ঢাকা ১২:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ১৭ মার্চ ও ২৬ মার্চের আহ্বায়কসহ তিনজনকে প্রত্যাহারের আহ্বান কুবি শিক্ষক সমিতির Logo সিলেটে সাইবার ট্রাইব্যুনালে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের Logo ড. ইউনূসের মামলা পর্যবেক্ষণ করছে জাতিসংঘ Logo কাভার্ডভ্যান ও অটোরিকশার সংঘর্ষে ছাত্র নিহত, আহত ৩ Logo রাজশাহীতে যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৫ Logo এবার ঢাবি অধ্যাপক নাদিরের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ  Logo সন্দ্বীপ থানার ওসির পিপিএম পদক লাভ Logo মালয়েশিয়ায় ১৩৪ বাংলাদেশি গ্রেফতার Logo শাবির ছাত্রীহলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্থাপন, কমবে চুরি ও বহিরাগত প্রবেশ, বাড়বে নিরাপত্তা Logo গণতন্ত্র মঞ্চের কর্মসূচিতে হামলার নিন্দা ১২ দলীয় জোটের




প্রতিপক্ষের কর্মী হওয়ায়

লালমোহনে সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকে মিথ্যা বিস্ফোরক দ্রব্য মামলায় গ্রেফতারের অভিযোগ 

উপজেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৬:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ মে ২০২৩ ১৪৬ বার পড়া হয়েছে

উপজেলা প্রতিনিধি: লালমোহন উপজেলার সাবেক ছাত্রলীগ ও বর্তমান আওয়ামী লীগ নেতা ফকরুল আলম ফয়সাল কে বিস্ফোরক দ্রব্য মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরন করেছে লালমোহন মডেল থানা পুলিশ।

লালমোহন উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ জানান, ফকরুল আলম ফয়সাল ছাত্রজীবন থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ভাবে জড়িত, ২০০১ সালে তার উপর নির্মম অত্যাচার হয়েছে। ফয়সাল ২০০১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিএনপির দেওয়া রাজনৈতিক মিথ্যা মামলায় কয়েক বার জেল খেটেছে। সে নিঃসন্দেহে দলের একজন নিবেদিত কর্মী। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা ৩ আসনে (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সম্ভাব্য প্রার্থী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, বিবিএস ও নাহী গ্রুপের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আবু নোমান হাওলাদার এর সক্রিয় সমর্থক হওয়া বর্তমান সাংসদ ফয়সাল কে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠিয়েছেন। ইঞ্জিনিয়ার আবু নোমানের সমর্থন করায় এই পর্যন্ত এরকম অর্ধশতাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে আওয়ামী লীগের কয়েকশো নেতাকর্মীকে এলাকা ছাড়া করা হয়েছে।
এ ছাড়াও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মিথ্যা মামলায় ফয়সাল কে ফাঁসানোর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা প্রকাশ করেন।
ফকরুল আলম ফয়সাল এর পরিবার জানান, কিছুদিন আগে এমপি শাওন ফয়সাল কে তার সমর্থন জানানোর প্রস্তাব দেন । ফয়সাল রাজি না হওয়ায় তার ওপর কয়েকবার হামলা করা হয়। ফয়সাল এমপির লোকজনের ভয়ে ঠিক মত বাড়িতে থাকতে পারতো না। শুধুমাত্র ইঞ্জিনিয়ার আবু নোমান এর সমর্থন করায় এমপি শাওনের নির্দেশে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফয়সাল কে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে নির্যাতন চালানো হয়েছে।
এই বিষয় জানতে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমানের মুঠোফোনে একাধীক বার ফোন দিলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




প্রতিপক্ষের কর্মী হওয়ায়

লালমোহনে সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকে মিথ্যা বিস্ফোরক দ্রব্য মামলায় গ্রেফতারের অভিযোগ 

আপডেট সময় : ০৯:৩৬:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ মে ২০২৩

উপজেলা প্রতিনিধি: লালমোহন উপজেলার সাবেক ছাত্রলীগ ও বর্তমান আওয়ামী লীগ নেতা ফকরুল আলম ফয়সাল কে বিস্ফোরক দ্রব্য মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরন করেছে লালমোহন মডেল থানা পুলিশ।

লালমোহন উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ জানান, ফকরুল আলম ফয়সাল ছাত্রজীবন থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ভাবে জড়িত, ২০০১ সালে তার উপর নির্মম অত্যাচার হয়েছে। ফয়সাল ২০০১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিএনপির দেওয়া রাজনৈতিক মিথ্যা মামলায় কয়েক বার জেল খেটেছে। সে নিঃসন্দেহে দলের একজন নিবেদিত কর্মী। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা ৩ আসনে (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সম্ভাব্য প্রার্থী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, বিবিএস ও নাহী গ্রুপের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আবু নোমান হাওলাদার এর সক্রিয় সমর্থক হওয়া বর্তমান সাংসদ ফয়সাল কে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠিয়েছেন। ইঞ্জিনিয়ার আবু নোমানের সমর্থন করায় এই পর্যন্ত এরকম অর্ধশতাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে আওয়ামী লীগের কয়েকশো নেতাকর্মীকে এলাকা ছাড়া করা হয়েছে।
এ ছাড়াও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মিথ্যা মামলায় ফয়সাল কে ফাঁসানোর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা প্রকাশ করেন।
ফকরুল আলম ফয়সাল এর পরিবার জানান, কিছুদিন আগে এমপি শাওন ফয়সাল কে তার সমর্থন জানানোর প্রস্তাব দেন । ফয়সাল রাজি না হওয়ায় তার ওপর কয়েকবার হামলা করা হয়। ফয়সাল এমপির লোকজনের ভয়ে ঠিক মত বাড়িতে থাকতে পারতো না। শুধুমাত্র ইঞ্জিনিয়ার আবু নোমান এর সমর্থন করায় এমপি শাওনের নির্দেশে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফয়সাল কে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে নির্যাতন চালানো হয়েছে।
এই বিষয় জানতে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমানের মুঠোফোনে একাধীক বার ফোন দিলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।