নিজস্ব প্রতিবেদক
নিয়ম বহির্ভূতভাবে প্রভাব খাটিয়ে টেন্ডার কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কুড়িগ্রাম সড়ক বিভাগের বিরুদ্ধে। এ কাজে সহযোগিতার অভিযোগ করা হয়েছে রংপুর সড়ক সার্কেলের প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধেও।
অভিযোগ অনুযায়ী, দরপত্রে চারটি প্রতিষ্ঠান মূল দরপত্রের চেয়ে ১০ শতাংশ কম দরে অংশ নেয়। তবে চলমান কাজের বিপরীতে ভুল তথ্য দেওয়ায় কুড়িগ্রাম সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ই-জিপি সিস্টেমের মাধ্যমে তিন কার্যদিবস সময় দিয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে নোটিশ দেন। চার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তিনটি প্রতিষ্ঠান ব্যাখ্যা জমা দিলেও মোহাম্মদ আমিনুল হক প্রাইভেট লিমিটেড কোনো ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হয়। ফলে প্রতিষ্ঠানটিকে টেন্ডারে নন-রেসপন্সিভ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
তবুও অভিযোগ রয়েছে, ওই নন-রেসপন্সিভ প্রতিষ্ঠানটিকেই কুড়িগ্রাম সড়ক বিভাগ থেকে নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। এ সিদ্ধান্তের অনুমোদন দেন রংপুর সড়ক সার্কেলের প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রহিম।
নিয়ম অনুযায়ী, পিপিআর ২০২৫ অনুসারে এ ক্ষেত্রে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করে আরও বেশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যেত। বিকল্প হিসেবে নন-রেসপন্সিভ ঘোষিত প্রতিষ্ঠান বাদ দিয়ে বাকি তিনটি যোগ্য প্রতিষ্ঠানের যেকোনো একটিকে কাজ দেওয়া সম্ভব ছিল। কিন্তু তা না করে অভিযোগ অনুযায়ী উৎকোচ গ্রহণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে নির্দিষ্ট একটি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বশীলদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো।