ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১৪ আশ্বিন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo স্বাস্থ্য বাতায়ন নিয়ে কুবি শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পেইন Logo গণপূর্তের দুর্নীতির মহারাজ প্রকৌশলী মহিবুল পর্ব- ১ Logo “দেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে আতাউস সামাদ এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত” Logo হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ Logo ‘ভালো থাকিস সবাই’ স্টোরি দেয়ার পর আত্মহত্যা করেন কুবি শিক্ষার্থী Logo শেয়ার মার্কেট ধ্বংসের ডন কাজী সাইফুর: রয়েছে শত কোটি টাকার অবৈধ রিপ্লেসমেন্ট শেয়ার! Logo ইউজিসির গবেষণা প্রকল্প পেলেন কুবির দুই শিক্ষক Logo রাজউকের নথি গায়েবের মূল হোতা নাসির উদ্দীন স্ট্যান্ড রিলিজ Logo বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের রিপোর্টে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য Logo শাবিপ্রবিতে দায়িত্বপালনকালে প্রক্টরিয়াল বডির দুই সদস্য আহত




ধরা ছোঁয়ার বাইরে তিনি

ঘুষ বাণিজ্যে পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কর্মকর্তার সম্পদের পাহাড়!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৭:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জুন ২০২৩ ২৪৫ বার পড়া হয়েছে

অপরাধ প্রতিবেদক: বরিশাল বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে সদ্য বদলি যাওয়া বিভাগীয় কর্মকর্তা হালিমের ঘুষ কেলেঙ্কারির তথ্য একে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। তিনি একজন মহা ঘুষখোর ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা। বরিশাল বিভাগে দায়িত্বর থাকা কালিন সময়ে, নতুন নতুন ইটভাটার পরিবেশের লাইন্সেন্স দিতে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়েছে। পুরাতন ইটভাটার লাইসেন্স নবায়ন করতেও নিয়েছেন টাকা দু’হাত ভরে। এমনি ইটভাটার নাম পরিবর্তন করতেও নিয়েছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য-উপথ্য ও ভুক্তভোগীদের বক্তব্য সহকারে একটি প্রতিবেদন বেশি পৌঁছেছে সকলের সংবাদের হাতে।

তার জন্মস্থান বাপ দাদার ভিটা গৌরনদী উপজেলায় অনুসন্ধানে জানা যায় নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান হালিমের চাকুরীর বদৌলতে সম্পদে ফুলে চেপে উঠেছেন তার পরিবার। চাকুরী বিডি অনুসারে নিজ জেলায় পোস্টিং নেওয়ার বিধান না থাকলেও তিনি অর্থ ও প্রতিপত্তির বিনিময় সেই কাজটি সাধ্য করেছেন।  নিজ জেলায় পোস্টিং নিয়েছিলেন একাধিক বার বরিশাল। আর একাধিক বার পোস্টিং নিয়েই তিনি ফুলে ফেঁপে হয়েছেন অর্থশালী।

তার নিজ এলাকার সূত্র জানায়, ইদানীং তিনি অর্থ প্রতিপত্তিতে এতটাই ফুলেফে উঠেছেন যে দান খয়রাতও দিচ্ছেন ফেইসবুকে ফলাও করে প্রচারের মাধ্যমে।

নিজের জেলা ও নিজের বিভাগের পরিবেশ অধিদপ্তরের দায়িত্বে থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়ে গড়ে তুলেছেন অঢেল সম্পদ। তিনি ফুলে ফেঁপে হয়েছেন অর্থশালী। করেছেন ঢাকায় একাধিক ফ্লাট, বাড়িতে গড়েছেন বাড়ী।

নিজের নামে হালিম ফেইসবুক না চালিয়েছেন ছদ্মনামে (রানা) নামে ফেইসবুক চালান তিনি।

এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Loading

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




ধরা ছোঁয়ার বাইরে তিনি

ঘুষ বাণিজ্যে পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কর্মকর্তার সম্পদের পাহাড়!

আপডেট সময় : ০৫:০৭:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জুন ২০২৩

অপরাধ প্রতিবেদক: বরিশাল বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে সদ্য বদলি যাওয়া বিভাগীয় কর্মকর্তা হালিমের ঘুষ কেলেঙ্কারির তথ্য একে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। তিনি একজন মহা ঘুষখোর ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা। বরিশাল বিভাগে দায়িত্বর থাকা কালিন সময়ে, নতুন নতুন ইটভাটার পরিবেশের লাইন্সেন্স দিতে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়েছে। পুরাতন ইটভাটার লাইসেন্স নবায়ন করতেও নিয়েছেন টাকা দু’হাত ভরে। এমনি ইটভাটার নাম পরিবর্তন করতেও নিয়েছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য-উপথ্য ও ভুক্তভোগীদের বক্তব্য সহকারে একটি প্রতিবেদন বেশি পৌঁছেছে সকলের সংবাদের হাতে।

তার জন্মস্থান বাপ দাদার ভিটা গৌরনদী উপজেলায় অনুসন্ধানে জানা যায় নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান হালিমের চাকুরীর বদৌলতে সম্পদে ফুলে চেপে উঠেছেন তার পরিবার। চাকুরী বিডি অনুসারে নিজ জেলায় পোস্টিং নেওয়ার বিধান না থাকলেও তিনি অর্থ ও প্রতিপত্তির বিনিময় সেই কাজটি সাধ্য করেছেন।  নিজ জেলায় পোস্টিং নিয়েছিলেন একাধিক বার বরিশাল। আর একাধিক বার পোস্টিং নিয়েই তিনি ফুলে ফেঁপে হয়েছেন অর্থশালী।

তার নিজ এলাকার সূত্র জানায়, ইদানীং তিনি অর্থ প্রতিপত্তিতে এতটাই ফুলেফে উঠেছেন যে দান খয়রাতও দিচ্ছেন ফেইসবুকে ফলাও করে প্রচারের মাধ্যমে।

নিজের জেলা ও নিজের বিভাগের পরিবেশ অধিদপ্তরের দায়িত্বে থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়ে গড়ে তুলেছেন অঢেল সম্পদ। তিনি ফুলে ফেঁপে হয়েছেন অর্থশালী। করেছেন ঢাকায় একাধিক ফ্লাট, বাড়িতে গড়েছেন বাড়ী।

নিজের নামে হালিম ফেইসবুক না চালিয়েছেন ছদ্মনামে (রানা) নামে ফেইসবুক চালান তিনি।

এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Loading