ঢাকা ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




৯৯৯-এ ফোন দিয়ে বন্দিদশা থেকে উদ্ধার নারী ও শিশুসহ ৬২ জন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ এপ্রিল ২০১৯ ১১ বার পড়া হয়েছে

জেলা প্রতিনিধি; নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় ইট তৈরির বকেয়া মজুরি চাওয়ায় নারী ও শিশুসহ ৬২ জনকে একটি ঘরে দুইদিন আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ইটভাটার মালিক আলিম ও মিজানের বিরুদ্ধে।

বুধবার রাতে ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে বন্দরের ফুনকুল এলাকায় অবস্থিত এ বি এফ ব্রিক ফিল্ড থেকে নারী ও শিশুসহ ৬২ জন শ্রমিককে উদ্ধার করে পুলিশ। পরে বৃহস্পতিবার পুলিশ তা নিশ্চিত করে।

কামতাল তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই আনোয়ার হুসাইন জানান, ৩ মার্চ থেকে ঝড়-বৃষ্টি হওয়ায় ইট তৈরির কাজ বন্ধ হয়ে যায়। গত ১ এপ্রিল রাতে ইটভাটার মালিক আলিম ও মিজানের কাছে ইট তৈরির বকেয়া মজুরি ৫০ হাজার ৫০০ টাকা চায় ইটভাটা শ্রমিক কুতুবউদ্দিন। কিন্তু তারা তা না দিয়ে উল্টো শ্রমিকদের মারধর ও নির্যাতন চালিয়ে ইটভাটার একটি ঘরে আটকে রাখেন।

অনাহারে দুইদিন অবরুদ্ধ থাকার পর ইটভাটা শ্রমিকরা ৯৯৯-এ ফোন করে তাদের উদ্ধারের জন্য সহযোগিতা চান। পরে ৯৯৯ এর সংবাদের ভিত্তিতে কামতাল তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ওই ইটভাটার ঘর থেকে ১৪ জন নারী ও ৯ জন শিশুসহ মোট ৬২ জনকে উদ্ধার করে।

তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মালিক মিজান ও আলিম পালিয়ে যায়। পরে মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য ইয়ানবীর মাধ্যমে বকেয়া ৫০ হাজার ৫০০ টাকা আদায় করে শ্রমিকদের শেরপুর নিজ গ্রামে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে বন্দর ইটভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ দেওয়ানের কাছে জানতে তাকে ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




error: Content is protected !!

৯৯৯-এ ফোন দিয়ে বন্দিদশা থেকে উদ্ধার নারী ও শিশুসহ ৬২ জন

আপডেট সময় : ১০:৪৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ এপ্রিল ২০১৯

জেলা প্রতিনিধি; নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় ইট তৈরির বকেয়া মজুরি চাওয়ায় নারী ও শিশুসহ ৬২ জনকে একটি ঘরে দুইদিন আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ইটভাটার মালিক আলিম ও মিজানের বিরুদ্ধে।

বুধবার রাতে ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে বন্দরের ফুনকুল এলাকায় অবস্থিত এ বি এফ ব্রিক ফিল্ড থেকে নারী ও শিশুসহ ৬২ জন শ্রমিককে উদ্ধার করে পুলিশ। পরে বৃহস্পতিবার পুলিশ তা নিশ্চিত করে।

কামতাল তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই আনোয়ার হুসাইন জানান, ৩ মার্চ থেকে ঝড়-বৃষ্টি হওয়ায় ইট তৈরির কাজ বন্ধ হয়ে যায়। গত ১ এপ্রিল রাতে ইটভাটার মালিক আলিম ও মিজানের কাছে ইট তৈরির বকেয়া মজুরি ৫০ হাজার ৫০০ টাকা চায় ইটভাটা শ্রমিক কুতুবউদ্দিন। কিন্তু তারা তা না দিয়ে উল্টো শ্রমিকদের মারধর ও নির্যাতন চালিয়ে ইটভাটার একটি ঘরে আটকে রাখেন।

অনাহারে দুইদিন অবরুদ্ধ থাকার পর ইটভাটা শ্রমিকরা ৯৯৯-এ ফোন করে তাদের উদ্ধারের জন্য সহযোগিতা চান। পরে ৯৯৯ এর সংবাদের ভিত্তিতে কামতাল তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ওই ইটভাটার ঘর থেকে ১৪ জন নারী ও ৯ জন শিশুসহ মোট ৬২ জনকে উদ্ধার করে।

তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মালিক মিজান ও আলিম পালিয়ে যায়। পরে মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য ইয়ানবীর মাধ্যমে বকেয়া ৫০ হাজার ৫০০ টাকা আদায় করে শ্রমিকদের শেরপুর নিজ গ্রামে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে বন্দর ইটভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ দেওয়ানের কাছে জানতে তাকে ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।