ঢাকা ১১:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo স্থানীয় কৃষকদের থেকে ভাড়ায় জমি নিয়ে সাইন বোর্ড: প্লট বানিজ্যের নামে পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী কর্তৃপক্ষ’র প্রতারণা Logo “নৌ-খাতের সিমুলেটর বাণিজ্যের লুটেরা সিন্ডিকেট সাব্বির মাদানি” Logo গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ত্রাসের রাজত্ব! নকল নবীশ মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকি ও দূর্নীতির অভিযোগ Logo ‘শিশু হাসপাতালে উপ-পরিচালক নেছার উদ্দীন সিন্ডিকেটের দুর্নীতি ও লুটপাট’ Logo গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়ার ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও টেন্ডার কারসাজি Logo মাঠের ত্যাগী না অভিজ্ঞ নেতা: রাজধানীর বিএনপিতে কোন পথে যাচ্ছে নেতৃত্ব? Logo অন্তর্বর্তী সরকার আমাকে ডিসিদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ দেয়নি: রাষ্ট্রপতি Logo পথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি Logo সাভার পৌরসভার লাইসেন্স পরিদর্শক আমজাদ মোল্লার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ Logo জিয়া শিশু কিশোর মেলা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

বিএসএমএমইউতে খালেদা জিয়া

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪০:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০১৯ ২৭৬ বার পড়া হয়েছে

চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) নেয়া হয়েছে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে। সোমবার বেলা ১২টা ৩৬ মিনিটে খালেদা জিয়াকে বহনকারী গাড়িবহর বিএসএমএমইউর মূলফটক দিয়ে প্রবেশ করে। এর পর তাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কেবিন ব্লকে নিয়ে যাওয়া হয়। বিএসএমএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সোমবার বেলা ১২টা ২০ মিনিটে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে খালেদা জিয়াকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স বিএসএমএমইউর পথে রওনা হয়। ১৬ মিনিটেই অ্যাম্বুলেন্স ও সঙ্গে থাকা গাড়িবহর হাসপাতালে পৌঁছে যায়। গাড়িবহরে ছিল পুলিশ, র্যাব, ফায়ার সার্ভিস ও কারাকর্তৃপক্ষের কয়েকটি গাড়ি।

হাসপাতালে খালেদা জিয়ার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে প্রয়োজনে তাকে সেখানে ভর্তিও করা হতে পারে। কারাগার ও হাসপাতালসূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেয়ার পথে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। সড়কে বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। হাসপাতালের সামনেও বাড়তি নিরাপত্তা লক্ষ্য করা গেছে।

বিএসএমএমইউতে চিকিৎসা নিতে সম্মতির কথা আজ সকালে কারাকর্তৃপক্ষকে জানান খালেদা জিয়া। সকালে কারাকর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, আজ যেকোনো সময় তাকে কারাগার থেকে হাসপাতালে নেয়া হতে পারে।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহবুবুল ইসলাম সকালে জানিয়েছিলেন, খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা নিতে রাজি হয়েছেন। আমাদের সব কিছুই প্রস্তুত আছে। কিছুক্ষণের মধ্যে তিনি রওনা হবেন।

জেলার মাহবুবুল ইসলাম আরও বলেন, আমরা তাকে আজ বিএসএমএমইউয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। উনাকে কারা অধিদফতরের এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। বিএসএমএমইউ নেয়ার পর চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে ভর্তির বিষয়টি ঠিক করা হবে।

কারাসূত্রে জানা গেছে, খালেদা জিয়ার ব্যবহার্য জিনিসপত্র ইতিমধ্যে কারাগার থেকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। হাসপাতালের একটি সূত্র জানায়, খালেদার জন্য ৬২১-৬২২ নম্বর কেবিন বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

এর আগে গত মাসের শুরুর দিকেও খালেদা জিয়াকে একবার বিএসএমএমইউতে নেয়ার কথা ছিল। তখন হাসপাতালের কেবিনও ঠিক করা হয়েছিল। হাসপাতাল ঘিরে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত খালেদা জিয়া রাজি না হওয়ায় তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়নি।

প্রসঙ্গত দুর্নীতির দুই মামলায় ১৭ বছর দণ্ডিত হয়ে গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। কারাবন্দি খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ বলে বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে। তারা খালেদা জিয়াকে বিএসএমএমইউয়ে চিকিৎসা দেয়ার বিষয়ে আগ্রহী নয়। বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসার দাবি জানিয়ে আসছে বিএনপি। তবে সরকার ও ক্ষমতাসীন দল তাকে বিএসএমএমইউতে চিকিৎসা দেয়ার বিষয়ে বারবার বলে আসছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

বিএসএমএমইউতে খালেদা জিয়া

আপডেট সময় : ০২:৪০:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০১৯

চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) নেয়া হয়েছে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে। সোমবার বেলা ১২টা ৩৬ মিনিটে খালেদা জিয়াকে বহনকারী গাড়িবহর বিএসএমএমইউর মূলফটক দিয়ে প্রবেশ করে। এর পর তাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কেবিন ব্লকে নিয়ে যাওয়া হয়। বিএসএমএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সোমবার বেলা ১২টা ২০ মিনিটে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে খালেদা জিয়াকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স বিএসএমএমইউর পথে রওনা হয়। ১৬ মিনিটেই অ্যাম্বুলেন্স ও সঙ্গে থাকা গাড়িবহর হাসপাতালে পৌঁছে যায়। গাড়িবহরে ছিল পুলিশ, র্যাব, ফায়ার সার্ভিস ও কারাকর্তৃপক্ষের কয়েকটি গাড়ি।

হাসপাতালে খালেদা জিয়ার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে প্রয়োজনে তাকে সেখানে ভর্তিও করা হতে পারে। কারাগার ও হাসপাতালসূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেয়ার পথে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। সড়কে বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। হাসপাতালের সামনেও বাড়তি নিরাপত্তা লক্ষ্য করা গেছে।

বিএসএমএমইউতে চিকিৎসা নিতে সম্মতির কথা আজ সকালে কারাকর্তৃপক্ষকে জানান খালেদা জিয়া। সকালে কারাকর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, আজ যেকোনো সময় তাকে কারাগার থেকে হাসপাতালে নেয়া হতে পারে।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহবুবুল ইসলাম সকালে জানিয়েছিলেন, খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা নিতে রাজি হয়েছেন। আমাদের সব কিছুই প্রস্তুত আছে। কিছুক্ষণের মধ্যে তিনি রওনা হবেন।

জেলার মাহবুবুল ইসলাম আরও বলেন, আমরা তাকে আজ বিএসএমএমইউয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। উনাকে কারা অধিদফতরের এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। বিএসএমএমইউ নেয়ার পর চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে ভর্তির বিষয়টি ঠিক করা হবে।

কারাসূত্রে জানা গেছে, খালেদা জিয়ার ব্যবহার্য জিনিসপত্র ইতিমধ্যে কারাগার থেকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। হাসপাতালের একটি সূত্র জানায়, খালেদার জন্য ৬২১-৬২২ নম্বর কেবিন বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

এর আগে গত মাসের শুরুর দিকেও খালেদা জিয়াকে একবার বিএসএমএমইউতে নেয়ার কথা ছিল। তখন হাসপাতালের কেবিনও ঠিক করা হয়েছিল। হাসপাতাল ঘিরে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত খালেদা জিয়া রাজি না হওয়ায় তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়নি।

প্রসঙ্গত দুর্নীতির দুই মামলায় ১৭ বছর দণ্ডিত হয়ে গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। কারাবন্দি খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ বলে বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে। তারা খালেদা জিয়াকে বিএসএমএমইউয়ে চিকিৎসা দেয়ার বিষয়ে আগ্রহী নয়। বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসার দাবি জানিয়ে আসছে বিএনপি। তবে সরকার ও ক্ষমতাসীন দল তাকে বিএসএমএমইউতে চিকিৎসা দেয়ার বিষয়ে বারবার বলে আসছে।