ঢাকা ১২:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ১৭ মার্চ ও ২৬ মার্চের আহ্বায়কসহ তিনজনকে প্রত্যাহারের আহ্বান কুবি শিক্ষক সমিতির Logo সিলেটে সাইবার ট্রাইব্যুনালে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের Logo ড. ইউনূসের মামলা পর্যবেক্ষণ করছে জাতিসংঘ Logo কাভার্ডভ্যান ও অটোরিকশার সংঘর্ষে ছাত্র নিহত, আহত ৩ Logo রাজশাহীতে যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৫ Logo এবার ঢাবি অধ্যাপক নাদিরের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ  Logo সন্দ্বীপ থানার ওসির পিপিএম পদক লাভ Logo মালয়েশিয়ায় ১৩৪ বাংলাদেশি গ্রেফতার Logo শাবির ছাত্রীহলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্থাপন, কমবে চুরি ও বহিরাগত প্রবেশ, বাড়বে নিরাপত্তা Logo গণতন্ত্র মঞ্চের কর্মসূচিতে হামলার নিন্দা ১২ দলীয় জোটের




কেরানীগঞ্জে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ, নিপুন রায়সহ আহত ৫০

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৬:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ মে ২০২৩ ১০৭ বার পড়া হয়েছে

কেরানীগঞ্জে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ, নিপুন রায়সহ আহত ৫০

কেরানীগঞ্জের জিনজিরায় ঢাকা জেলা বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতা–কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ শুক্রবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে জিনজিরা বাস রোডে এ ঘটনা ঘটে। এতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুন রায় চৌধুরীসহ দুই পক্ষের অন্তত ৫০ জনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

তাৎক্ষণিকভাবে আহত অন্য নেতা–কর্মীদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। আহত ব্যক্তিরা স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে নিপুন রায়কে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।
দুই পক্ষের নেতা–কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে ও সরেজমিনে দেখা গেছে, আজ বেলা ১১টার দিকে জিনজিরা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে বিএনপির সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। বেলা পৌনে ১১টার দিকে যুবদলের একটি মিছিল জিনজিরা ছাটগাও এলাকা থেকে সমাবেশস্থলের দিকে যাচ্ছিল। মিছিলটি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে এলে দুই পক্ষের নেতা–কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের উত্তেজিত নেতা–কর্মীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ সময় দুই পক্ষের নেতা-কর্মীরা পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে দুই পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হন। এর মধ্যে বিএনপির নেতা–কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ম. ই মামুন অভিযোগ করে বলেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুন রায়ের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় আওয়ামী লীগের ২০ থেকে ২২ জন নেতা–কর্মী আহত হয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




কেরানীগঞ্জে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ, নিপুন রায়সহ আহত ৫০

আপডেট সময় : ০৩:১৬:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ মে ২০২৩

কেরানীগঞ্জে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ, নিপুন রায়সহ আহত ৫০

কেরানীগঞ্জের জিনজিরায় ঢাকা জেলা বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতা–কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ শুক্রবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে জিনজিরা বাস রোডে এ ঘটনা ঘটে। এতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুন রায় চৌধুরীসহ দুই পক্ষের অন্তত ৫০ জনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

তাৎক্ষণিকভাবে আহত অন্য নেতা–কর্মীদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। আহত ব্যক্তিরা স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে নিপুন রায়কে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।
দুই পক্ষের নেতা–কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে ও সরেজমিনে দেখা গেছে, আজ বেলা ১১টার দিকে জিনজিরা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে বিএনপির সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। বেলা পৌনে ১১টার দিকে যুবদলের একটি মিছিল জিনজিরা ছাটগাও এলাকা থেকে সমাবেশস্থলের দিকে যাচ্ছিল। মিছিলটি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে এলে দুই পক্ষের নেতা–কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের উত্তেজিত নেতা–কর্মীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ সময় দুই পক্ষের নেতা-কর্মীরা পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে দুই পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হন। এর মধ্যে বিএনপির নেতা–কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ম. ই মামুন অভিযোগ করে বলেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুন রায়ের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় আওয়ামী লীগের ২০ থেকে ২২ জন নেতা–কর্মী আহত হয়েছেন।