ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




বঙ্গোপসাগরে ৪ ট্রলারসহ ১৬ জেলেকে অপহরণ ১৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫২:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মার্চ ২০১৯ ১৮ বার পড়া হয়েছে

পাথরঘাটা (বরগুনা) সংবাদদাতা;
বঙ্গোপসাগর একটি জলদস্যু বাহিনী জেলে বহরের চার ট্রলারসহ ১৬ জেলেকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

রোববার সকাল ৮টার দিকে বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরীরর কাছে ফিরে আসা জেলেরা এ অভিযোগ করেন। এর আগে গত শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রামের জাহাজের খারি নামক স্থানে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জলদস্যু বাহিনীর নাম জানা যায়নি।

এ সময় জলদস্যুরা জেলেদের মারধর করে বরগুনা পাথরঘাটার এফবি মা, ভোলা জেলার এফবি হিমা, চট্টগ্রাম জেলার বাশঁখালীর এফবি কহিনুর ও এফবি জান্নতুল ফেরদৌস ট্রলার নিয়ে যায় তারা।

অপহৃত জেলেরা হলেন, বরগুনা জেলার পাথরঘাটার এফবি মা ট্রলারের আব্দুর রহিম মাঝি, ফারুক, বেল্লাল ও কুডি মিরা এবং ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার এফবি ট্রলারের মো: জাকের মাঝি। অপর ১১ জেলের নাম জানা যায়নি।

এফবি মা ট্রলারের ফিরে আসা জেলে জাহিদ, কালাম সিকদার, রাজু, হাসান, কামালের বরাত দিয়ে বরগুনা জেলার মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, গত শুক্রবার সকালে বঙ্গোপসাগরের জাহাজ খারি এলাকায় জেলেরা জাল ফেলে অপেক্ষা করছিল। এমন সময় সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ ২০ থেকে ২৫ জনের একটি বাহিনী অগ্নেয়াস্ত্র পাইপগান, কাটারাইফেল নিয়ে জেলে বহরের উপরে হামলা করে। পরে বাগেরহাট জেলার মোড়লগঞ্জের মনিরের মালিকানাধীন এফবি মনির ট্রলারে রাত ১২টার দিকে জেলেদের উঠিয়ে দিয়ে মুক্তিপণের দাবিতে মাঝি ও চার ট্রলারসহ ১৬ জেলেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ফিরে আসা জেলেরা রোববার সকাল ৭টার দিকে কক্সবাজারে পৌঁছায়। তারা বর্তমানে কক্সবাজারের ফিসারী ঘাটের মাছুম অড়ৎদারের হেফাজতে আছে। আজ রোববার সকালে মুঠোফোন (০১৮৬৮৭৯২১১৯, ০১৬৯০১২৮৭৫৯) নাম্বার থেকে ১৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে জলদস্যু বাহিনী। তবে বাহিনীর নাম জানাননি তারা।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব-৭) এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মেহেদী মুঠোফোনে জানান, খবর শোনার সাথে সাথে আমাদের দল উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। অপহৃত জেলে ও ট্রলার উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




বঙ্গোপসাগরে ৪ ট্রলারসহ ১৬ জেলেকে অপহরণ ১৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি

আপডেট সময় : ০৪:৫২:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মার্চ ২০১৯

পাথরঘাটা (বরগুনা) সংবাদদাতা;
বঙ্গোপসাগর একটি জলদস্যু বাহিনী জেলে বহরের চার ট্রলারসহ ১৬ জেলেকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

রোববার সকাল ৮টার দিকে বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরীরর কাছে ফিরে আসা জেলেরা এ অভিযোগ করেন। এর আগে গত শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রামের জাহাজের খারি নামক স্থানে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জলদস্যু বাহিনীর নাম জানা যায়নি।

এ সময় জলদস্যুরা জেলেদের মারধর করে বরগুনা পাথরঘাটার এফবি মা, ভোলা জেলার এফবি হিমা, চট্টগ্রাম জেলার বাশঁখালীর এফবি কহিনুর ও এফবি জান্নতুল ফেরদৌস ট্রলার নিয়ে যায় তারা।

অপহৃত জেলেরা হলেন, বরগুনা জেলার পাথরঘাটার এফবি মা ট্রলারের আব্দুর রহিম মাঝি, ফারুক, বেল্লাল ও কুডি মিরা এবং ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার এফবি ট্রলারের মো: জাকের মাঝি। অপর ১১ জেলের নাম জানা যায়নি।

এফবি মা ট্রলারের ফিরে আসা জেলে জাহিদ, কালাম সিকদার, রাজু, হাসান, কামালের বরাত দিয়ে বরগুনা জেলার মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, গত শুক্রবার সকালে বঙ্গোপসাগরের জাহাজ খারি এলাকায় জেলেরা জাল ফেলে অপেক্ষা করছিল। এমন সময় সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ ২০ থেকে ২৫ জনের একটি বাহিনী অগ্নেয়াস্ত্র পাইপগান, কাটারাইফেল নিয়ে জেলে বহরের উপরে হামলা করে। পরে বাগেরহাট জেলার মোড়লগঞ্জের মনিরের মালিকানাধীন এফবি মনির ট্রলারে রাত ১২টার দিকে জেলেদের উঠিয়ে দিয়ে মুক্তিপণের দাবিতে মাঝি ও চার ট্রলারসহ ১৬ জেলেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ফিরে আসা জেলেরা রোববার সকাল ৭টার দিকে কক্সবাজারে পৌঁছায়। তারা বর্তমানে কক্সবাজারের ফিসারী ঘাটের মাছুম অড়ৎদারের হেফাজতে আছে। আজ রোববার সকালে মুঠোফোন (০১৮৬৮৭৯২১১৯, ০১৬৯০১২৮৭৫৯) নাম্বার থেকে ১৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে জলদস্যু বাহিনী। তবে বাহিনীর নাম জানাননি তারা।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব-৭) এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মেহেদী মুঠোফোনে জানান, খবর শোনার সাথে সাথে আমাদের দল উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। অপহৃত জেলে ও ট্রলার উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।