নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
আগামী ১২ মার্চ শুরু হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। সংবিধান অনুযায়ী, বিদায়ী সংসদের স্পিকার ও তার অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকার নতুন সংসদের প্রথম বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। কিন্তু জুলাই ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে দ্বাদশ সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর পদত্যাগ এবং ডেপুটি স্পিকার গণহত্যা মামলায় কারাবন্দি হওয়ায় তাদের সংসদ অধিবেশন পরিচালনার সুযোগ কার্যত নেই। যে কারণে সংসদের প্রথম বৈঠকে সভাপতিত্ব কে করবেন তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি মনোনীত ব্যক্তির সংসদ সদস্যদের শপথ ও সংসদের প্রথম বৈঠক– দুটি কাজ পরিচালনার সুযোগ রয়েছে। তবে, এর আগে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে নির্বাচিতদের শপথ রাষ্ট্রপতির মনোনীত ব্যক্তির পরিবর্তে সংবিধানে উল্লিখিত দ্বিতীয় পদ্ধতি অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে দিয়ে পড়ানো হয়েছে। সংসদ অধিবেশনের ক্ষেত্রে কেবল সংসদ পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রপতি কাউকে মনোনয়ন দিতে পারবেন কি না তা স্পষ্ট নয়।
তবে রাষ্ট্রপতির সম্মতিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে নির্বাচিত সিনিয়র সংসদ সদস্যের মাধ্যমে প্রথম বৈঠক পরিচালনার রেওয়াজ সংসদে রয়েছে। ১৯৭৩ সালের সংসদের প্রথম বৈঠকে বিষয়টি অনুসরণ করা হয়েছিল বলে সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে। এ হিসেবে বর্তমান সংসদের সিনিয়র কোনো সদস্যকে দিয়ে প্রথম বৈঠক পরিচালনার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হতে পারে বলে জানা গেছে।