নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা—জাসাস-এর কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব জাকির হোসেন রোকন হয়েছেন এক অনন্য প্রতীক, সাহস ও সংগঠনের শক্ত ভিত্তি নির্মাণের এক নির্ভরযোগ্য নাম। দীর্ঘ স্বৈরাচারী শাসক শেখ হাসিনার দমন-পীড়নের শাসনামলেও তিনি সংগঠনের হাল ধরে রেখেছেন অবিচলভাবে।
টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া, রূপসা থেকে পাথুরিয়া—বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে জাসাসের সাংগঠনিক কাঠামোকে দৃঢ় ও গতিশীল করে গড়ে তুলেছেন রোকন। শুধু সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডেই নয়, রাজপথেও তার সাহসী অবস্থান ছিল লক্ষণীয়। শেখ হাসিনার রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে জাকির হোসেন রোকন বারবার রাজপথে নেমেছেন, গণতন্ত্রের জন্য লড়েছেন এবং সংগঠনের প্রত্যেক নেতাকর্মীর পাশে থেকে অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে উঠেছেন।
স্বৈরাচারী শাসনের সময় তাকে একাধিক মিথ্যা মামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে। শিকার হতে হয়েছেন বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন, হামলা মামলা ও জুলুমের। তবুও কখনো দলীয় ও সাংগঠনিক আদর্শ হাইট পিছু হটেননি তিনি। বরং সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দেশের প্রতিটি প্রান্তে দক্ষ, সৎ ও ত্যাগী নেতৃত্বকে বেছে নিয়ে নতুন কমিটি গঠন করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি শুধু জাসাসকেই নয়, বিএনপিকেও তৃণমূল পর্যায়ে সুসংগঠিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী সরকারের শেষ সময়ে পুলিশ হত্যার মত মিথ্যা মামলায়ও তাকে নাজেহাল করা হয়েছে।
রাজনৈতিক অঙ্গনে জাকির হোসেন রোকনের এই নিঃস্বার্থ ভূমিকা প্রমাণ করে, সাহস ও নেতৃত্বের সংমিশ্রণে একজন কর্মীও কেমন করে একটি বিশাল সংগঠনকে যুগোপযোগী ও প্রভাবশালী করে তুলতে পারেন।
আজ দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে গণতন্ত্রের চেতনাকে নতুনভাবে জাগিয়ে তুলতে যাঁরা অঙ্গীকারবদ্ধ, তাঁদের কাছে জাকির হোসেন রোকন এক আদর্শ নাম। নতুন প্রজন্মের কাছে তিনি শুধুই একজন সংগঠক নন, বরং তিনি গণতন্ত্রের সৈনিক, সাহসের প্রতীক।