ঢাকা ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




অবৈধ সম্পদের পাহাড়

মাগুরা আঞ্চলিক মসলা গবেষণা কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানের দূর্নীতির লীলাখেলা!

বিশেষ প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৮:২৪:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জুন ২০২৩ ৩৩১ বার পড়া হয়েছে

*মৌসুমী শ্রমিক নিয়োগের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুস গ্রহণ
*ফসল বিক্রির টাকা আত্মসাত:
*ট্রাক্টরের যন্ত্রপাতি বিক্রি
*ঢাকা ও যশোরে আলীশান বাড়ী নির্মাণ!

মাগুরা আঞ্চলিক মসলা গবেষণা কেন্দ্রের উর্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো: মনিরুজ্জামানের দূর্নীতির উপাখ্যান নিয়ে সকালের সংবাদ এক্সক্লুসিভ প্রথম পর্ব….

মাগুরা থেকে ঘুরে বিশেষ প্রতিনিধি: ভৌগোলিক অবস্থানে মাগুরা ২৩ ডিগ্রি ২৯ মিনিট উত্তর অক্ষাংশে এবং ৮৯ ডিগ্রি ২৬ মিনিট পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত । ১১ই জানুয়ারী-/১৯৯৬ সালে ১৫.৯৬ একর জমি নিয়ে খুলনা বিভাগের মধ্যে একমাত্র মাগুরা জেলার বাটিকাডাঙ্গা মৌজায় মসলা গবেষণা উপ-কেন্দ্র,বিএআরআই, মাগুরা অফিসের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে ২৯/০৩/২০০৩ তারিখে উক্ত উপ-কেন্দ্রটি মসলা গবেষণা উপ-কেন্দ্র থেকে আঞ্চলিক মসলা গবেষণা কেন্দ্রে উন্নীত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে স্বল্পতম সময়ের ব্যবধানে প্রয়োজনীয় সরকারী সহযোগিতা নিয়ে অত্র-কেন্দ্রের বিজ্ঞানীদের নিরলশ প্রচেষ্টার ফলে এ পর্যমত্ম বিভিন্ন মসলা ফসলের মোট ১৮ টি রোগ-বালাই প্রতিরোধী উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। পাশাপাশি মসলা জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে৮২ টি উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হয়েছে। বর্তমানে ইহা ছাড়াও ১৫ টি মসলা ফসলের আরও ৩০ টি জাত পর্যায়ক্রমে অবমুক্তায়নের অপেক্ষা আছে। ব্যবহৃত ২৭ প্রকারের মসলার মধ্যে বাংলাদেশে ১৭ টির চাষ হলেও মাত্র ৫/৬ টি যেমন- পিঁয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ, মরিচ ও ধনিয়া প্রধান মসলা হিসাবে আবাদ হয়ে থাকে। বর্তমান প্রায় ৪.০ লক্ষে হেক্টর জমিতে প্রায় ১৪.০৬ লক্ষ মেট্র্কি টন প্রধান প্রধান মসলা ফসল উৎপাদিত হচ্ছে। তাছাড়া এসব প্রধান প্রধান মসলার অভ্যমত্মরীন চাহিদা মেটানোর জন্য আমাদের আরও প্রায় ৪.০ লক্ষ্যে মেট্রিক টন আমদানী করতে হয়। দেশের উৎপাদন ও আমদানী মিলে মাথাপিছু দৈনিক ২৪ গ্রাম মসলার চাহিদা পূরন করা সম্ভব হচ্ছে। দৈনিক প্রয়োজন মিটানোর জন্য মাথাপিছু মসলার চাহিদা ৪৫ গ্রাম। ঐ হিসাবে উল্লিখিত মসলা গুলো গ্রহনের মাত্রে ঘাটতির পরিমান প্রায় শতকারা ৩৬.৮৫ ভাগ। প্রতি বছর প্রধান প্রধান মসলা আমদানী করতে টাকার অংকে প্রায় ৬১৭ কোটি ব্যয় হয়। এ ছাড়া সম্পূর্ন আমদানী নির্ভর মসলা গুলি (দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, জিরা ও গোরমরিচ) আমদানী খাতে ব্যয় হয় প্রায় ১১৫ কোটি টাকা।
দেশবাসীর এই মসলা চাহিদা পুরণ করার জন্য সরকার কৃষি গবেষনা ইনষ্টিটিউটের মাধ্যমে দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় আঞ্চলিক মসলা গবেষনা কেন্দ্র স্থাপন করে গবেষনা কার্যক্রম চারিয়ে যাচ্ছে। মসলা ছাড়াও ডাল নিয়েও গবেষণা করছে প্রতিষ্ঠানটি।
১৯৯৬ সালে মাগুরা উপ আঞ্চলিক মসলা গবেষণা কেন্দ্র যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে ২৯/০৩/২০০৩ তারিখে উক্ত উপ-কেন্দ্রটি মসলা গবেষণা উপ-কেন্দ্র থেকে আঞ্চলিক মসলা গবেষণা কেন্দ্রে উন্নীত হয়। শুরুর পর থেকে কেšদ্রটি ভালই চলছিলো। কিন্তু ২০০৯ সালে উর্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পদে মো: মনিরুজ্জামান যোগদান করার পরই লুটপাটের আখড়ায় পরিণত হয় এই আঞ্চলিক কেন্দ্রটি। তিনি যোগদান করেই শাসক দলের একজন নেতাকে নানা প্রকার উপঢৌকন দিয়ে হস্তগত করেন। পরবর্তীতে তার কিছু লোককে হাত করে শুরু করেন সীমাহীন লুটপাট।
একাধিক সুত্রে জানাগেছে. উর্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো: মনিরুজ্জামান মাগুরা আঞ্চলিক মসলা গবেষণা কেন্দ্রে যোগদান করার পর সমস্ত প্রকার নিয়ম নীতি ভেঙে ২০০৯ সাল থেকে ২০২৩ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তিনি টানা ১৪ বছর কিভাবে একই ষ্টেশনে দায়িত্ব পালন করলেন সেটাই করো বোধগম্য নয়।
আরো জানাগেছে, তিনি এই দীর্ঘ সময়ে মাগুরা আঞ্চলিক মসলা গবেষণা কেন্দ্রে মুখ্য পদে থেকে প্রতিষ্ঠানটি বার্ষিক বাজেটের ও কেনাকাটার টাকা ভুয়া বিল ভাউচারে দুহাতে লুটপাট করেছেন। যে কারণে মাঝে মধ্যেই শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দেয়। তবে তিনি শাসক দলের নেতাদের মাধ্যমে সেসব ঘটনা ধামাচাপা দিতে সক্ষম হন। তার দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে ( ১৪ বছরে) এই প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি ২৫/৩০ কোটি টাকা আত্মসাত করেছেন বলে জানাগেছে। খাতগুলো হলো: মৌসুমী ফসল বিক্রি,বীজ বিক্রি, সার ক্রয় না করেই ক্রয় দেখানো। কীট নাশক ক্রয় না করেই ক্রয় দেখানো। মৌসুমী শ্রমিকদের বেতন না দিয়ে আত্মসাত করা। উতপাদিত ফসল ও ফলাদী বিক্রি করে সিংহ ভাগ টাকা পকেটস্থ করা। মাটি ভরাট না করেই বিল তুলে নেওয়া। সার ও কীটনাশক জমিতে প্রয়োগ না করে বিক্রি করে দেওয়া। ট্রলারের যন্ত্রপাতি বিক্রি করা। এবং প্রায় ২০/৩০ জন মৌসুমী শ্রমিক নিয়োগ ও অস্থায়ীদের চাকুরী স্থায়ী করার জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুস গ্রহন করা ।
এছাড়াও তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। শোনা যায় তিনি মাগুরা আঞ্চলিক মসলা গবেষণা কেন্দ্রের নানা খাতের অর্থ আত্মসাত ও মৌসুমী শ্রমিকদের নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুস নিয়ে সেই টাকায় ঢাকা বিমান বন্দরের আশে পাশে ৬ তলা বাড়ী নির্মাণ করেছেন। যার মুল্য কমপক্ষে ১০ কোটি টাকা। তিনি যশোহর শহরে ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে পজেশন কিনে দোকান দিয়েছেন বলেও শোনা যাচ্ছে। প্রশ্ন হলো এই টাকা তিনি কোথায় পেলেন? সুত্রগুলোর দাবী গত ১৪ বছরের ফাইলপত্র নীরিক্ষা করলেই তার সকল অপকর্মের প্রমান পাওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে তারা দুর্নীতি দমন কমিশনের পদক্ষেপ কামনা করেছে।

এই কর্মকর্তার দুর্নীতি ও নিয়ম ও অনৈতিক সম্পদ অর্জনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাসুদ বারী বলেন, বিষয়টি আপনার কাছে শুনলাম। আমরা শীঘ্রই অনুসন্ধান করব। ঘটনা যদি সত্যি হয় তাহলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে দ্রুত দাপ্তরিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

(চলবে)…….

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




অবৈধ সম্পদের পাহাড়

মাগুরা আঞ্চলিক মসলা গবেষণা কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানের দূর্নীতির লীলাখেলা!

আপডেট সময় : ০৮:২৪:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জুন ২০২৩

*মৌসুমী শ্রমিক নিয়োগের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুস গ্রহণ
*ফসল বিক্রির টাকা আত্মসাত:
*ট্রাক্টরের যন্ত্রপাতি বিক্রি
*ঢাকা ও যশোরে আলীশান বাড়ী নির্মাণ!

মাগুরা আঞ্চলিক মসলা গবেষণা কেন্দ্রের উর্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো: মনিরুজ্জামানের দূর্নীতির উপাখ্যান নিয়ে সকালের সংবাদ এক্সক্লুসিভ প্রথম পর্ব….

মাগুরা থেকে ঘুরে বিশেষ প্রতিনিধি: ভৌগোলিক অবস্থানে মাগুরা ২৩ ডিগ্রি ২৯ মিনিট উত্তর অক্ষাংশে এবং ৮৯ ডিগ্রি ২৬ মিনিট পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত । ১১ই জানুয়ারী-/১৯৯৬ সালে ১৫.৯৬ একর জমি নিয়ে খুলনা বিভাগের মধ্যে একমাত্র মাগুরা জেলার বাটিকাডাঙ্গা মৌজায় মসলা গবেষণা উপ-কেন্দ্র,বিএআরআই, মাগুরা অফিসের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে ২৯/০৩/২০০৩ তারিখে উক্ত উপ-কেন্দ্রটি মসলা গবেষণা উপ-কেন্দ্র থেকে আঞ্চলিক মসলা গবেষণা কেন্দ্রে উন্নীত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে স্বল্পতম সময়ের ব্যবধানে প্রয়োজনীয় সরকারী সহযোগিতা নিয়ে অত্র-কেন্দ্রের বিজ্ঞানীদের নিরলশ প্রচেষ্টার ফলে এ পর্যমত্ম বিভিন্ন মসলা ফসলের মোট ১৮ টি রোগ-বালাই প্রতিরোধী উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। পাশাপাশি মসলা জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে৮২ টি উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হয়েছে। বর্তমানে ইহা ছাড়াও ১৫ টি মসলা ফসলের আরও ৩০ টি জাত পর্যায়ক্রমে অবমুক্তায়নের অপেক্ষা আছে। ব্যবহৃত ২৭ প্রকারের মসলার মধ্যে বাংলাদেশে ১৭ টির চাষ হলেও মাত্র ৫/৬ টি যেমন- পিঁয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ, মরিচ ও ধনিয়া প্রধান মসলা হিসাবে আবাদ হয়ে থাকে। বর্তমান প্রায় ৪.০ লক্ষে হেক্টর জমিতে প্রায় ১৪.০৬ লক্ষ মেট্র্কি টন প্রধান প্রধান মসলা ফসল উৎপাদিত হচ্ছে। তাছাড়া এসব প্রধান প্রধান মসলার অভ্যমত্মরীন চাহিদা মেটানোর জন্য আমাদের আরও প্রায় ৪.০ লক্ষ্যে মেট্রিক টন আমদানী করতে হয়। দেশের উৎপাদন ও আমদানী মিলে মাথাপিছু দৈনিক ২৪ গ্রাম মসলার চাহিদা পূরন করা সম্ভব হচ্ছে। দৈনিক প্রয়োজন মিটানোর জন্য মাথাপিছু মসলার চাহিদা ৪৫ গ্রাম। ঐ হিসাবে উল্লিখিত মসলা গুলো গ্রহনের মাত্রে ঘাটতির পরিমান প্রায় শতকারা ৩৬.৮৫ ভাগ। প্রতি বছর প্রধান প্রধান মসলা আমদানী করতে টাকার অংকে প্রায় ৬১৭ কোটি ব্যয় হয়। এ ছাড়া সম্পূর্ন আমদানী নির্ভর মসলা গুলি (দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, জিরা ও গোরমরিচ) আমদানী খাতে ব্যয় হয় প্রায় ১১৫ কোটি টাকা।
দেশবাসীর এই মসলা চাহিদা পুরণ করার জন্য সরকার কৃষি গবেষনা ইনষ্টিটিউটের মাধ্যমে দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় আঞ্চলিক মসলা গবেষনা কেন্দ্র স্থাপন করে গবেষনা কার্যক্রম চারিয়ে যাচ্ছে। মসলা ছাড়াও ডাল নিয়েও গবেষণা করছে প্রতিষ্ঠানটি।
১৯৯৬ সালে মাগুরা উপ আঞ্চলিক মসলা গবেষণা কেন্দ্র যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে ২৯/০৩/২০০৩ তারিখে উক্ত উপ-কেন্দ্রটি মসলা গবেষণা উপ-কেন্দ্র থেকে আঞ্চলিক মসলা গবেষণা কেন্দ্রে উন্নীত হয়। শুরুর পর থেকে কেšদ্রটি ভালই চলছিলো। কিন্তু ২০০৯ সালে উর্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পদে মো: মনিরুজ্জামান যোগদান করার পরই লুটপাটের আখড়ায় পরিণত হয় এই আঞ্চলিক কেন্দ্রটি। তিনি যোগদান করেই শাসক দলের একজন নেতাকে নানা প্রকার উপঢৌকন দিয়ে হস্তগত করেন। পরবর্তীতে তার কিছু লোককে হাত করে শুরু করেন সীমাহীন লুটপাট।
একাধিক সুত্রে জানাগেছে. উর্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো: মনিরুজ্জামান মাগুরা আঞ্চলিক মসলা গবেষণা কেন্দ্রে যোগদান করার পর সমস্ত প্রকার নিয়ম নীতি ভেঙে ২০০৯ সাল থেকে ২০২৩ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তিনি টানা ১৪ বছর কিভাবে একই ষ্টেশনে দায়িত্ব পালন করলেন সেটাই করো বোধগম্য নয়।
আরো জানাগেছে, তিনি এই দীর্ঘ সময়ে মাগুরা আঞ্চলিক মসলা গবেষণা কেন্দ্রে মুখ্য পদে থেকে প্রতিষ্ঠানটি বার্ষিক বাজেটের ও কেনাকাটার টাকা ভুয়া বিল ভাউচারে দুহাতে লুটপাট করেছেন। যে কারণে মাঝে মধ্যেই শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দেয়। তবে তিনি শাসক দলের নেতাদের মাধ্যমে সেসব ঘটনা ধামাচাপা দিতে সক্ষম হন। তার দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে ( ১৪ বছরে) এই প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি ২৫/৩০ কোটি টাকা আত্মসাত করেছেন বলে জানাগেছে। খাতগুলো হলো: মৌসুমী ফসল বিক্রি,বীজ বিক্রি, সার ক্রয় না করেই ক্রয় দেখানো। কীট নাশক ক্রয় না করেই ক্রয় দেখানো। মৌসুমী শ্রমিকদের বেতন না দিয়ে আত্মসাত করা। উতপাদিত ফসল ও ফলাদী বিক্রি করে সিংহ ভাগ টাকা পকেটস্থ করা। মাটি ভরাট না করেই বিল তুলে নেওয়া। সার ও কীটনাশক জমিতে প্রয়োগ না করে বিক্রি করে দেওয়া। ট্রলারের যন্ত্রপাতি বিক্রি করা। এবং প্রায় ২০/৩০ জন মৌসুমী শ্রমিক নিয়োগ ও অস্থায়ীদের চাকুরী স্থায়ী করার জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুস গ্রহন করা ।
এছাড়াও তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। শোনা যায় তিনি মাগুরা আঞ্চলিক মসলা গবেষণা কেন্দ্রের নানা খাতের অর্থ আত্মসাত ও মৌসুমী শ্রমিকদের নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুস নিয়ে সেই টাকায় ঢাকা বিমান বন্দরের আশে পাশে ৬ তলা বাড়ী নির্মাণ করেছেন। যার মুল্য কমপক্ষে ১০ কোটি টাকা। তিনি যশোহর শহরে ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে পজেশন কিনে দোকান দিয়েছেন বলেও শোনা যাচ্ছে। প্রশ্ন হলো এই টাকা তিনি কোথায় পেলেন? সুত্রগুলোর দাবী গত ১৪ বছরের ফাইলপত্র নীরিক্ষা করলেই তার সকল অপকর্মের প্রমান পাওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে তারা দুর্নীতি দমন কমিশনের পদক্ষেপ কামনা করেছে।

এই কর্মকর্তার দুর্নীতি ও নিয়ম ও অনৈতিক সম্পদ অর্জনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাসুদ বারী বলেন, বিষয়টি আপনার কাছে শুনলাম। আমরা শীঘ্রই অনুসন্ধান করব। ঘটনা যদি সত্যি হয় তাহলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে দ্রুত দাপ্তরিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

(চলবে)…….