ঢাকা ০১:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

চাকুরীচ্যুত প্রকৌশলী নাসির বহাল তবিয়তে পায়রা বন্দরে: গড়েছে অবৈধ সম্পদের পাহাড়! 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৩ ৮৭৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: এক সমুদ্র বন্দর থেকে দুর্নীতির অভিযোগে চাকুরীচ্যুত হওয়ার পরেও অলৌকিকভাবে অন্য সুমুদ্র বন্দরে চাকুরীতে বহাল রয়েছেন পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ নাছির উদ্দিন। দুর্নীতি অনিয়মের মাধ্যমে কোটি কোটি আয় করেছেন তিনি। ফ্লাট প্লট সহ রাজধানীতে গড়েছেন অবৈধ সম্পদের পাহাড়। সীমাহীন দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকে মামলা চলমান থাকলেও তার দুর্নীতির ঘোড়া ছুটে চলছে বীরদর্পে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংশ্লিষ্ট একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, প্রকৌশলী নাছির উদ্দীন প্রথমে চট্টগ্রাম বন্দরে কাজ শুরু করেন। কিছু দিন যেতে না যেতেই তিনি বিভিন্ন অনিয়ম এবং দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পরেন। বিষয়টি বন্দর কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে তার বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতির দায়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে মামলা করেন এবং পরবর্তীতে চাকরিচ্যুত হন তিনি। যে মামলা বর্তমানেও চলমান রয়েছে।

সুত্র আরও জানায়, নাসির উদ্দিন কোটি টাকা ঘুষের বিনিময়ে পায়রা বন্দরে আবারও চাকরি পেয়ে যান। চট্টগ্রাম বন্দরের সবকিছু ভুলে তিনি তার দুর্নীতির ঘোড়াকে ছুটিয়ে চলছেন বর্তমান কর্মস্থলে। আর এসব দুর্নীতি অনিয়মের মাধ্যমে আয় বহির্ভূত সম্পদের পাহাড় গড়েছেন তিনি।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার স্বার্থে জানান, কয়লা ধুইলেও ময়লা যায় না। নাসির উদ্দিন যেখানেই যাবেন সেখানেই তার নিজস্ব দুর্নীতির সিন্ডিকেটে গড়ে তুলবেন। তিনি কিভাবে যে আবারও চাকুরীতে বহাল হলেন সেটা ভেবে পাচ্ছিনা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রকৌশলী নাছির উদ্দীন পায়রা বন্দরে যোগদানের পর চাকরি হারানোর ভয়ে কিছু দিন ভালোই ছিলেন বলেন। পরবর্তীতে আবারও শুরু হয় তার  স্বভাবসুলভ কর্মকান্ড। যা ছাড়িয়ে যান চট্টগ্রাম বন্দরের সকল দুর্নীতির ইতিহাসকেও।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা বলেন, নাসির উদ্দিনের কারণে কাজ করতে পারছি না আমরা। তিনি দুর্নীতির এক গডফাদার। দুর্নীতির মাধ্যমে তিনি যে সম্পদ গড়ে তুলেছে তাই দেশের অনেক মন্ত্রী এমপিদেরও নেই। রাজধানী ঢাকার মহাখালী ডিওএইচএস এলাকায় নাসির উদ্দিনের ৫ কোটি টাকা মূল্যের একটি রাজকীয় ফ্ল্যাট রয়েছে এবং এই সম্পত্তি নিয়ে দুদকের একটি মামলা চলমান রয়েছে।

সূত্র জানায়, প্রকৌশলী নাছির উদ্দীনের স্ত্রী এবং তার পরিবার ও আত্মীয় স্বজনদের নামে বিভিন্ন স্থানে রয়েছে নামে বেনামে কোটি কোটি টাকার সম্পদ। ধানমন্ডি এবং শ্যামলীতে রয়েছে আট তলা বিশিষ্ট ২টি ভবন। দূর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে আয় বহির্ভূত অবৈধ অর্থ মূলত তিনি তার আপন ভায়রার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন। এছাড়াও নিয়োগ বাণিজ্য করে অস্বাভাবিক সম্পদের মালিক হয়েছেন প্রকৌশলী নাছির উদ্দীন। নিজের এলাকা নোয়াখালীতে টাকার বিনিময়ে অনেক লোকের চাকরি দিয়েছেন। এ জন্য জন প্রতি তিনি ১০-১৫ লক্ষ টাকার নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব নিয়োগ বাণিজ্য নোয়াখালী থেকেই শত কোটি টাকার অর্থ উপার্জন করেছেন প্রকৌশলী নাসির উদ্দিন।

চলবে….. আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।

Loading

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

চাকুরীচ্যুত প্রকৌশলী নাসির বহাল তবিয়তে পায়রা বন্দরে: গড়েছে অবৈধ সম্পদের পাহাড়! 

আপডেট সময় : ১১:৫৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: এক সমুদ্র বন্দর থেকে দুর্নীতির অভিযোগে চাকুরীচ্যুত হওয়ার পরেও অলৌকিকভাবে অন্য সুমুদ্র বন্দরে চাকুরীতে বহাল রয়েছেন পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ নাছির উদ্দিন। দুর্নীতি অনিয়মের মাধ্যমে কোটি কোটি আয় করেছেন তিনি। ফ্লাট প্লট সহ রাজধানীতে গড়েছেন অবৈধ সম্পদের পাহাড়। সীমাহীন দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকে মামলা চলমান থাকলেও তার দুর্নীতির ঘোড়া ছুটে চলছে বীরদর্পে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংশ্লিষ্ট একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, প্রকৌশলী নাছির উদ্দীন প্রথমে চট্টগ্রাম বন্দরে কাজ শুরু করেন। কিছু দিন যেতে না যেতেই তিনি বিভিন্ন অনিয়ম এবং দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পরেন। বিষয়টি বন্দর কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে তার বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতির দায়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে মামলা করেন এবং পরবর্তীতে চাকরিচ্যুত হন তিনি। যে মামলা বর্তমানেও চলমান রয়েছে।

সুত্র আরও জানায়, নাসির উদ্দিন কোটি টাকা ঘুষের বিনিময়ে পায়রা বন্দরে আবারও চাকরি পেয়ে যান। চট্টগ্রাম বন্দরের সবকিছু ভুলে তিনি তার দুর্নীতির ঘোড়াকে ছুটিয়ে চলছেন বর্তমান কর্মস্থলে। আর এসব দুর্নীতি অনিয়মের মাধ্যমে আয় বহির্ভূত সম্পদের পাহাড় গড়েছেন তিনি।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার স্বার্থে জানান, কয়লা ধুইলেও ময়লা যায় না। নাসির উদ্দিন যেখানেই যাবেন সেখানেই তার নিজস্ব দুর্নীতির সিন্ডিকেটে গড়ে তুলবেন। তিনি কিভাবে যে আবারও চাকুরীতে বহাল হলেন সেটা ভেবে পাচ্ছিনা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রকৌশলী নাছির উদ্দীন পায়রা বন্দরে যোগদানের পর চাকরি হারানোর ভয়ে কিছু দিন ভালোই ছিলেন বলেন। পরবর্তীতে আবারও শুরু হয় তার  স্বভাবসুলভ কর্মকান্ড। যা ছাড়িয়ে যান চট্টগ্রাম বন্দরের সকল দুর্নীতির ইতিহাসকেও।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা বলেন, নাসির উদ্দিনের কারণে কাজ করতে পারছি না আমরা। তিনি দুর্নীতির এক গডফাদার। দুর্নীতির মাধ্যমে তিনি যে সম্পদ গড়ে তুলেছে তাই দেশের অনেক মন্ত্রী এমপিদেরও নেই। রাজধানী ঢাকার মহাখালী ডিওএইচএস এলাকায় নাসির উদ্দিনের ৫ কোটি টাকা মূল্যের একটি রাজকীয় ফ্ল্যাট রয়েছে এবং এই সম্পত্তি নিয়ে দুদকের একটি মামলা চলমান রয়েছে।

সূত্র জানায়, প্রকৌশলী নাছির উদ্দীনের স্ত্রী এবং তার পরিবার ও আত্মীয় স্বজনদের নামে বিভিন্ন স্থানে রয়েছে নামে বেনামে কোটি কোটি টাকার সম্পদ। ধানমন্ডি এবং শ্যামলীতে রয়েছে আট তলা বিশিষ্ট ২টি ভবন। দূর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে আয় বহির্ভূত অবৈধ অর্থ মূলত তিনি তার আপন ভায়রার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন। এছাড়াও নিয়োগ বাণিজ্য করে অস্বাভাবিক সম্পদের মালিক হয়েছেন প্রকৌশলী নাছির উদ্দীন। নিজের এলাকা নোয়াখালীতে টাকার বিনিময়ে অনেক লোকের চাকরি দিয়েছেন। এ জন্য জন প্রতি তিনি ১০-১৫ লক্ষ টাকার নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব নিয়োগ বাণিজ্য নোয়াখালী থেকেই শত কোটি টাকার অর্থ উপার্জন করেছেন প্রকৌশলী নাসির উদ্দিন।

চলবে….. আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।

Loading