ঢাকা ০৯:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মঙ্গল শোভাযাত্রা – তাসফিয়া ফারহানা ঐশী Logo সাস্টিয়ান ব্রাহ্মণবাড়িয়া এর ইফতার মাহফিল সম্পন্ন Logo কুবির চট্টগ্রাম স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের ইফতার ও পূর্নমিলনী Logo অধ্যাপক জহীর উদ্দিন আহমেদের মায়ের মৃত্যুতে শাবির মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মুক্ত চিন্তা চর্চায় ঐক্যবদ্ধ শিক্ষকবৃন্দ পরিষদের শোক প্রকাশ Logo শাবির অধ্যাপক জহীর উদ্দিনের মায়ের মৃত্যুতে উপাচার্যের শোক প্রকাশ Logo বিশ কোটিতে গণপূর্তের প্রধান হওয়ার মিশনে ‘ছাত্রদল ক্যাডার প্রকৌশলী’! Logo দূর্নীতির রাক্ষস ফায়ার সার্ভিসের এডি আনোয়ার! Logo ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতি হওয়া শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অবকাঠামোর সংস্কার শুরু Logo বুয়েটে নিয়মতান্ত্রিক ছাত্র রাজনীতির দাবিতে শাবিপ্রবি ছাত্রলীগের মানববন্ধন Logo কুবি উপাচার্যের বক্তব্যের প্রমাণ দিতে শিক্ষক সমিতির সাত দিনের আল্টিমেটাম




দুই ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তার কান্ড: চাঁদা তুলে বিজয় দিবসে নাচগান ও ভুড়িভোজ!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৩ ২৬৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব সংবাদদাতা:

চাঁদা তুলে নাচগান ও ভুরিভোজ করেছে ফায়ার সার্ভিসের দুই কর্মকর্তা। তাদের কাণ্ডজ্ঞান থেকে বিস্মিত অনেকেই। ডিডি আখতারুজ্জামান (পরিকল্পনা) ও ডিএডি আব্দুল্লাহ আল আরেফিনের নেতৃত্বে গাজীপুরের অসংখ্য কল কারখানা ও বহুতল ভবন হতে চাঁদা আদায় করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নাচ-গান ও ভুরিভোজ আয়োজন করার অভিযোগ উঠেছে। অথচ চাঁদা তুলে মোটা অংকের অর্থ খরচ করে এমন অনাড়ম্বর অনুষ্ঠান আয়োজন ও ভুরিভোজ সম্পর্কে কিছুই জানেননা ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তর।

সুত্র জানায়, ডিডি আখতারুজ্জামানের আশ্রয় প্রশ্রয় এমন কাণ্ড হয়েছে। দূনীর্তি করে টাকা কামানোর জন্যই এমন ছলচাতুরীর আশ্রয় নিয়েছে তারা। ফায়ার সার্ভিস ও ডিফেন্স অধিদপ্তরের বেশীর ভাগ মানষই অত্যন্ত সততার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করে। জীবনের ঝুকি নিয়ে আগুন নিভানোর কাজ করে ফায়ার ফাইটাররা। সেখানে কিছু কিছু কর্মকর্তারা নিজেদের আখের গুছাতে ব্যস্ত। নানা অজুহাতে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার ফন্দি ফিকির স্পষ্ট হয় এমন অনরম বড় অনুষ্ঠান আয়োজন করায়। কোথা থেকে আসলো এই অনুষ্ঠানের বাজেট? এমন অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমোদন কে দিল? এসব প্রশ্ন করছে ফায়ার সার্ভিসের অধিকাংশ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মাথায়।

ফায়ার সার্ভিসের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, নিজের জীবনের ঝুকি নিয়ে কাজ করে প্রশংসা কুড়িয়েছে দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে এই ফায়ার ফাইটাররা । অথচ মুষ্টিময় কতিপয় উর্ধ্বতন কর্মকর্তার ধান্দাবাজীর কারনে বদনাম হচ্ছে এই অধিদপ্তরের।

ডিডি আখতারুজ্জামান ও ডিএডি আব্দুল্লাহ আল আরেফিন মিলে দূর্নীতির নতুন সিন্ডিকেট শুরু করেছে বলে ফায়ার সার্ভিসের ভিতরে কথিত আছে।

ডিডি আখতারুজ্জামানের ছত্রছায়ায় ডিএডি আব্দুল্লাহ আল আরেফিনের কিছু দূর্নীতির চিত্র তুলে ধরা হলো:

**ফায়ারম্যান তারিকুল পোস্টিং সারাবো, আইন বহির্ভূত ভাবে ডিএডির সাথে জয়দেবপুর রয়েছেন, তার মাধ্যমে যত অপকর্ম, ও চাদাবাজি এর জন্য গাজীপুরের সমস্ত অফিসার আব্দিল্লাহ আল আরেফিনের উপর নাখোশ। আরেফিন সকল প্রকার অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন ডিডি আখতারুজ্জামানের ছত্রছায়ায়।

** নারায়নগঞ্জ ০৪ বছর ছিলেন যত অপকর্ম এই তারিকুলের মাধ্যমে।

**গাজীপুর সমস্ত প্রতিষ্ঠানে একাই তারিকুলকে নিয়ে মহড়া করেন, এর জন্য সমস্ত অফিসার ক্ষুদ্ব।
**মহড়ার সরকারি বিল একাই আত্মসাৎ করেন ভয়ে কেউ মুখ খুলেনা।

**সকাল নয়টায় গাড়ি নিয়ে বের হয় বিকেল ৬ টায় অফিসে ফেরে তার পর তারিকুলকে নিয়ে ভাগ বাটোয়ারা ও পরের দিনের সিডিউল করেন

**সবাই তাকে দাদা হিসাবে ডাকে। আসলে ওনি নীরব ঘাতক। ১৬ই ডিসেম্বর উপলক্ষে ০৪ লক্ষ টাকা চাঁদা তুলেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হইতে, এই চাঁদার টাকা দিয়ে ভূরিভোজের আয়োজন করেন। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতি ছিলেন ডিডি আক্তারুজ্জামান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ইন্সপেক্টর জানান চাঁদা দিতে দিতে আমরা আর পাড়তেছিনা এই দাদার অত্যাচারে অতিষ্ঠ।

গাজীপুর এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকটি কল কারখানার মালিকরা বলেন, বিভিন্ন দিবসে বিভিন্ন স্তরের মানুষ আমাদের কাছে দাওয়াত কার্ড নিয়ে আসেন। অথবা অনুষ্ঠানের কথা বলে চাঁদা দাবী করে। যদি না দিতে চাই , তাহলে বিভিন্ন ভাবে আমাদেরকে হয়রানী করে। এই কাগজ নাই তো ঐ কাগজ নাই বলে বিভিন্ন অজুহাত তুলে। যার কারনে আমরা চাঁদা দিতে বাধ্য হই। ডিএডি আরেফিন ফায়ারম্যান তরিকুলকে দিয়ে আমাদের কাছে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান করবে বলে চাপ দিয়ে আমাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। আমরা এই অত্যচার থেকে পরিত্রান চাই । এদিকে গত ১৭ ডিসেম্বর রাত ১১ টা পর্যন্ত গাজীপুর ফায়ার স্টেশনে নাচ গানের অনুষ্ঠান চলছিল।

এ বিষয়ে ডিএডি আব্দুল্লাহ আল আরেফিনের মোবাইলে ফোন করে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের সাথে খারাপ আচরন করেন এবং ফোন কেটে দেন।

সূত্রে আরও জানায়, ডিএডি আব্দুল্লাহ আল আরেফিন দূর্নীতির টাকায় রাজধানী মিরপুরে একাধীক ফ্লাট রয়েছে। ছাড়াও অনেকেই জানেন, নারায়নগঞ্জ এ চাকুরী করা কালীন হাবীব সাহেবের স্ত্রীর একটি অনুষ্ঠানে দেড় লক্ষ টাকা দামের শাড়ি উপহার দিয়েছেন। তাহলে কতো টাকার মালিক এই আরেফিন?

এ বিষয় প্রয়োজনীয় তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ফায়ার সার্ভিস ও ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহা পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোঃ মাইন উদ্দিন বিএসপি (বার, এনডিসি , পিএসসি , জিএমফিল) এর নিকট অনুরোধ জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের একাধিক কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ ও কলকারখানার কর্তৃপক্ষ।

নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক একাধিক ফায়ার ফাইটার বলেন, মহা পরিচালক স্যার জোগদান করার পর থেকে স্যার চেষ্টা করে যাচ্ছেন আধুনিক ও উন্নতমানের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর গঠনে। কিন্তু এমন কর্মকান্ডে পুরো ফায়ার সার্ভিসের সুনাম নষ্ট হচ্ছে।

Loading

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




দুই ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তার কান্ড: চাঁদা তুলে বিজয় দিবসে নাচগান ও ভুড়িভোজ!

আপডেট সময় : ০৭:৩১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৩

নিজস্ব সংবাদদাতা:

চাঁদা তুলে নাচগান ও ভুরিভোজ করেছে ফায়ার সার্ভিসের দুই কর্মকর্তা। তাদের কাণ্ডজ্ঞান থেকে বিস্মিত অনেকেই। ডিডি আখতারুজ্জামান (পরিকল্পনা) ও ডিএডি আব্দুল্লাহ আল আরেফিনের নেতৃত্বে গাজীপুরের অসংখ্য কল কারখানা ও বহুতল ভবন হতে চাঁদা আদায় করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নাচ-গান ও ভুরিভোজ আয়োজন করার অভিযোগ উঠেছে। অথচ চাঁদা তুলে মোটা অংকের অর্থ খরচ করে এমন অনাড়ম্বর অনুষ্ঠান আয়োজন ও ভুরিভোজ সম্পর্কে কিছুই জানেননা ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তর।

সুত্র জানায়, ডিডি আখতারুজ্জামানের আশ্রয় প্রশ্রয় এমন কাণ্ড হয়েছে। দূনীর্তি করে টাকা কামানোর জন্যই এমন ছলচাতুরীর আশ্রয় নিয়েছে তারা। ফায়ার সার্ভিস ও ডিফেন্স অধিদপ্তরের বেশীর ভাগ মানষই অত্যন্ত সততার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করে। জীবনের ঝুকি নিয়ে আগুন নিভানোর কাজ করে ফায়ার ফাইটাররা। সেখানে কিছু কিছু কর্মকর্তারা নিজেদের আখের গুছাতে ব্যস্ত। নানা অজুহাতে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার ফন্দি ফিকির স্পষ্ট হয় এমন অনরম বড় অনুষ্ঠান আয়োজন করায়। কোথা থেকে আসলো এই অনুষ্ঠানের বাজেট? এমন অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমোদন কে দিল? এসব প্রশ্ন করছে ফায়ার সার্ভিসের অধিকাংশ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মাথায়।

ফায়ার সার্ভিসের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, নিজের জীবনের ঝুকি নিয়ে কাজ করে প্রশংসা কুড়িয়েছে দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে এই ফায়ার ফাইটাররা । অথচ মুষ্টিময় কতিপয় উর্ধ্বতন কর্মকর্তার ধান্দাবাজীর কারনে বদনাম হচ্ছে এই অধিদপ্তরের।

ডিডি আখতারুজ্জামান ও ডিএডি আব্দুল্লাহ আল আরেফিন মিলে দূর্নীতির নতুন সিন্ডিকেট শুরু করেছে বলে ফায়ার সার্ভিসের ভিতরে কথিত আছে।

ডিডি আখতারুজ্জামানের ছত্রছায়ায় ডিএডি আব্দুল্লাহ আল আরেফিনের কিছু দূর্নীতির চিত্র তুলে ধরা হলো:

**ফায়ারম্যান তারিকুল পোস্টিং সারাবো, আইন বহির্ভূত ভাবে ডিএডির সাথে জয়দেবপুর রয়েছেন, তার মাধ্যমে যত অপকর্ম, ও চাদাবাজি এর জন্য গাজীপুরের সমস্ত অফিসার আব্দিল্লাহ আল আরেফিনের উপর নাখোশ। আরেফিন সকল প্রকার অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন ডিডি আখতারুজ্জামানের ছত্রছায়ায়।

** নারায়নগঞ্জ ০৪ বছর ছিলেন যত অপকর্ম এই তারিকুলের মাধ্যমে।

**গাজীপুর সমস্ত প্রতিষ্ঠানে একাই তারিকুলকে নিয়ে মহড়া করেন, এর জন্য সমস্ত অফিসার ক্ষুদ্ব।
**মহড়ার সরকারি বিল একাই আত্মসাৎ করেন ভয়ে কেউ মুখ খুলেনা।

**সকাল নয়টায় গাড়ি নিয়ে বের হয় বিকেল ৬ টায় অফিসে ফেরে তার পর তারিকুলকে নিয়ে ভাগ বাটোয়ারা ও পরের দিনের সিডিউল করেন

**সবাই তাকে দাদা হিসাবে ডাকে। আসলে ওনি নীরব ঘাতক। ১৬ই ডিসেম্বর উপলক্ষে ০৪ লক্ষ টাকা চাঁদা তুলেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হইতে, এই চাঁদার টাকা দিয়ে ভূরিভোজের আয়োজন করেন। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতি ছিলেন ডিডি আক্তারুজ্জামান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ইন্সপেক্টর জানান চাঁদা দিতে দিতে আমরা আর পাড়তেছিনা এই দাদার অত্যাচারে অতিষ্ঠ।

গাজীপুর এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকটি কল কারখানার মালিকরা বলেন, বিভিন্ন দিবসে বিভিন্ন স্তরের মানুষ আমাদের কাছে দাওয়াত কার্ড নিয়ে আসেন। অথবা অনুষ্ঠানের কথা বলে চাঁদা দাবী করে। যদি না দিতে চাই , তাহলে বিভিন্ন ভাবে আমাদেরকে হয়রানী করে। এই কাগজ নাই তো ঐ কাগজ নাই বলে বিভিন্ন অজুহাত তুলে। যার কারনে আমরা চাঁদা দিতে বাধ্য হই। ডিএডি আরেফিন ফায়ারম্যান তরিকুলকে দিয়ে আমাদের কাছে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান করবে বলে চাপ দিয়ে আমাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। আমরা এই অত্যচার থেকে পরিত্রান চাই । এদিকে গত ১৭ ডিসেম্বর রাত ১১ টা পর্যন্ত গাজীপুর ফায়ার স্টেশনে নাচ গানের অনুষ্ঠান চলছিল।

এ বিষয়ে ডিএডি আব্দুল্লাহ আল আরেফিনের মোবাইলে ফোন করে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের সাথে খারাপ আচরন করেন এবং ফোন কেটে দেন।

সূত্রে আরও জানায়, ডিএডি আব্দুল্লাহ আল আরেফিন দূর্নীতির টাকায় রাজধানী মিরপুরে একাধীক ফ্লাট রয়েছে। ছাড়াও অনেকেই জানেন, নারায়নগঞ্জ এ চাকুরী করা কালীন হাবীব সাহেবের স্ত্রীর একটি অনুষ্ঠানে দেড় লক্ষ টাকা দামের শাড়ি উপহার দিয়েছেন। তাহলে কতো টাকার মালিক এই আরেফিন?

এ বিষয় প্রয়োজনীয় তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ফায়ার সার্ভিস ও ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহা পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোঃ মাইন উদ্দিন বিএসপি (বার, এনডিসি , পিএসসি , জিএমফিল) এর নিকট অনুরোধ জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের একাধিক কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ ও কলকারখানার কর্তৃপক্ষ।

নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক একাধিক ফায়ার ফাইটার বলেন, মহা পরিচালক স্যার জোগদান করার পর থেকে স্যার চেষ্টা করে যাচ্ছেন আধুনিক ও উন্নতমানের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর গঠনে। কিন্তু এমন কর্মকান্ডে পুরো ফায়ার সার্ভিসের সুনাম নষ্ট হচ্ছে।

Loading