ঢাকা ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গণপূর্তের ইএম শাখা সার্কেল ৪: তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তৈমুর আলমের দূর্নীতির কীর্তি! Logo সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন জাহাঙ্গীর শিকদার Logo প্রকল্প বণ্টনে অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগে গণপূর্ত সচিব নজরুলকে নিয়ে বিতর্কের ঝড়! Logo শিক্ষা প্রকৌশলে দুর্নীতির অভিযোগ: কোটি টাকার চুক্তিতে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহজাহান আলী Logo কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগে সীমাহীন ঘুষ–দুর্নীতির অভিযোগ Logo বটিয়াঘাটায় বিএনপি প্রার্থীর উঠান বৈঠক: সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরবিচ্ছিন্ন নিরাপত্তার আশ্বাস Logo গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী কায়সার কবির ও ক্যাশিয়ার এনামুল হকের বিরুদ্ধে কোটি টাকার লুটপাটের অভিযোগ|| পর্ব – Logo বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের অর্থ অপব্যবহার: এশিয়াটিক থ্রি সিক্সটি ইস্যুতে হাইকোর্টে যাচ্ছে আইনজীদের সংগঠন  Logo বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের জ্যেষ্ঠ নেতার পদোন্নতি সহ পিআরএল: রয়েছে শত কোটি টাকার লুটপাটের অভিযোগ! Logo দৈনিক সবুজ বাংলাদেশের সম্পাদক মোহাম্মদ মাসুদ এর জন্মদিন আজ

এবার সিনেমা দেখতে যাচ্ছেন দেশের আলেম-ওলামারা!!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮ ৩১৫ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে নির্মিত ডকুফিল্ম ‘হাসিনা : অ্যা ডটার’স টেল’ দেখতে নীতিমতো ঘোষণা দিয়ে সিনেমা হলে যাচ্ছেন দেশের আলেম সমাজ। আগামী ১৯ নবেম্বর আলেম ওলামা, ইসলামী চিন্তাবিদ ও সাংবাদিকদের নিয়ে বহু আকাক্সিক্ষত এই ফিল্ম দেখতে বসুন্ধরা সিটির ‘স্টার সিনেপ্লেক্সে’ যাবে বাংলাদেশ সম্মিলিত ইসলামী জোট। ব্যক্তিগতভাবে আলেম ওলামাদের অনেকেই সিনেমা হলে গেলেও এভাবে ঘোষণা দিয়ে আলেম ওলামাদের হলে যাওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম।

‘হাসিনা-অ্যা ডটার’স টেল’ ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে আগামী ১৬ নবেম্বর। এমনটাই জানিয়েছেন ছবির নির্মাতা পিপলু খান। ১৬ নবেম্বর থেকে ছবিটি চলবে দেশের চারটি সিনেমা হলে। সেগুলো হলো রাজধানীর স্টার সিনেপ্লেক্স, ব্লকবাস্টার সিনেমাস, মধুমিতা ও চট্টগ্রামের সিলভার স্ক্রিনে। ছবির পরিচালক প্রজোকসহ সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গল্প নয়। এটি বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনার গল্প। এখানে জানা যাবে ব্যক্তি হাসিনার জীবনের অজানা সব কথা ও গল্প। এই সিনেমায় উঠে এসেছে ১৯৭৫ সালে সপরিবারে বাবা-মাকে হারানোর পর নির্বাসিত দুই বোন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার বেঁচে থাকা, টিকে থাকার কাহিনী।

নির্মাতা পিপলু খানের ভাষায়, আর দশটা মানুষের মতো শেখ হাসিনাও দিনশেষে ইজিচেয়ারে বসে ক্লান্তি ভোলার চেষ্টা করেন। আমরা সেই গল্পটা কখনও জানি না। তিনি কখন কি খান, কখন ঘুমান, কখন জেগে উঠেন। আর যখন ঘুম আসে না তখন তিনি কি করেন? এসব গল্পই এই ছবিতে দেখবেন দর্শক।

এদিকে কাক্সিক্ষত এ সিনেমা নিয়ে মঙ্গলবারই রীতিমতো যুগান্তকারী এক ঘোষণা দিয়েছে দেশের আলেম ওলামাদের রাজনৈতিক প্লাটফর্ম বাংলাদেশ সম্মিলিত ইসলামী জোট। হোসেনী দালান রোডের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলীয় কার্যনির্বাহী কমিটির এক সভায় এই ডকুফিল্মটি দেখার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সম্মিলিত ইসলামী জোট। জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১৯ নবেম্বর আলেম ওলামা ও ইসলামী চিন্তাবিদ এবং সাংবাদিকদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে নির্মিত ডকুফিল্মÑ‘হাসিনা : অ্যা ডটারস টেল’ বসুন্ধরা সিটির ‘স্টার সিনেপ্লেক্সে’ দেখবে বাংলাদেশ সম্মিলিত ইসলামী জোট।

বাংলাদেশ সম্মিলিত ইসলামী জোটের সভাপতি হাফেজ মওলানা জিয়াউল হাসান এ ঘোষণা দিয়ে বলেনÑ বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক জীবন সম্পর্কে দেশের মানুষ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার মাধ্যমে দেখে থাকেন। কিন্তু তাঁর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সংগ্রামী জীবন সম্পর্কে দেশবাসী অনেকটাই জানেন না। সাধারণভাবে বঙ্গবন্ধুর কন্যা হিসেবে, একজন জননন্দিত নেত্রী হিসেবে মানুষের মাঝে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আগ্রহ রয়েছে। দেশের ধর্মপ্রাণ জনগণ প্রধানমন্ত্রীর কর্মময় জীবন সম্পর্কে যথেষ্ট ধর্মপরায়ণ হিসেবেই জানেন।

ইসলামী এ নেতা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবনী নিয়ে এই ডকুফিল্মটি দেখার মাধ্যমে দেশবাসী অনেক কিছুই জানতে এবং শিখতে পারবেন। সে লক্ষ্যেই ইসলামী চিন্তাবিদ, আলেম ওলামাদের নিয়ে প্রথমবারের মতো যৌথভাবে ডকুফিল্মটি দেখার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ওপর নির্মিত এই ডকুফিল্মটি দেখার মাধ্যমে আলেম ওলামাসহ ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ তাদের অতীতের চলচ্চিত্র সম্পর্কে ধারণা ভুল ছিল বলে মনে করবে আমি বিশ্বাস করি। ডকুফিল্মটি দেখতে আগ্রহী আলেম ওলামা, ইসলমী চিন্তাবিদগণকে নির্দিষ্ট নম্বরে (০১৭১৬-১৯৫৭৩৩) যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

হাফেজ মওলানা জিয়াউল হাসান জনকণ্ঠকে বলেন, আসলে ব্যক্তিগতভাবে আলেম ওলামাদের অনেকেই হয়তো সিনেমা হলে গিয়ে কোন ভাল সিনেমা দেখে থাকতে পারেন। কিন্তু এভাবে ঘোষণা দিয়ে আলেম ওলামাদের হলে যাওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম। আমরা চাই মানুষ আমাদের সম্পর্কে ভাল জানুক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবনী নিয়ে এই ডকুফিল্মটি দেখার মাধ্যমে দেশবাসী অনেক কিছুই জানতে পারবেন। সে লক্ষ্যেই ইসলামী চিন্তাবিদ, আলেম ওলামাদের নিয়ে প্রথমবারের মতো যৌথভাবে ডকুফিল্মটি দেখার আগ্রহ প্রকাশ করা করেছি আমরা। এর মাধ্যমে আলেম ওলামাসহ ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ তাদের অতীতের চলচ্চিত্র সম্পর্কে ধারণা ভুল ছিল বলে মনে করবে আমি বিশ্বাস করি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

এবার সিনেমা দেখতে যাচ্ছেন দেশের আলেম-ওলামারা!!

আপডেট সময় : ১০:৩৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে নির্মিত ডকুফিল্ম ‘হাসিনা : অ্যা ডটার’স টেল’ দেখতে নীতিমতো ঘোষণা দিয়ে সিনেমা হলে যাচ্ছেন দেশের আলেম সমাজ। আগামী ১৯ নবেম্বর আলেম ওলামা, ইসলামী চিন্তাবিদ ও সাংবাদিকদের নিয়ে বহু আকাক্সিক্ষত এই ফিল্ম দেখতে বসুন্ধরা সিটির ‘স্টার সিনেপ্লেক্সে’ যাবে বাংলাদেশ সম্মিলিত ইসলামী জোট। ব্যক্তিগতভাবে আলেম ওলামাদের অনেকেই সিনেমা হলে গেলেও এভাবে ঘোষণা দিয়ে আলেম ওলামাদের হলে যাওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম।

‘হাসিনা-অ্যা ডটার’স টেল’ ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে আগামী ১৬ নবেম্বর। এমনটাই জানিয়েছেন ছবির নির্মাতা পিপলু খান। ১৬ নবেম্বর থেকে ছবিটি চলবে দেশের চারটি সিনেমা হলে। সেগুলো হলো রাজধানীর স্টার সিনেপ্লেক্স, ব্লকবাস্টার সিনেমাস, মধুমিতা ও চট্টগ্রামের সিলভার স্ক্রিনে। ছবির পরিচালক প্রজোকসহ সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গল্প নয়। এটি বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনার গল্প। এখানে জানা যাবে ব্যক্তি হাসিনার জীবনের অজানা সব কথা ও গল্প। এই সিনেমায় উঠে এসেছে ১৯৭৫ সালে সপরিবারে বাবা-মাকে হারানোর পর নির্বাসিত দুই বোন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার বেঁচে থাকা, টিকে থাকার কাহিনী।

নির্মাতা পিপলু খানের ভাষায়, আর দশটা মানুষের মতো শেখ হাসিনাও দিনশেষে ইজিচেয়ারে বসে ক্লান্তি ভোলার চেষ্টা করেন। আমরা সেই গল্পটা কখনও জানি না। তিনি কখন কি খান, কখন ঘুমান, কখন জেগে উঠেন। আর যখন ঘুম আসে না তখন তিনি কি করেন? এসব গল্পই এই ছবিতে দেখবেন দর্শক।

এদিকে কাক্সিক্ষত এ সিনেমা নিয়ে মঙ্গলবারই রীতিমতো যুগান্তকারী এক ঘোষণা দিয়েছে দেশের আলেম ওলামাদের রাজনৈতিক প্লাটফর্ম বাংলাদেশ সম্মিলিত ইসলামী জোট। হোসেনী দালান রোডের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলীয় কার্যনির্বাহী কমিটির এক সভায় এই ডকুফিল্মটি দেখার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সম্মিলিত ইসলামী জোট। জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১৯ নবেম্বর আলেম ওলামা ও ইসলামী চিন্তাবিদ এবং সাংবাদিকদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে নির্মিত ডকুফিল্মÑ‘হাসিনা : অ্যা ডটারস টেল’ বসুন্ধরা সিটির ‘স্টার সিনেপ্লেক্সে’ দেখবে বাংলাদেশ সম্মিলিত ইসলামী জোট।

বাংলাদেশ সম্মিলিত ইসলামী জোটের সভাপতি হাফেজ মওলানা জিয়াউল হাসান এ ঘোষণা দিয়ে বলেনÑ বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক জীবন সম্পর্কে দেশের মানুষ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার মাধ্যমে দেখে থাকেন। কিন্তু তাঁর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সংগ্রামী জীবন সম্পর্কে দেশবাসী অনেকটাই জানেন না। সাধারণভাবে বঙ্গবন্ধুর কন্যা হিসেবে, একজন জননন্দিত নেত্রী হিসেবে মানুষের মাঝে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আগ্রহ রয়েছে। দেশের ধর্মপ্রাণ জনগণ প্রধানমন্ত্রীর কর্মময় জীবন সম্পর্কে যথেষ্ট ধর্মপরায়ণ হিসেবেই জানেন।

ইসলামী এ নেতা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবনী নিয়ে এই ডকুফিল্মটি দেখার মাধ্যমে দেশবাসী অনেক কিছুই জানতে এবং শিখতে পারবেন। সে লক্ষ্যেই ইসলামী চিন্তাবিদ, আলেম ওলামাদের নিয়ে প্রথমবারের মতো যৌথভাবে ডকুফিল্মটি দেখার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ওপর নির্মিত এই ডকুফিল্মটি দেখার মাধ্যমে আলেম ওলামাসহ ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ তাদের অতীতের চলচ্চিত্র সম্পর্কে ধারণা ভুল ছিল বলে মনে করবে আমি বিশ্বাস করি। ডকুফিল্মটি দেখতে আগ্রহী আলেম ওলামা, ইসলমী চিন্তাবিদগণকে নির্দিষ্ট নম্বরে (০১৭১৬-১৯৫৭৩৩) যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

হাফেজ মওলানা জিয়াউল হাসান জনকণ্ঠকে বলেন, আসলে ব্যক্তিগতভাবে আলেম ওলামাদের অনেকেই হয়তো সিনেমা হলে গিয়ে কোন ভাল সিনেমা দেখে থাকতে পারেন। কিন্তু এভাবে ঘোষণা দিয়ে আলেম ওলামাদের হলে যাওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম। আমরা চাই মানুষ আমাদের সম্পর্কে ভাল জানুক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবনী নিয়ে এই ডকুফিল্মটি দেখার মাধ্যমে দেশবাসী অনেক কিছুই জানতে পারবেন। সে লক্ষ্যেই ইসলামী চিন্তাবিদ, আলেম ওলামাদের নিয়ে প্রথমবারের মতো যৌথভাবে ডকুফিল্মটি দেখার আগ্রহ প্রকাশ করা করেছি আমরা। এর মাধ্যমে আলেম ওলামাসহ ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ তাদের অতীতের চলচ্চিত্র সম্পর্কে ধারণা ভুল ছিল বলে মনে করবে আমি বিশ্বাস করি।