ঢাকা ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo শাবিপ্রবিতে ২য় দিনে ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন, উপস্থিতি ৯৪.৩৫ শতাংশ Logo রাজস্ব কর্মকর্তা মতিউরের শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জন ও গোপন রাখার অভিযোগ Logo শাবিতে সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা, উপস্থিতি ৯২ শতাংশ Logo ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় শাবিপ্রবিতে স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্বে থাকবে শাবি ছাত্রলীগ Logo এনবিআর সদস্য ড. মতিউর রহমানের সম্পদের পাহাড় শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য Logo খুলনায় স্ত্রীসহ খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা Logo বঙ্গবন্ধু এক্সপ্রেসওয়েতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৩ Logo পাসপোর্ট করতে আসা লোকজনকে ভেতরে ঢুকতে দেন না দালালরা Logo এনবিআর কর্তা মতিউর রাহমান ও তার পরিবারের সম্পদের পাহাড়! পর্ব- ১ Logo কুবি শিক্ষক সমিতির মৌন মানববন্ধন




ভারতে ধর্মপ্রচারের দায়ে ১৭ বাংলাদেশি আটক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২১:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক: টুরিস্ট ভিসায় ভারতে এসে আসামে ধর্মপ্রচাররের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন ১৭ বাংলাদেশি নাগরিক। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা ভিসার শর্ত লঙ্ঘন করেছেন।

রবিবার আসাম পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজি) ভাস্করজ্যোতি মহন্ত বলেছেন, অনেক সময় বাংলাদেশ থেকে টুরিস্ট ভিসা নিয়ে ভারতে এসে ধর্মের প্রচার করেন প্রচারকরা। অনেকে আবার মৌলবাদেরও প্রচার করেন। এ ধরনের অনেক প্রচারকের আসামে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার আসামের বিশ্বনাথ জেলা থেকে বাঘমারি এলাকা থেকে ১৭ জনকে আটক করা হয়েছে। ভিসার শর্ত ভাঙার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়। এদের মধ্যে আটজন পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। বাকিরা বিচার বিভাগীয় হেফাজতে আছেন।

বাংলাদেশে থেকে এসে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা প্রথমে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে এসেছিলেন বলে জানা গেছে। ১৩ সেপ্টেম্বর ওই ১৭ জন কোচবিহার থেকে বাসে চেপে বিশ্বনাথ জেলায় পৌঁছান। গত শুক্রবার বাঘমারি এলাকায় একটি ধর্মীয় সভার আয়োজন করেন তারা। বিষয়টি জানতে পেরে সক্রিয় হয় পুলিশ। তদন্তে নেমে জানতে পারে, টুরিস্ট ভিসা নিয়ে ভারতে এলেও ওই ১৭ জন বাঘমারিতে বেড়ানোর জন্য আসেননি।

ডিজিপি এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি একবারও বলছি না যে গ্রেফতারকৃতরা মৌলবাদের প্রচার করছিলেন। কিন্তু তারা ধর্মীয় প্রচার করছিলেন, যা টুরিস্ট ভিসার শর্তের বিরোধী। এই মুহূর্তে তাদের ভিসার শর্ত ভাঙার জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য কোনও কারণে নয়।’

তিনি জানান, এই বিষয়ে তদন্ত এখনও চলছে।

ডিজিপি ভাস্করজ্যোতি আরও বলেন, ‘নিম্ন আসাম এবং বরাক উপত্যকায় একটা প্রবণতা দেখা যায় যে, বাংলাদেশ থেকে সেখানে মৌলবীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। এরপর ওই মৌলবীরা টুরিস্ট ভিসায় এ দেশে এসে ধর্ম প্রচার করেন। কেউ কেউ মৌলবাদের প্রচার করেন।’

তবে এই ১৭ জনের ক্ষেত্রে এখনই মৌলবাদ প্রচারের অভিযোগ আনা যাবে না বলে মনে করেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




ভারতে ধর্মপ্রচারের দায়ে ১৭ বাংলাদেশি আটক

আপডেট সময় : ০১:২১:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২

অনলাইন ডেস্ক: টুরিস্ট ভিসায় ভারতে এসে আসামে ধর্মপ্রচাররের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন ১৭ বাংলাদেশি নাগরিক। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা ভিসার শর্ত লঙ্ঘন করেছেন।

রবিবার আসাম পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজি) ভাস্করজ্যোতি মহন্ত বলেছেন, অনেক সময় বাংলাদেশ থেকে টুরিস্ট ভিসা নিয়ে ভারতে এসে ধর্মের প্রচার করেন প্রচারকরা। অনেকে আবার মৌলবাদেরও প্রচার করেন। এ ধরনের অনেক প্রচারকের আসামে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার আসামের বিশ্বনাথ জেলা থেকে বাঘমারি এলাকা থেকে ১৭ জনকে আটক করা হয়েছে। ভিসার শর্ত ভাঙার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়। এদের মধ্যে আটজন পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। বাকিরা বিচার বিভাগীয় হেফাজতে আছেন।

বাংলাদেশে থেকে এসে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা প্রথমে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে এসেছিলেন বলে জানা গেছে। ১৩ সেপ্টেম্বর ওই ১৭ জন কোচবিহার থেকে বাসে চেপে বিশ্বনাথ জেলায় পৌঁছান। গত শুক্রবার বাঘমারি এলাকায় একটি ধর্মীয় সভার আয়োজন করেন তারা। বিষয়টি জানতে পেরে সক্রিয় হয় পুলিশ। তদন্তে নেমে জানতে পারে, টুরিস্ট ভিসা নিয়ে ভারতে এলেও ওই ১৭ জন বাঘমারিতে বেড়ানোর জন্য আসেননি।

ডিজিপি এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি একবারও বলছি না যে গ্রেফতারকৃতরা মৌলবাদের প্রচার করছিলেন। কিন্তু তারা ধর্মীয় প্রচার করছিলেন, যা টুরিস্ট ভিসার শর্তের বিরোধী। এই মুহূর্তে তাদের ভিসার শর্ত ভাঙার জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য কোনও কারণে নয়।’

তিনি জানান, এই বিষয়ে তদন্ত এখনও চলছে।

ডিজিপি ভাস্করজ্যোতি আরও বলেন, ‘নিম্ন আসাম এবং বরাক উপত্যকায় একটা প্রবণতা দেখা যায় যে, বাংলাদেশ থেকে সেখানে মৌলবীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। এরপর ওই মৌলবীরা টুরিস্ট ভিসায় এ দেশে এসে ধর্ম প্রচার করেন। কেউ কেউ মৌলবাদের প্রচার করেন।’

তবে এই ১৭ জনের ক্ষেত্রে এখনই মৌলবাদ প্রচারের অভিযোগ আনা যাবে না বলে মনে করেন তিনি।