ঢাকা ০৯:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ




ডাকঘরের নিজস্ব ভবন ছাড়াই সেবা পাচ্ছেন গ্রাহকরা

প্রতিনিধি, চাঁদপুর
  • আপডেট সময় : ১১:৫৪:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৩ ১২১ বার পড়া হয়েছে

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ৩২টি ডাকঘরে পোস্ট মাস্টার থাকলেও ২৮টি শাখায় নেই কোনো নিজস্ব ভবন। এসব ডাক ঘরের কার্যক্রম চলছে দোকানপাট, সরকারি বিভিন্ন পরিত্যাক্ত কক্ষে, নিজস্ব টাকায় ভাড়া করা ঘরে। তারপরও সেবা দিয়ে যাচ্ছেন কর্মকর্তারা।

হাজীগঞ্জ পোস্ট অফিস কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় বর্তমানে দুই ভাগে ৩২ টি ডাকঘর পরিচালিত হয়ে আসছে। এর মধ্যে ২৮টি ডাকঘরের নির্দিষ্ট কোন কার্যালয় নেই। পোস্ট মাস্টাররা নিজ বাসায়, বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ফেরারী হয়ে, সরকারি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন বছরের পর বছর।

হাজীগঞ্জ শাখার টঙ্গীরপাড়, বলিয়া বাজার, ধড্ডা, পাতানিশ, কালচোঁ, সুহিলপুর, আলীগঞ্জ, উয়ারুক, আহাম্মদপুর, বড়কুল, পালিশারা, কাশিমপুর, সেন্দ্রা, ঘনিয়া, মনতলাসহ প্রায় ২৮ টি ডাক ঘরের নিজস্ব কোন ভবন নেই। শুধুমাত্র গত কয়েক বছরে নোয়াহাটা ও চৌধুরী বাজার পোস্ট অফিসের নিজস্ব ভবণ পেয়েছে।

এ বিষয়ে ৩নং কালচোঁ উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মানিক হোসেন প্রধানীয়া বলেন, ডাকঘরের জন্য স্থায়ী সম্পত্তি না থাকায় ভবন করা যাচ্ছে না। সেবা প্রদানে ডাকঘর পুনরায় সচল করা প্রয়োজন।

হাজীগঞ্জ পোস্ট অফিস প্রধান কামাল হোসেন বলেন, সরকারি নিয়মনুযায়ী যেসব এলাকায় কোন দানশীল ব্যক্তি ৩ শতাংশ জমি স্বেচ্ছায় ডাকঘরের নামে দান করবে, তাহলে সেখানে ভবনের ব্যবস্থা হবে।

হাজীগঞ্জ কার্যালয়ের পোস্ট মাস্টারের সহকারী কর্মকর্তা খোরশেদ আলম বলেন, আমাদের নিজস্ব কার্যালয় নেই, নেই চেয়ার-টেবিল। অন্যের দোকানে রাজস্ব, ডাকটিকিট, খাম বিক্রি করছি।

জেলা পোস্ট অফিস পরিদর্শক কাঞ্চন সাহা বলেন, পোস্ট অফিসের শাখা অফিস গুলোতে কেউ তিন শতাংশ সম্পত্তি অনুদান দিলেই আমরা অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করে থাকি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




ডাকঘরের নিজস্ব ভবন ছাড়াই সেবা পাচ্ছেন গ্রাহকরা

আপডেট সময় : ১১:৫৪:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৩

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ৩২টি ডাকঘরে পোস্ট মাস্টার থাকলেও ২৮টি শাখায় নেই কোনো নিজস্ব ভবন। এসব ডাক ঘরের কার্যক্রম চলছে দোকানপাট, সরকারি বিভিন্ন পরিত্যাক্ত কক্ষে, নিজস্ব টাকায় ভাড়া করা ঘরে। তারপরও সেবা দিয়ে যাচ্ছেন কর্মকর্তারা।

হাজীগঞ্জ পোস্ট অফিস কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় বর্তমানে দুই ভাগে ৩২ টি ডাকঘর পরিচালিত হয়ে আসছে। এর মধ্যে ২৮টি ডাকঘরের নির্দিষ্ট কোন কার্যালয় নেই। পোস্ট মাস্টাররা নিজ বাসায়, বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ফেরারী হয়ে, সরকারি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন বছরের পর বছর।

হাজীগঞ্জ শাখার টঙ্গীরপাড়, বলিয়া বাজার, ধড্ডা, পাতানিশ, কালচোঁ, সুহিলপুর, আলীগঞ্জ, উয়ারুক, আহাম্মদপুর, বড়কুল, পালিশারা, কাশিমপুর, সেন্দ্রা, ঘনিয়া, মনতলাসহ প্রায় ২৮ টি ডাক ঘরের নিজস্ব কোন ভবন নেই। শুধুমাত্র গত কয়েক বছরে নোয়াহাটা ও চৌধুরী বাজার পোস্ট অফিসের নিজস্ব ভবণ পেয়েছে।

এ বিষয়ে ৩নং কালচোঁ উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মানিক হোসেন প্রধানীয়া বলেন, ডাকঘরের জন্য স্থায়ী সম্পত্তি না থাকায় ভবন করা যাচ্ছে না। সেবা প্রদানে ডাকঘর পুনরায় সচল করা প্রয়োজন।

হাজীগঞ্জ পোস্ট অফিস প্রধান কামাল হোসেন বলেন, সরকারি নিয়মনুযায়ী যেসব এলাকায় কোন দানশীল ব্যক্তি ৩ শতাংশ জমি স্বেচ্ছায় ডাকঘরের নামে দান করবে, তাহলে সেখানে ভবনের ব্যবস্থা হবে।

হাজীগঞ্জ কার্যালয়ের পোস্ট মাস্টারের সহকারী কর্মকর্তা খোরশেদ আলম বলেন, আমাদের নিজস্ব কার্যালয় নেই, নেই চেয়ার-টেবিল। অন্যের দোকানে রাজস্ব, ডাকটিকিট, খাম বিক্রি করছি।

জেলা পোস্ট অফিস পরিদর্শক কাঞ্চন সাহা বলেন, পোস্ট অফিসের শাখা অফিস গুলোতে কেউ তিন শতাংশ সম্পত্তি অনুদান দিলেই আমরা অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করে থাকি।