ঢাকা ০১:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জিয়া শিশু কিশোর মেলা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা Logo জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নথি জালিয়াতি: ৫ জনকে শোকজ ও মামলা Logo সওজে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আজাদের ‘অদৃশ্য সাম্রাজ্য’ ও অবৈধ সম্পদ: পূর্বাচলে কয়েক কোটি টাকার প্লট Logo শহীদ জিয়ার মাজারে জিয়া শিশু কিশোর মেলার নতুন কমিটির শ্রদ্ধা Logo এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পাশে জিয়া শিশু কিশোর মেলা: বিশুদ্ধ পানি ও স্যালাইন বিতরণ Logo কবি আকাশমণির রোমান্টিক লেখা “ক্লান্তরা সুখ হয়ে ওঠে” Logo লালপুরে দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেফতার Logo মোহনা টিভি দখলের অপচেষ্টা: মিরপুরে উত্তেজনা, থানায় জিডি Logo বন বিভাগে পদোন্নতি জট ও কর্তাদের দুর্নীতির অভিযোগ: আদালতের হস্তক্ষেপে নতুন করে উত্তেজনা Logo জেল থেকে ফিরেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রকৌশলী জুয়েল রানা

ডাকঘরের নিজস্ব ভবন ছাড়াই সেবা পাচ্ছেন গ্রাহকরা

প্রতিনিধি, চাঁদপুর
  • আপডেট সময় : ১১:৫৪:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৩ ৩২৪ বার পড়া হয়েছে

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ৩২টি ডাকঘরে পোস্ট মাস্টার থাকলেও ২৮টি শাখায় নেই কোনো নিজস্ব ভবন। এসব ডাক ঘরের কার্যক্রম চলছে দোকানপাট, সরকারি বিভিন্ন পরিত্যাক্ত কক্ষে, নিজস্ব টাকায় ভাড়া করা ঘরে। তারপরও সেবা দিয়ে যাচ্ছেন কর্মকর্তারা।

হাজীগঞ্জ পোস্ট অফিস কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় বর্তমানে দুই ভাগে ৩২ টি ডাকঘর পরিচালিত হয়ে আসছে। এর মধ্যে ২৮টি ডাকঘরের নির্দিষ্ট কোন কার্যালয় নেই। পোস্ট মাস্টাররা নিজ বাসায়, বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ফেরারী হয়ে, সরকারি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন বছরের পর বছর।

হাজীগঞ্জ শাখার টঙ্গীরপাড়, বলিয়া বাজার, ধড্ডা, পাতানিশ, কালচোঁ, সুহিলপুর, আলীগঞ্জ, উয়ারুক, আহাম্মদপুর, বড়কুল, পালিশারা, কাশিমপুর, সেন্দ্রা, ঘনিয়া, মনতলাসহ প্রায় ২৮ টি ডাক ঘরের নিজস্ব কোন ভবন নেই। শুধুমাত্র গত কয়েক বছরে নোয়াহাটা ও চৌধুরী বাজার পোস্ট অফিসের নিজস্ব ভবণ পেয়েছে।

এ বিষয়ে ৩নং কালচোঁ উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মানিক হোসেন প্রধানীয়া বলেন, ডাকঘরের জন্য স্থায়ী সম্পত্তি না থাকায় ভবন করা যাচ্ছে না। সেবা প্রদানে ডাকঘর পুনরায় সচল করা প্রয়োজন।

হাজীগঞ্জ পোস্ট অফিস প্রধান কামাল হোসেন বলেন, সরকারি নিয়মনুযায়ী যেসব এলাকায় কোন দানশীল ব্যক্তি ৩ শতাংশ জমি স্বেচ্ছায় ডাকঘরের নামে দান করবে, তাহলে সেখানে ভবনের ব্যবস্থা হবে।

হাজীগঞ্জ কার্যালয়ের পোস্ট মাস্টারের সহকারী কর্মকর্তা খোরশেদ আলম বলেন, আমাদের নিজস্ব কার্যালয় নেই, নেই চেয়ার-টেবিল। অন্যের দোকানে রাজস্ব, ডাকটিকিট, খাম বিক্রি করছি।

জেলা পোস্ট অফিস পরিদর্শক কাঞ্চন সাহা বলেন, পোস্ট অফিসের শাখা অফিস গুলোতে কেউ তিন শতাংশ সম্পত্তি অনুদান দিলেই আমরা অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করে থাকি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ডাকঘরের নিজস্ব ভবন ছাড়াই সেবা পাচ্ছেন গ্রাহকরা

আপডেট সময় : ১১:৫৪:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৩

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ৩২টি ডাকঘরে পোস্ট মাস্টার থাকলেও ২৮টি শাখায় নেই কোনো নিজস্ব ভবন। এসব ডাক ঘরের কার্যক্রম চলছে দোকানপাট, সরকারি বিভিন্ন পরিত্যাক্ত কক্ষে, নিজস্ব টাকায় ভাড়া করা ঘরে। তারপরও সেবা দিয়ে যাচ্ছেন কর্মকর্তারা।

হাজীগঞ্জ পোস্ট অফিস কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় বর্তমানে দুই ভাগে ৩২ টি ডাকঘর পরিচালিত হয়ে আসছে। এর মধ্যে ২৮টি ডাকঘরের নির্দিষ্ট কোন কার্যালয় নেই। পোস্ট মাস্টাররা নিজ বাসায়, বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ফেরারী হয়ে, সরকারি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন বছরের পর বছর।

হাজীগঞ্জ শাখার টঙ্গীরপাড়, বলিয়া বাজার, ধড্ডা, পাতানিশ, কালচোঁ, সুহিলপুর, আলীগঞ্জ, উয়ারুক, আহাম্মদপুর, বড়কুল, পালিশারা, কাশিমপুর, সেন্দ্রা, ঘনিয়া, মনতলাসহ প্রায় ২৮ টি ডাক ঘরের নিজস্ব কোন ভবন নেই। শুধুমাত্র গত কয়েক বছরে নোয়াহাটা ও চৌধুরী বাজার পোস্ট অফিসের নিজস্ব ভবণ পেয়েছে।

এ বিষয়ে ৩নং কালচোঁ উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মানিক হোসেন প্রধানীয়া বলেন, ডাকঘরের জন্য স্থায়ী সম্পত্তি না থাকায় ভবন করা যাচ্ছে না। সেবা প্রদানে ডাকঘর পুনরায় সচল করা প্রয়োজন।

হাজীগঞ্জ পোস্ট অফিস প্রধান কামাল হোসেন বলেন, সরকারি নিয়মনুযায়ী যেসব এলাকায় কোন দানশীল ব্যক্তি ৩ শতাংশ জমি স্বেচ্ছায় ডাকঘরের নামে দান করবে, তাহলে সেখানে ভবনের ব্যবস্থা হবে।

হাজীগঞ্জ কার্যালয়ের পোস্ট মাস্টারের সহকারী কর্মকর্তা খোরশেদ আলম বলেন, আমাদের নিজস্ব কার্যালয় নেই, নেই চেয়ার-টেবিল। অন্যের দোকানে রাজস্ব, ডাকটিকিট, খাম বিক্রি করছি।

জেলা পোস্ট অফিস পরিদর্শক কাঞ্চন সাহা বলেন, পোস্ট অফিসের শাখা অফিস গুলোতে কেউ তিন শতাংশ সম্পত্তি অনুদান দিলেই আমরা অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করে থাকি।