ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




পুলিশ কর্মকর্তার ছেলে হাওয়া, প্রতারকের পকেটে ৪৬ লাখ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২০:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মার্চ ২০১৯ ১৪৫ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক;টাকা ছাপানোর মেশিন কিনতে ঋণ করে ৪৬ লাখ টাকা দিলেও মিলেনি সেই মেশিন। ফলে পাওনাদের চাপে এলাকা ছেড়েছেন পুলিশ কর্মকর্তার ছেলে।

এদিকে নিখোঁজ ছেলেকে খুঁজতে যেয়ে প্রকৃত ঘটনা জানতে পারে পুলিশ। এ সময় দুই জনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের দিল্লিতে।

জানা গেছে, ‘এমন মেশিন দেব যা থেকে একদম আসল টাকা বেরোবে’ এমন কথা শোনার পরই টাকা তৈরির মেশিন কিনতে উদগ্রীব হয়ে পড়ে দিল্লির এক পুলিশ কর্মকর্তার ছেলে। এ জন্য বেশ কয়েকজনের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা ধারও করে। কিন্তু টাকার বিনিময়ে যারা মেশিন দেবে বলেছিল শেষ পর্যন্ত জানা যায় তারা আসলে প্রতারক।

ফলে পাওনাদের চাপে গা ঢাকা দেয় পুলিশ কর্মকর্তার ছেলে। ছেলেকে উদ্ধারে শেষ পর্যন্ত তদন্তে নামে পুলিশ। এ সময় দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়। মিলে নিখোঁজ ছেলের সন্ধানও।

এরপরই বেরিয়ে আসে আসল সত্য। ৪৬ লাখ টাকা খোয়ানোর পর পাওনাদারদের হাত থেকে বাঁচতেই গা ঢাকা দিয়েছিল ওই যুবক। এরপরই জালিয়াতির ঘটনায় তদন্তে নামে পুলিশ। গ্রেফতার করে বিমল রাজেশ পাটিল এবং সুরজ কুমারকে। জানা যায়, এ দু’জন এমন একটি দলের সদস্য, যাদের কাজ সাধারণ মানুষকে বোকা বানিয়ে টাকা আত্মসাৎ করা।

‘এমন মেশিন দেব যা থেকে একদম আসল টাকা বেরোবে।’ এ দাবি করে প্রথমে তারা টাকা সংগ্রহ করে। এরপর মেশিন ভেঙে গেছে বা এ ধরনের নানা অজুহাত দিয়েই পালিয়ে যায়। প্রতারক চক্রের বাকিদের ধরতে তল্লাশি চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




পুলিশ কর্মকর্তার ছেলে হাওয়া, প্রতারকের পকেটে ৪৬ লাখ

আপডেট সময় : ০২:২০:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মার্চ ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক;টাকা ছাপানোর মেশিন কিনতে ঋণ করে ৪৬ লাখ টাকা দিলেও মিলেনি সেই মেশিন। ফলে পাওনাদের চাপে এলাকা ছেড়েছেন পুলিশ কর্মকর্তার ছেলে।

এদিকে নিখোঁজ ছেলেকে খুঁজতে যেয়ে প্রকৃত ঘটনা জানতে পারে পুলিশ। এ সময় দুই জনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের দিল্লিতে।

জানা গেছে, ‘এমন মেশিন দেব যা থেকে একদম আসল টাকা বেরোবে’ এমন কথা শোনার পরই টাকা তৈরির মেশিন কিনতে উদগ্রীব হয়ে পড়ে দিল্লির এক পুলিশ কর্মকর্তার ছেলে। এ জন্য বেশ কয়েকজনের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা ধারও করে। কিন্তু টাকার বিনিময়ে যারা মেশিন দেবে বলেছিল শেষ পর্যন্ত জানা যায় তারা আসলে প্রতারক।

ফলে পাওনাদের চাপে গা ঢাকা দেয় পুলিশ কর্মকর্তার ছেলে। ছেলেকে উদ্ধারে শেষ পর্যন্ত তদন্তে নামে পুলিশ। এ সময় দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়। মিলে নিখোঁজ ছেলের সন্ধানও।

এরপরই বেরিয়ে আসে আসল সত্য। ৪৬ লাখ টাকা খোয়ানোর পর পাওনাদারদের হাত থেকে বাঁচতেই গা ঢাকা দিয়েছিল ওই যুবক। এরপরই জালিয়াতির ঘটনায় তদন্তে নামে পুলিশ। গ্রেফতার করে বিমল রাজেশ পাটিল এবং সুরজ কুমারকে। জানা যায়, এ দু’জন এমন একটি দলের সদস্য, যাদের কাজ সাধারণ মানুষকে বোকা বানিয়ে টাকা আত্মসাৎ করা।

‘এমন মেশিন দেব যা থেকে একদম আসল টাকা বেরোবে।’ এ দাবি করে প্রথমে তারা টাকা সংগ্রহ করে। এরপর মেশিন ভেঙে গেছে বা এ ধরনের নানা অজুহাত দিয়েই পালিয়ে যায়। প্রতারক চক্রের বাকিদের ধরতে তল্লাশি চলছে।