ঢাকা ০৪:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

৭ মার্চের ভাষণ সারা বিশ্বের স্বাধীনতা ও মুক্তিকামী মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার উৎসঃ ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক

প্রতিনিধি, সিলেট
  • আপডেট সময় : ০২:০১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মার্চ ২০২৩ ৫৩০ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের শীর্ষ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক বলেছেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ সারা বিশ্বের স্বাধীনতা ও মুক্তিকামী মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে আছে। বাংলাদেশের পরে যেসকল রাষ্ট্র স্বাধীন হয়েছে বা এখনও স্বাধীনতার জন্য লড়ছে তাঁরা সকলেই এই ভাষণ দ্বারা প্রভাবিত ও উজ্জীবিত। বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ নিয়ে গবেষণা হচ্ছে।

আমাদের মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালেয়র সকল শিক্ষার্থীকে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ পড়তে হয়; বঙ্গবন্ধুর দর্শন জানতে হয়। এটি আমাদের কারিক্যুলামের অন্তর্ভুক্ত।’ মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি আয়োজিত ৭ মার্চ উদযাপন উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ভিসি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক আরও বলেন, ‘পৃথিবীতে অনেক জাতি আছে কিন্তু সবাই স্বাধীন নয়। অনেক জাতির রাষ্ট্র নেই; রাষ্ট্রীয় পরিচয় নেই। সারা বিশ্বে বাঙালিরা বসবাস করলেও বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত একমাত্র রাষ্ট্র বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু সেই অসাধারণ কাজটি করে গিয়েছেন। তাঁর ভাষণে দূরদর্ষী রাস্ট্রনায়কের চিন্তাভাবনা প্রতিফলিত। ৭ মার্চের ভাষণের পরপরই বাঙালি জাতি যার যা কিছু আছে তা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে থাকে। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস মুক্তিযোদ্ধারা এ ভাষণেই উজ্জীবিত ছিলেন।’

 

স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকনোমিকস্ এর ডিন ও ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মো. তাহের বিল্লাল খলিফার সভাপতিত্বে ও ইংরেজি বিভাগের প্রধান ও উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব অনিক বিশ্বাসের সঞ্চালনা অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিভার্সিটির প্রো ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর শিব প্রসাদ সেন ও মূখ্য আলোচক ছিলেন ট্রেজারার প্রফেসর ড. সুরেশ রঞ্জন বসাক।

বক্তব্য রাখেন স্কুল অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির ডিন প্রফেসর ড. মো. নজরুল হক চৌধুরী, স্কুল অব ল’ এর ভারপ্রাপ্ত ডিন শেখ আশরাফুর রহমান, রেজিস্ট্রার তারেক ইসলাম, ডেপুটি রেজিস্ট্রার মিহির কান্তি চৌধুরী, ব্যবসা প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী আমিনুর রহমান রুহিত, প্রমূখ। মূখ্য আলোচক ট্রেজারার প্রফেসর ড. সুরেশ রঞ্জন বসাক বলেন, ‘ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ একটি উত্তর আধুনিক প্রস্তাবনা। যা পৃথিবীর বিখ্যাত অন্য ভাষণের পরিপ্রেক্ষিত থেকে ভিন্ন ছিল। ভাষণটির মধ্যে আবেগ, আকুতি, জাগৃতি সবকিছুই ছিল। সুকৌশলে তিনি স্বাধীনতার ডাক দিয়েছেন এই ভাষণে।’

সকাল সাড়ে নয়টায় প্রফেসর এম. হাবিবুর রহমান হলে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্র কল্যাণ উপদেষ্টা প্রফেসর চৌধুরী মোকাম্মেল ওয়াহিদ, আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক (ইএলটি) ড. রমা ইসলাম, প্রক্টর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন, বিভিন্ন বিভাগের প্রধানবৃন্দ, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। এর আগে সকাল নয়টায় জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়।

জাতীয পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন যথাক্রমে প্রধান অতিথি ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক ও বিশেষ অতিথি প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর শিব প্রসাদ সেন । এর পর ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হকের নেতৃত্বে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এই পর্ব পরিচালনা করেন রোভার স্কাউটসের সদস্যবৃন্দ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

৭ মার্চের ভাষণ সারা বিশ্বের স্বাধীনতা ও মুক্তিকামী মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার উৎসঃ ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক

আপডেট সময় : ০২:০১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মার্চ ২০২৩

বাংলাদেশের শীর্ষ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক বলেছেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ সারা বিশ্বের স্বাধীনতা ও মুক্তিকামী মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে আছে। বাংলাদেশের পরে যেসকল রাষ্ট্র স্বাধীন হয়েছে বা এখনও স্বাধীনতার জন্য লড়ছে তাঁরা সকলেই এই ভাষণ দ্বারা প্রভাবিত ও উজ্জীবিত। বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ নিয়ে গবেষণা হচ্ছে।

আমাদের মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালেয়র সকল শিক্ষার্থীকে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ পড়তে হয়; বঙ্গবন্ধুর দর্শন জানতে হয়। এটি আমাদের কারিক্যুলামের অন্তর্ভুক্ত।’ মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি আয়োজিত ৭ মার্চ উদযাপন উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ভিসি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক আরও বলেন, ‘পৃথিবীতে অনেক জাতি আছে কিন্তু সবাই স্বাধীন নয়। অনেক জাতির রাষ্ট্র নেই; রাষ্ট্রীয় পরিচয় নেই। সারা বিশ্বে বাঙালিরা বসবাস করলেও বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত একমাত্র রাষ্ট্র বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু সেই অসাধারণ কাজটি করে গিয়েছেন। তাঁর ভাষণে দূরদর্ষী রাস্ট্রনায়কের চিন্তাভাবনা প্রতিফলিত। ৭ মার্চের ভাষণের পরপরই বাঙালি জাতি যার যা কিছু আছে তা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে থাকে। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস মুক্তিযোদ্ধারা এ ভাষণেই উজ্জীবিত ছিলেন।’

 

স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকনোমিকস্ এর ডিন ও ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মো. তাহের বিল্লাল খলিফার সভাপতিত্বে ও ইংরেজি বিভাগের প্রধান ও উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব অনিক বিশ্বাসের সঞ্চালনা অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিভার্সিটির প্রো ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর শিব প্রসাদ সেন ও মূখ্য আলোচক ছিলেন ট্রেজারার প্রফেসর ড. সুরেশ রঞ্জন বসাক।

বক্তব্য রাখেন স্কুল অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির ডিন প্রফেসর ড. মো. নজরুল হক চৌধুরী, স্কুল অব ল’ এর ভারপ্রাপ্ত ডিন শেখ আশরাফুর রহমান, রেজিস্ট্রার তারেক ইসলাম, ডেপুটি রেজিস্ট্রার মিহির কান্তি চৌধুরী, ব্যবসা প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী আমিনুর রহমান রুহিত, প্রমূখ। মূখ্য আলোচক ট্রেজারার প্রফেসর ড. সুরেশ রঞ্জন বসাক বলেন, ‘ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ একটি উত্তর আধুনিক প্রস্তাবনা। যা পৃথিবীর বিখ্যাত অন্য ভাষণের পরিপ্রেক্ষিত থেকে ভিন্ন ছিল। ভাষণটির মধ্যে আবেগ, আকুতি, জাগৃতি সবকিছুই ছিল। সুকৌশলে তিনি স্বাধীনতার ডাক দিয়েছেন এই ভাষণে।’

সকাল সাড়ে নয়টায় প্রফেসর এম. হাবিবুর রহমান হলে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্র কল্যাণ উপদেষ্টা প্রফেসর চৌধুরী মোকাম্মেল ওয়াহিদ, আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক (ইএলটি) ড. রমা ইসলাম, প্রক্টর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন, বিভিন্ন বিভাগের প্রধানবৃন্দ, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। এর আগে সকাল নয়টায় জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়।

জাতীয পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন যথাক্রমে প্রধান অতিথি ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক ও বিশেষ অতিথি প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর শিব প্রসাদ সেন । এর পর ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হকের নেতৃত্বে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এই পর্ব পরিচালনা করেন রোভার স্কাউটসের সদস্যবৃন্দ।