রওশন এরশাদ। রওশনের সঙ্গে কাদেরের বিবাদ জাতীয় পার্টির মধ্যে বরাবরই আলোচিত।

দলে ‘বিভেদ’ তৈরি ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে ‘ব্যর্থতার’ অভিযোগ তুলে গত ২২ মার্চ ভাই জি এম কাদেরকে কো চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দেন এরশাদ।

তবে গত মঙ্গলবার জাতীয় যুব সংহতির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ভাবি রওশনকে পাশে রেখে ঐক্যের কথা বলেছিলেন কাদের।
তার দুই দিনের মধ্যে দলীয় পদ ফিরে পেলেন জি এম কাদের।

তাকে পদ থেকে সরানোর পর জাতীয় পার্টির রংপুরের নেতারা গণপদত্যাগের হুমকিও দিয়েছিলেন।

ভাইকে অন্য পদগুলোও এরশাদ ফেরত দিতে যাচ্ছেন বলে জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর এক সদস্য জানিয়েছেন।

৯০ বছর পেরুনো অসুস্থ এরশাদ গত ১ জানুয়ারি জাতীয় পার্টিতে তার উত্তরসূরি হিসেবে ভাই কাদেরের নাম ঘোষণা করেছিলেন।

এরপর এরশাদের অনুপস্থিতিতে জি এম কাদেরের দায়িত্বভার গ্রহণের পর ‘রওশনপন্থি’ বলে পরিচিত নেতারা নাখোশ মনোভাবও দেখিয়েছেন বিভিন্ন সভায়।

এর আগে ২০১৬ সালেও ভাই জি এম কাদেরকে কো চেয়ারম্যান করলে দলের একটি অংশ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। পরে জ্যেষ্ঠ কো চেয়ারম্যানে পদ সৃষ্টি করে তাতে স্ত্রী রওশনকে আসীন করেছিলেন এরশাদ।

তার আগে এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারকে সরিয়ে জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুকে মহাসচিব করেছিলেন এরশাদ। রওশন সমর্থক হিসেবে পরিচিত বাবলুকে কটাক্ষ করে এক মন্তব্যের জন্য তখন একবার ভাই কাদেরকে সতর্ক করে নোটিস পাঠিয়েছিলেন এরশাদ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




আবারও ভাইকে পদ ফিরিয়ে দিলেন এরশাদ

আপডেট সময় : ১১:২৮:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ এপ্রিল ২০১৯

ভাই জি এম কাদেরকে দলের কো-চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার দুই সপ্তাহ না গড়াতেই তাকে ওই পদ ফিরিয়ে দিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ।

নিজের সিদ্ধান্ত বারবার পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বরাবরই আলোচিত এরশাদ বৃহস্পতিবার জি এম কাদেরকে দলের কো-চেয়ারম্যান পদে পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নেন।

দলের গঠনতন্ত্রের ২০/১ (ক) ধারার ক্ষমতাবলে চেয়ারম্যান এরশাদ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জাতীয় পার্টির যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক এম এ রাজ্জাক খান জানিয়েছেন।

গত ২২ মার্চ কো-চেয়ারম্যানের পদ থেকে ভাইকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এরশাদ। পরদিন সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতার পদ থেকেও কাদেরকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা এরশাদের দলে জি এম কাদেরের উপরে জ্যেষ্ঠ কো-চেয়ারম্যানের পদে রয়েছেন তার স্ত্রী রওশন এরশাদ। রওশনের সঙ্গে কাদেরের বিবাদ জাতীয় পার্টির মধ্যে বরাবরই আলোচিত।

দলে ‘বিভেদ’ তৈরি ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে ‘ব্যর্থতার’ অভিযোগ তুলে গত ২২ মার্চ ভাই জি এম কাদেরকে কো চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দেন এরশাদ।

তবে গত মঙ্গলবার জাতীয় যুব সংহতির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ভাবি রওশনকে পাশে রেখে ঐক্যের কথা বলেছিলেন কাদের।
তার দুই দিনের মধ্যে দলীয় পদ ফিরে পেলেন জি এম কাদের।

তাকে পদ থেকে সরানোর পর জাতীয় পার্টির রংপুরের নেতারা গণপদত্যাগের হুমকিও দিয়েছিলেন।

ভাইকে অন্য পদগুলোও এরশাদ ফেরত দিতে যাচ্ছেন বলে জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর এক সদস্য জানিয়েছেন।

৯০ বছর পেরুনো অসুস্থ এরশাদ গত ১ জানুয়ারি জাতীয় পার্টিতে তার উত্তরসূরি হিসেবে ভাই কাদেরের নাম ঘোষণা করেছিলেন।

এরপর এরশাদের অনুপস্থিতিতে জি এম কাদেরের দায়িত্বভার গ্রহণের পর ‘রওশনপন্থি’ বলে পরিচিত নেতারা নাখোশ মনোভাবও দেখিয়েছেন বিভিন্ন সভায়।

এর আগে ২০১৬ সালেও ভাই জি এম কাদেরকে কো চেয়ারম্যান করলে দলের একটি অংশ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। পরে জ্যেষ্ঠ কো চেয়ারম্যানে পদ সৃষ্টি করে তাতে স্ত্রী রওশনকে আসীন করেছিলেন এরশাদ।

তার আগে এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারকে সরিয়ে জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুকে মহাসচিব করেছিলেন এরশাদ। রওশন সমর্থক হিসেবে পরিচিত বাবলুকে কটাক্ষ করে এক মন্তব্যের জন্য তখন একবার ভাই কাদেরকে সতর্ক করে নোটিস পাঠিয়েছিলেন এরশাদ।