ঢাকা ০৮:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ




জ্ঞান ও শান্তিপূর্ন সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার- প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২২ ৯৮ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ডিজিটাল, জ্ঞানভিত্তিক এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।

 

শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শেখ কামাল জাতীয় জুনিয়র ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের তত্ত্বাবধানে এবং ফেনী জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় ‘মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শেখ কামাল জাতীয় জুনিয়র (অনূর্ধ্ব ১৪ ও অনূর্ধ্ব ১৮) ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২২’ অনুষ্ঠিত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি এ আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে শুভেচ্ছা জানান।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ কামাল ছিলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী তারুণ্যের রোল মডেল ও স্বাধীন বাংলাদেশের ক্রীড়া জগতের এক PM

তিনি একাধারে যেমন ছিলেন দেশের সেরা ক্রীড়া সংগঠক এবং ক্রীড়াবিদ, তেমনি ছাত্র হিসাবেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী। দেশ স্বাধীনের পূর্বেই তিনি আবাহনী সমাজকল্যাণ সংস্থা গঠন করেন। মুক্তিযুদ্ধ থেকে ফিরে এসে আবাহনী ক্রীড়াচক্র প্রতিষ্ঠা করেন। ফুটবলের পাশাপাশি আবাহনী ক্রীড়াচক্রের অধীন তিনি হকি, ক্রিকেট এবং টেবিল টেনিস দলও গঠন করেন। তিনি খেলোয়াড়দেরকে আধুনিক পোশাক এবং ক্রীড়াসামগ্রী সরবরাহ করতেন। খেলাধুলায় উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য স্বাধীন দেশে প্রথম ব্রিটিশ কোচ নিয়োগ করেন। এক পর্যায়ে তিনি আবাহনী ক্রীড়াচক্রের জেলা শাখা প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তিনি খেলোয়াড়দের স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি তাদের জন্য অবসর ভাতা প্রদানেরও উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিকট ১০ লাখ টাকার অনুদান নিয়ে ‘খেলোয়াড় কল্যাণ তহবিল’ গঠন করেন।

 

সরকার প্রধান বলেন, আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর থেকে দেশের প্রায় প্রতিটি জেলা ও বিভাগ পর্যায়ে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত ক্রীড়া অবকাঠামো, ইনডোর ও আউটডোর স্টেডিয়াম তৈরি করেছে। এছাড়া, খেলাধুলার মান উন্নয়নের জন্য প্রতিটি উপজেলায় ‘শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম’ নির্মাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ১২৫টি উপজেলায় স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, বাকি উপজেলাসমূহে নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।

 

শেখ হাসিনা বলেন, যুবসমাজের সুস্থ বিকাশকে সরকার সবসময়ই গুরুত্ব দেয়। খেলাধুলা মেধাবী, সুশৃঙ্খল, সুস্থ, পরিশ্রমী ও আত্মপ্রত্যয়ী প্রজন্ম গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দেশের সকল ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়দের মধ্যে সুদৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলবে যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

প্রধানমন্ত্রী ‘মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শেখ কামাল জাতীয় জুনিয়র (অনূর্ধ্ব ১৪ ও অনূর্ধ্ব ১৮) ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২২’ এর সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




জ্ঞান ও শান্তিপূর্ন সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার- প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:৪৪:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২২

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ডিজিটাল, জ্ঞানভিত্তিক এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।

 

শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শেখ কামাল জাতীয় জুনিয়র ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের তত্ত্বাবধানে এবং ফেনী জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় ‘মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শেখ কামাল জাতীয় জুনিয়র (অনূর্ধ্ব ১৪ ও অনূর্ধ্ব ১৮) ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২২’ অনুষ্ঠিত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি এ আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে শুভেচ্ছা জানান।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ কামাল ছিলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী তারুণ্যের রোল মডেল ও স্বাধীন বাংলাদেশের ক্রীড়া জগতের এক PM

তিনি একাধারে যেমন ছিলেন দেশের সেরা ক্রীড়া সংগঠক এবং ক্রীড়াবিদ, তেমনি ছাত্র হিসাবেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী। দেশ স্বাধীনের পূর্বেই তিনি আবাহনী সমাজকল্যাণ সংস্থা গঠন করেন। মুক্তিযুদ্ধ থেকে ফিরে এসে আবাহনী ক্রীড়াচক্র প্রতিষ্ঠা করেন। ফুটবলের পাশাপাশি আবাহনী ক্রীড়াচক্রের অধীন তিনি হকি, ক্রিকেট এবং টেবিল টেনিস দলও গঠন করেন। তিনি খেলোয়াড়দেরকে আধুনিক পোশাক এবং ক্রীড়াসামগ্রী সরবরাহ করতেন। খেলাধুলায় উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য স্বাধীন দেশে প্রথম ব্রিটিশ কোচ নিয়োগ করেন। এক পর্যায়ে তিনি আবাহনী ক্রীড়াচক্রের জেলা শাখা প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তিনি খেলোয়াড়দের স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি তাদের জন্য অবসর ভাতা প্রদানেরও উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিকট ১০ লাখ টাকার অনুদান নিয়ে ‘খেলোয়াড় কল্যাণ তহবিল’ গঠন করেন।

 

সরকার প্রধান বলেন, আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর থেকে দেশের প্রায় প্রতিটি জেলা ও বিভাগ পর্যায়ে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত ক্রীড়া অবকাঠামো, ইনডোর ও আউটডোর স্টেডিয়াম তৈরি করেছে। এছাড়া, খেলাধুলার মান উন্নয়নের জন্য প্রতিটি উপজেলায় ‘শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম’ নির্মাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ১২৫টি উপজেলায় স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, বাকি উপজেলাসমূহে নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।

 

শেখ হাসিনা বলেন, যুবসমাজের সুস্থ বিকাশকে সরকার সবসময়ই গুরুত্ব দেয়। খেলাধুলা মেধাবী, সুশৃঙ্খল, সুস্থ, পরিশ্রমী ও আত্মপ্রত্যয়ী প্রজন্ম গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দেশের সকল ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়দের মধ্যে সুদৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলবে যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

প্রধানমন্ত্রী ‘মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শেখ কামাল জাতীয় জুনিয়র (অনূর্ধ্ব ১৪ ও অনূর্ধ্ব ১৮) ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২২’ এর সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন।