ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এবার গ্র্যামির দৌড়ে ‘ধুরন্ধর ২’ Logo রিকশাচালক থেকে মুচি, ১ নভেম্বর থেকে সবাই বাংলা কিউআর ব্যবহার করতে পারবেন Logo প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত ও গ্রেপ্তার করতে হবে: আখতার হোসেন Logo ৩৪৬ রানে অলআউট বাংলাদেশ Logo ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০ Logo মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: তারেক রহমান Logo মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo যাত্রাবাড়ীতে বাসে তল্লাশি, ৯ হাজার ই’য়া’বা’স’হ গ্রে’প্তা’র ২ Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল 

স্বর্ণেরবার ছিনতাইকারী ৬ পুলিশকে বাঁচাতে এজহার পাল্টে গেল!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২২:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২১ ৩০৭ বার পড়া হয়েছে

রায়হান হোসাইন, বিশেষ প্রতিনিধি:-

চট্টগ্রামের স্বর্ণব্যবসায়ী গোপাল কান্তি দাসের কাছ থেকে ২০টি সোনার বার ছিনতাইয়ের ঘটনায় অভিযুক্ত ফেনী গোয়েন্দা পুলিশের ৬ কর্মকর্তাকে অভিযোগ থেকে রেহাই পাইয়ে দেওয়ার পথ তৈরি করা হচ্ছে— এমন অভিযোগ উঠেছে। এমনকি মামলার এজাহার পরিবর্তন করে ওই পুলিশ কর্মকর্তাদের ‘সুবিধা’ করে দেওয়ারও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত ৮ আগস্ট বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফতেহপুর রেলওয়ে ওভারব্রিজের সামনে ফেনী গোয়েন্দা পুলিশের ৬ কর্মকর্তা চট্টগ্রামের স্বর্ণব্যবসায়ী গোপাল কান্তি দাসের কাছ থেকে ২০টি সোনার বার ছিনতাই করেন। এই ২০টি স্বর্ণের বারের মোট ওজন ২ কেজি ৩৩০ গ্রাম। যার বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ২৭ লাখ ৮৪ হাজার ৬৩৬ টাকা।
অভিযুক্ত এই ছয় পুলিশ সদস্য হলেন— ফেনী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি সাইফুল ইসলাম, এসআই মোতাহার হোসেন, নুরুল হক ও মিজানুর রহমান এবং এএসআই অভিজিৎ বড়ুয়া ও মাসুদ রানা। ঘটনার পর তাদের সবাইকে গ্রেপ্তার করার পর চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ফেনী মডেল থানা পুলিশ ঘটনার পর পরই ছিনতাই হওয়া ২০টি বারের মধ্যে ১৫টি বার উদ্ধার করে ওসি সাইফুল ইসলামের বাসার আলমারি থেকে। ১৭ দিন রিমান্ডে থাকার পরেও কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

গোপাল কান্তি দাস অভিযোগ করেছেন, পুলিশ তার এজাহার পরিবর্তন করে দিয়েছে। তিনি যে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সেটা এজাহার হিসেবে গ্রহণ করা হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। পুলিশ ঘটনার সময় আরও কয়েকটি কাগজে সই নিয়েছিল— এই দাবি করে গোপাল বলেন, ‘সেখানে পুলিশের নিজের লেখা একটি এজাহার ছিল। থানা সেটাই রেকর্ড করেছে। তাতে অনেক তথ্যের গরমিল রয়েছে। অনেক অভিযোগ বাদ দেওয়া হয়েছে। আমি এখন আশঙ্কা করছি মামলাটি দুর্বল করে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের সুবিধা দিতেই অন্য পুলিশ সদস্যরা এই কাজ করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

স্বর্ণেরবার ছিনতাইকারী ৬ পুলিশকে বাঁচাতে এজহার পাল্টে গেল!

আপডেট সময় : ০৭:২২:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২১

রায়হান হোসাইন, বিশেষ প্রতিনিধি:-

চট্টগ্রামের স্বর্ণব্যবসায়ী গোপাল কান্তি দাসের কাছ থেকে ২০টি সোনার বার ছিনতাইয়ের ঘটনায় অভিযুক্ত ফেনী গোয়েন্দা পুলিশের ৬ কর্মকর্তাকে অভিযোগ থেকে রেহাই পাইয়ে দেওয়ার পথ তৈরি করা হচ্ছে— এমন অভিযোগ উঠেছে। এমনকি মামলার এজাহার পরিবর্তন করে ওই পুলিশ কর্মকর্তাদের ‘সুবিধা’ করে দেওয়ারও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত ৮ আগস্ট বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফতেহপুর রেলওয়ে ওভারব্রিজের সামনে ফেনী গোয়েন্দা পুলিশের ৬ কর্মকর্তা চট্টগ্রামের স্বর্ণব্যবসায়ী গোপাল কান্তি দাসের কাছ থেকে ২০টি সোনার বার ছিনতাই করেন। এই ২০টি স্বর্ণের বারের মোট ওজন ২ কেজি ৩৩০ গ্রাম। যার বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ২৭ লাখ ৮৪ হাজার ৬৩৬ টাকা।
অভিযুক্ত এই ছয় পুলিশ সদস্য হলেন— ফেনী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি সাইফুল ইসলাম, এসআই মোতাহার হোসেন, নুরুল হক ও মিজানুর রহমান এবং এএসআই অভিজিৎ বড়ুয়া ও মাসুদ রানা। ঘটনার পর তাদের সবাইকে গ্রেপ্তার করার পর চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ফেনী মডেল থানা পুলিশ ঘটনার পর পরই ছিনতাই হওয়া ২০টি বারের মধ্যে ১৫টি বার উদ্ধার করে ওসি সাইফুল ইসলামের বাসার আলমারি থেকে। ১৭ দিন রিমান্ডে থাকার পরেও কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

গোপাল কান্তি দাস অভিযোগ করেছেন, পুলিশ তার এজাহার পরিবর্তন করে দিয়েছে। তিনি যে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সেটা এজাহার হিসেবে গ্রহণ করা হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। পুলিশ ঘটনার সময় আরও কয়েকটি কাগজে সই নিয়েছিল— এই দাবি করে গোপাল বলেন, ‘সেখানে পুলিশের নিজের লেখা একটি এজাহার ছিল। থানা সেটাই রেকর্ড করেছে। তাতে অনেক তথ্যের গরমিল রয়েছে। অনেক অভিযোগ বাদ দেওয়া হয়েছে। আমি এখন আশঙ্কা করছি মামলাটি দুর্বল করে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের সুবিধা দিতেই অন্য পুলিশ সদস্যরা এই কাজ করেছে।