ঢাকা ০৪:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo স্বল্প বেতনে এলজিইডি গাড়িচালকের সম্পদের অট্টালিকা Logo পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে পরিচালক মীর সাজেদুর রহমানকে ঘিরে প্রশাসনিক অনিয়মের বিতর্ক Logo সাড়ে ৬শ’ কোটি টাকার সেচ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ নিয়েও বহাল পিডি নুরুল ইসলাম Logo দৈনিক ‘প্রতিদিনের কাগজ’ প্রকাশনা নিয়ে আইনি জটিলতা: হাইকোর্টের রুল: মালিকানা ও সম্পাদনায় বিতর্ক Logo প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আউটসোর্সিং নিয়োগ ঘিরে ২৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের পরিকল্পনা! Logo মৎস্য অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের পাহাড় Logo ডিএনসিসির প্রকৌশলী আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে টেন্ডার অনিয়ম ও ঠিকাদার হয়রানির অভিযোগ Logo অভিযোগের পাহাড় পেরিয়েও বহাল তবিয়তে ফায়ার সার্ভিসের ডিজি Logo সওজে পরিচালক ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আজাদ সিন্ডিকেটের দূর্নীতির সাম্রাজ্য Logo ঠিকাদারের মুখোশে ফরিদুল আলমের বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভনে কোটি টাকা লুটের অভিযোগ

স্বর্ণেরবার ছিনতাইকারী ৬ পুলিশকে বাঁচাতে এজহার পাল্টে গেল!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২২:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২১ ২৬৯ বার পড়া হয়েছে

রায়হান হোসাইন, বিশেষ প্রতিনিধি:-

চট্টগ্রামের স্বর্ণব্যবসায়ী গোপাল কান্তি দাসের কাছ থেকে ২০টি সোনার বার ছিনতাইয়ের ঘটনায় অভিযুক্ত ফেনী গোয়েন্দা পুলিশের ৬ কর্মকর্তাকে অভিযোগ থেকে রেহাই পাইয়ে দেওয়ার পথ তৈরি করা হচ্ছে— এমন অভিযোগ উঠেছে। এমনকি মামলার এজাহার পরিবর্তন করে ওই পুলিশ কর্মকর্তাদের ‘সুবিধা’ করে দেওয়ারও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত ৮ আগস্ট বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফতেহপুর রেলওয়ে ওভারব্রিজের সামনে ফেনী গোয়েন্দা পুলিশের ৬ কর্মকর্তা চট্টগ্রামের স্বর্ণব্যবসায়ী গোপাল কান্তি দাসের কাছ থেকে ২০টি সোনার বার ছিনতাই করেন। এই ২০টি স্বর্ণের বারের মোট ওজন ২ কেজি ৩৩০ গ্রাম। যার বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ২৭ লাখ ৮৪ হাজার ৬৩৬ টাকা।
অভিযুক্ত এই ছয় পুলিশ সদস্য হলেন— ফেনী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি সাইফুল ইসলাম, এসআই মোতাহার হোসেন, নুরুল হক ও মিজানুর রহমান এবং এএসআই অভিজিৎ বড়ুয়া ও মাসুদ রানা। ঘটনার পর তাদের সবাইকে গ্রেপ্তার করার পর চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ফেনী মডেল থানা পুলিশ ঘটনার পর পরই ছিনতাই হওয়া ২০টি বারের মধ্যে ১৫টি বার উদ্ধার করে ওসি সাইফুল ইসলামের বাসার আলমারি থেকে। ১৭ দিন রিমান্ডে থাকার পরেও কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

গোপাল কান্তি দাস অভিযোগ করেছেন, পুলিশ তার এজাহার পরিবর্তন করে দিয়েছে। তিনি যে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সেটা এজাহার হিসেবে গ্রহণ করা হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। পুলিশ ঘটনার সময় আরও কয়েকটি কাগজে সই নিয়েছিল— এই দাবি করে গোপাল বলেন, ‘সেখানে পুলিশের নিজের লেখা একটি এজাহার ছিল। থানা সেটাই রেকর্ড করেছে। তাতে অনেক তথ্যের গরমিল রয়েছে। অনেক অভিযোগ বাদ দেওয়া হয়েছে। আমি এখন আশঙ্কা করছি মামলাটি দুর্বল করে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের সুবিধা দিতেই অন্য পুলিশ সদস্যরা এই কাজ করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

স্বর্ণেরবার ছিনতাইকারী ৬ পুলিশকে বাঁচাতে এজহার পাল্টে গেল!

আপডেট সময় : ০৭:২২:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২১

রায়হান হোসাইন, বিশেষ প্রতিনিধি:-

চট্টগ্রামের স্বর্ণব্যবসায়ী গোপাল কান্তি দাসের কাছ থেকে ২০টি সোনার বার ছিনতাইয়ের ঘটনায় অভিযুক্ত ফেনী গোয়েন্দা পুলিশের ৬ কর্মকর্তাকে অভিযোগ থেকে রেহাই পাইয়ে দেওয়ার পথ তৈরি করা হচ্ছে— এমন অভিযোগ উঠেছে। এমনকি মামলার এজাহার পরিবর্তন করে ওই পুলিশ কর্মকর্তাদের ‘সুবিধা’ করে দেওয়ারও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত ৮ আগস্ট বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফতেহপুর রেলওয়ে ওভারব্রিজের সামনে ফেনী গোয়েন্দা পুলিশের ৬ কর্মকর্তা চট্টগ্রামের স্বর্ণব্যবসায়ী গোপাল কান্তি দাসের কাছ থেকে ২০টি সোনার বার ছিনতাই করেন। এই ২০টি স্বর্ণের বারের মোট ওজন ২ কেজি ৩৩০ গ্রাম। যার বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ২৭ লাখ ৮৪ হাজার ৬৩৬ টাকা।
অভিযুক্ত এই ছয় পুলিশ সদস্য হলেন— ফেনী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি সাইফুল ইসলাম, এসআই মোতাহার হোসেন, নুরুল হক ও মিজানুর রহমান এবং এএসআই অভিজিৎ বড়ুয়া ও মাসুদ রানা। ঘটনার পর তাদের সবাইকে গ্রেপ্তার করার পর চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ফেনী মডেল থানা পুলিশ ঘটনার পর পরই ছিনতাই হওয়া ২০টি বারের মধ্যে ১৫টি বার উদ্ধার করে ওসি সাইফুল ইসলামের বাসার আলমারি থেকে। ১৭ দিন রিমান্ডে থাকার পরেও কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

গোপাল কান্তি দাস অভিযোগ করেছেন, পুলিশ তার এজাহার পরিবর্তন করে দিয়েছে। তিনি যে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সেটা এজাহার হিসেবে গ্রহণ করা হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। পুলিশ ঘটনার সময় আরও কয়েকটি কাগজে সই নিয়েছিল— এই দাবি করে গোপাল বলেন, ‘সেখানে পুলিশের নিজের লেখা একটি এজাহার ছিল। থানা সেটাই রেকর্ড করেছে। তাতে অনেক তথ্যের গরমিল রয়েছে। অনেক অভিযোগ বাদ দেওয়া হয়েছে। আমি এখন আশঙ্কা করছি মামলাটি দুর্বল করে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের সুবিধা দিতেই অন্য পুলিশ সদস্যরা এই কাজ করেছে।