ঢাকা ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




সারাদেশে জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান হলেন যারা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৬:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর ২০২২ ১০৭ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক:

সোমবার সকাল ৯টায় নির্ধারিত সময়েই ৪৬২টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে একটানা চলে দুপুর ২টা পর্যন্ত।

দেশের তিন পার্বত্য জেলা বাদে ৬১ জেলায় এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছিল ইসি। পরে হাই কোর্টের আদেশে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নোয়াখালীর নির্বাচন স্থগিত হয়ে যায়।

ভোলা ও ফেনীর সকল পদে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে সোমবার ভোট হচ্ছে ৫৭ জেলা পরিষদে।

যে ২৬ জেলায় বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছে সেগুলো হচ্ছে- ফেনী, ভোলা, কুমিল্লা, কুড়িগ্রাম, গোপালগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জামালপুর, ঝালকাঠী, টাঙ্গাইল, ঠাকুরগাঁও, ঢাকা,  নওগাঁ,  নারায়ণগঞ্জ, পাবনা, পিরোজপুর, বরগুনা, বরিশাল, বাগেরহাট, মাদারীপুর, মুন্সীগঞ্জ, মৌলভীবাজার, লক্ষ্মীপুর, লালমনিরহাট, শরীয়তপুর, সিরাজগঞ্জ ও সিলেট জেলা।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত সবাই আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী।

গাইবান্ধা উপ নির্বাচনের মতই সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ঢাকার নির্বাচন ভবনের মনিটরিং সেল থেকে সব জেলার ভোটের পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন কমিশন।

এরই মধ্যে বিভিন্ন জেলা থেকে নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে। বিকালে নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এসব ফলাফল একত্রিত করে পরে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

বেসরকারি ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, অধিকাংশ জেলাতেই আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা চেয়ারম্যান পদে জয় পেয়েছেন।

সাতক্ষীরা: আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম ৬০৮ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী খলিলুল্লাহ ঝড়ু পেয়েছেন ৪৪৭ ভোট।

খুলনা: জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শেখ হারুনুর রশীদ চেয়ারম্যান পদে আবারও জয়লাভ করেছেন। তিনি মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৫৩৬ ভোট।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এম এম মোর্তজা রশিদী দারা ৪০৩ ও ডা. শেখ বাহারুল আলম পেয়েছেন ৩৭ ভোট। নির্বাচনে ৯৭৮ ভোটারের মধ্যে ৯৭৭ জন ভোট প্রদান করেন।

ফরিদপুর: চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহাদাৎ হোসেন। তিনি ৬২৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন। তার নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. ফারুক হোসেন পেয়েছেন ৫৪০ ভোট।

নরসিংদী:স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মনির হোসেন ভূইয়া ৬২২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আব্দুল মতিন ভূঁইয়া পেয়েছেন ৩৫০ ভোট। অপর প্রার্থী সৈয়দ মাহমুদ জাহান লিটু পেয়েছেন ২১ ভোট।

শেরপুর: স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবীর রুমান ৫৪৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চন্দন কুমার পাল পেয়েছেন ১৮৭ ভোট।

নেত্রকোণা: চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের সমর্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধা অসিত কুমার সরকার সজল ৯৩৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির আসমা সুলতানা আশরাফ পেয়েছেন ২১৯ ভোট।

রাজবাড়ী: আওয়ামী লীগের প্রার্থী এ কে এম শফিকুল মোর্শেদ আরুজ ৪২৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী দীপক কুণ্ডু পেয়েছেন ১৩৮ ভোট। আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমামুজ্জামান চৌধুরী পেয়েছেন ২৮ ভোট।

মানিকগঞ্জ: আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মহিউদ্দিন ৪৫২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কে এম ফজলুল হক রিপন পেয়েছেন ৪২৫ ভোট।

যশোর: আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাইফুজ্জামান পিকুল ৯৫৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মারুফ হাসান কাজল ৩৪৪ ভোট পেয়েছেন।

হবিগঞ্জ: চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. মুশফিক হুসেন চৌধুরী ৯৬১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোল্লা আবু নঈম মো. শিবলী খায়ের পেয়েছেন ৭৭ ভোট।

এ ছাড়া অপর প্রার্থী কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ হবিগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নূরুল হক পেয়েছেন ৪৩টি ভোট।

কক্সবাজার: স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সহসভাপতি শাহীনুল হক মার্শাল ৫৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোস্তাক আহমদ চৌধুরী পেয়েছেন ৩৯৫ ভোট।

এ ছাড়া  স্বতন্ত্র প্রার্থী কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আবছার পেয়েছেন ১ ভোট এবং জগদীশ বড়ুয়া পেয়েছেন ৯ ভোট।

চুয়াডাঙ্গা: চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহফুজুর রহমান মনজু ৩১২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আরেফিন আলম রঞ্জু পেয়েছেন ২৪৯ ভোট।

বগুড়া: চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ডা.মকবুল হোসেন ৮৭৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মান্নান আকন্দ পেয়েছেন ৭২১ ভোট।

পঞ্চগড়: চেয়ারম্যান পদে ২৮৩ ভোট পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও পঞ্চগড় চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আব্দুল হান্নান শেখ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আবু তোয়বুর রহমান পেয়েছেন ২৩১ ভোট। অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী দেলদার রহমান পেয়েছেন ৯০ ভোট।

গাজীপুর : চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মোতাহার হোসেন মোল্লা ৩৩০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম মোকছেল আলম ২৯৪ ভোট পেয়েছেন। অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সামসুদ্দিন খন্দকার পেয়েছেন ৩ ভোট।

জয়পুরহাট: আওয়ামী লীগ সমর্থিত অধ্যক্ষ খাজা সামছুল আলম ৩৯১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাসদ সমর্থিত আবুল খায়ের মো. সাখাওয়াত হোসেন ৯৬ ভোট পেয়েছেন।

ঝিনাইদহ: স্বতন্ত্র প্রার্থী হরুন অর রশিদ ৪৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী কনক কান্তি দাস পেয়েছেন ৪৬৩ ভোট।

গাইবান্ধা: আওয়ামী লীগ সমর্থিত আবু বকর সিদ্দিক ৫৮৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির আতাউর রহমান রহমান  পেয়েছেন ৫২৩ ভোট।

মাগুরা: বেসরকারি ফলাফলে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী পঙ্কজ কুমার কুণ্ডু পেয়েছেন ৩৫২ ভোট।  তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীয়াতুল্লাহ হোসেন মিয়া ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ১৩০ ভোট।

নাটোর: চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাজেদুর রহমান খান ৫৪৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে, তার  নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী পেয়েছেন ২৪৭ ভোট।

নীলফামারী: চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মমতাজুল হক ৫৩৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়নাল আবেদীন ৩১৮ ভোট পেয়েছেন।

দিনাজপুর: চেয়ারম্যান পদে জাতীয় পার্টির প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন এক হাজার ১৬২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তৈয়ব উদ্দিন পেয়েছেন ২২৬ ভোট। অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজুল ইমাম চৌধুরী ৮৭ ভোট পেয়েছেন।

ময়মনসিংহ: চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান এক হাজার ২২১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা জাসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম পেয়েছেন ৫৪৫ ভোট|

জেলার মোট ভোটার দুই হাজার ৮৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক হাজার ৫৯৮ এবং নারী ভোটার ৪৯১। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন দুই হাজার ৬৭ জন।

সুনামগঞ্জ: স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি নূরুল হুদা মুকুট ৬১২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী খায়রুল কবীর রোমেন পেয়েছেন ৬০৮ ভোট।

নড়াইল: আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস ২৬০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটু ১৭৮ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মো. সুলতান মাহমুদ বিপ্লব ১১৩ ভোট পেয়েছেন।

চাঁদপুর: বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি ওচমান গনি পাটওয়ারী। তিনি পেয়েছেন ৭৩৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাকির হোসেন প্রধানীয়া পেয়েছেন ৫২২ ভোট।

ওচমান গনি পাটওয়ারী এর আগে জেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।

চট্টগ্রাম: আওয়ামী লীগের প্রার্থী এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম দুই হাজার ৫৬৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান পদে জয়লাভ করেছেন। অপর প্রার্থী নারায়ণ রক্ষিত পেয়েছেন ১২৪ ভোট।

কিশোরগঞ্জ: চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. জিল্লুর রহমান ৯৬১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট মো. আশরাফ উদ্দিন রেনু পেয়েছেন ২৫৮ ভোট।

চেয়ারম্যান পদে পাঁচ প্রার্থীর অন্যদের মধ্যে আশিক জামান এলিন ১৫৯ ভোট, হামিদুল আলম চৌধুরী নিউটন ১৩৬ ভোট ও মো. সেলিম ১৩ ভোট পেয়েছেন।

রংপুর: চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু ৬০১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস আহমেদ ৪৮৪ ভোট পেয়েছেন।

রাজশাহী: চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবার ৫৯৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আখতারুজ্জামান আখতার পেয়েছেন ৫৬৬ ভোট।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




error: Content is protected !!

সারাদেশে জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান হলেন যারা

আপডেট সময় : ০৮:৫৬:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর ২০২২

অনলাইন ডেস্ক:

সোমবার সকাল ৯টায় নির্ধারিত সময়েই ৪৬২টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে একটানা চলে দুপুর ২টা পর্যন্ত।

দেশের তিন পার্বত্য জেলা বাদে ৬১ জেলায় এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছিল ইসি। পরে হাই কোর্টের আদেশে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নোয়াখালীর নির্বাচন স্থগিত হয়ে যায়।

ভোলা ও ফেনীর সকল পদে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে সোমবার ভোট হচ্ছে ৫৭ জেলা পরিষদে।

যে ২৬ জেলায় বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছে সেগুলো হচ্ছে- ফেনী, ভোলা, কুমিল্লা, কুড়িগ্রাম, গোপালগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জামালপুর, ঝালকাঠী, টাঙ্গাইল, ঠাকুরগাঁও, ঢাকা,  নওগাঁ,  নারায়ণগঞ্জ, পাবনা, পিরোজপুর, বরগুনা, বরিশাল, বাগেরহাট, মাদারীপুর, মুন্সীগঞ্জ, মৌলভীবাজার, লক্ষ্মীপুর, লালমনিরহাট, শরীয়তপুর, সিরাজগঞ্জ ও সিলেট জেলা।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত সবাই আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী।

গাইবান্ধা উপ নির্বাচনের মতই সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ঢাকার নির্বাচন ভবনের মনিটরিং সেল থেকে সব জেলার ভোটের পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন কমিশন।

এরই মধ্যে বিভিন্ন জেলা থেকে নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে। বিকালে নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এসব ফলাফল একত্রিত করে পরে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

বেসরকারি ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, অধিকাংশ জেলাতেই আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা চেয়ারম্যান পদে জয় পেয়েছেন।

সাতক্ষীরা: আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম ৬০৮ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী খলিলুল্লাহ ঝড়ু পেয়েছেন ৪৪৭ ভোট।

খুলনা: জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শেখ হারুনুর রশীদ চেয়ারম্যান পদে আবারও জয়লাভ করেছেন। তিনি মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৫৩৬ ভোট।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এম এম মোর্তজা রশিদী দারা ৪০৩ ও ডা. শেখ বাহারুল আলম পেয়েছেন ৩৭ ভোট। নির্বাচনে ৯৭৮ ভোটারের মধ্যে ৯৭৭ জন ভোট প্রদান করেন।

ফরিদপুর: চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহাদাৎ হোসেন। তিনি ৬২৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন। তার নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. ফারুক হোসেন পেয়েছেন ৫৪০ ভোট।

নরসিংদী:স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মনির হোসেন ভূইয়া ৬২২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আব্দুল মতিন ভূঁইয়া পেয়েছেন ৩৫০ ভোট। অপর প্রার্থী সৈয়দ মাহমুদ জাহান লিটু পেয়েছেন ২১ ভোট।

শেরপুর: স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবীর রুমান ৫৪৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চন্দন কুমার পাল পেয়েছেন ১৮৭ ভোট।

নেত্রকোণা: চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের সমর্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধা অসিত কুমার সরকার সজল ৯৩৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির আসমা সুলতানা আশরাফ পেয়েছেন ২১৯ ভোট।

রাজবাড়ী: আওয়ামী লীগের প্রার্থী এ কে এম শফিকুল মোর্শেদ আরুজ ৪২৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী দীপক কুণ্ডু পেয়েছেন ১৩৮ ভোট। আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমামুজ্জামান চৌধুরী পেয়েছেন ২৮ ভোট।

মানিকগঞ্জ: আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মহিউদ্দিন ৪৫২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কে এম ফজলুল হক রিপন পেয়েছেন ৪২৫ ভোট।

যশোর: আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাইফুজ্জামান পিকুল ৯৫৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মারুফ হাসান কাজল ৩৪৪ ভোট পেয়েছেন।

হবিগঞ্জ: চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. মুশফিক হুসেন চৌধুরী ৯৬১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোল্লা আবু নঈম মো. শিবলী খায়ের পেয়েছেন ৭৭ ভোট।

এ ছাড়া অপর প্রার্থী কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ হবিগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নূরুল হক পেয়েছেন ৪৩টি ভোট।

কক্সবাজার: স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সহসভাপতি শাহীনুল হক মার্শাল ৫৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোস্তাক আহমদ চৌধুরী পেয়েছেন ৩৯৫ ভোট।

এ ছাড়া  স্বতন্ত্র প্রার্থী কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আবছার পেয়েছেন ১ ভোট এবং জগদীশ বড়ুয়া পেয়েছেন ৯ ভোট।

চুয়াডাঙ্গা: চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহফুজুর রহমান মনজু ৩১২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আরেফিন আলম রঞ্জু পেয়েছেন ২৪৯ ভোট।

বগুড়া: চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ডা.মকবুল হোসেন ৮৭৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মান্নান আকন্দ পেয়েছেন ৭২১ ভোট।

পঞ্চগড়: চেয়ারম্যান পদে ২৮৩ ভোট পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও পঞ্চগড় চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আব্দুল হান্নান শেখ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আবু তোয়বুর রহমান পেয়েছেন ২৩১ ভোট। অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী দেলদার রহমান পেয়েছেন ৯০ ভোট।

গাজীপুর : চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মোতাহার হোসেন মোল্লা ৩৩০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম মোকছেল আলম ২৯৪ ভোট পেয়েছেন। অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সামসুদ্দিন খন্দকার পেয়েছেন ৩ ভোট।

জয়পুরহাট: আওয়ামী লীগ সমর্থিত অধ্যক্ষ খাজা সামছুল আলম ৩৯১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাসদ সমর্থিত আবুল খায়ের মো. সাখাওয়াত হোসেন ৯৬ ভোট পেয়েছেন।

ঝিনাইদহ: স্বতন্ত্র প্রার্থী হরুন অর রশিদ ৪৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী কনক কান্তি দাস পেয়েছেন ৪৬৩ ভোট।

গাইবান্ধা: আওয়ামী লীগ সমর্থিত আবু বকর সিদ্দিক ৫৮৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির আতাউর রহমান রহমান  পেয়েছেন ৫২৩ ভোট।

মাগুরা: বেসরকারি ফলাফলে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী পঙ্কজ কুমার কুণ্ডু পেয়েছেন ৩৫২ ভোট।  তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীয়াতুল্লাহ হোসেন মিয়া ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ১৩০ ভোট।

নাটোর: চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাজেদুর রহমান খান ৫৪৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে, তার  নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী পেয়েছেন ২৪৭ ভোট।

নীলফামারী: চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মমতাজুল হক ৫৩৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়নাল আবেদীন ৩১৮ ভোট পেয়েছেন।

দিনাজপুর: চেয়ারম্যান পদে জাতীয় পার্টির প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন এক হাজার ১৬২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তৈয়ব উদ্দিন পেয়েছেন ২২৬ ভোট। অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজুল ইমাম চৌধুরী ৮৭ ভোট পেয়েছেন।

ময়মনসিংহ: চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান এক হাজার ২২১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা জাসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম পেয়েছেন ৫৪৫ ভোট|

জেলার মোট ভোটার দুই হাজার ৮৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক হাজার ৫৯৮ এবং নারী ভোটার ৪৯১। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন দুই হাজার ৬৭ জন।

সুনামগঞ্জ: স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি নূরুল হুদা মুকুট ৬১২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী খায়রুল কবীর রোমেন পেয়েছেন ৬০৮ ভোট।

নড়াইল: আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস ২৬০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটু ১৭৮ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মো. সুলতান মাহমুদ বিপ্লব ১১৩ ভোট পেয়েছেন।

চাঁদপুর: বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি ওচমান গনি পাটওয়ারী। তিনি পেয়েছেন ৭৩৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাকির হোসেন প্রধানীয়া পেয়েছেন ৫২২ ভোট।

ওচমান গনি পাটওয়ারী এর আগে জেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।

চট্টগ্রাম: আওয়ামী লীগের প্রার্থী এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম দুই হাজার ৫৬৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান পদে জয়লাভ করেছেন। অপর প্রার্থী নারায়ণ রক্ষিত পেয়েছেন ১২৪ ভোট।

কিশোরগঞ্জ: চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. জিল্লুর রহমান ৯৬১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট মো. আশরাফ উদ্দিন রেনু পেয়েছেন ২৫৮ ভোট।

চেয়ারম্যান পদে পাঁচ প্রার্থীর অন্যদের মধ্যে আশিক জামান এলিন ১৫৯ ভোট, হামিদুল আলম চৌধুরী নিউটন ১৩৬ ভোট ও মো. সেলিম ১৩ ভোট পেয়েছেন।

রংপুর: চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু ৬০১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস আহমেদ ৪৮৪ ভোট পেয়েছেন।

রাজশাহী: চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবার ৫৯৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আখতারুজ্জামান আখতার পেয়েছেন ৫৬৬ ভোট।