ঢাকা ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লঞ্চ থেকে মেঘনায় লাফ দেওয়া যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার, প্রশংসায় নৌ পুলিশের তৎপরতা Logo স্থানীয় কৃষকদের থেকে ভাড়ায় জমি নিয়ে সাইন বোর্ড: প্লট বানিজ্যের নামে পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী কর্তৃপক্ষ’র প্রতারণা Logo “নৌ-খাতের সিমুলেটর বাণিজ্যের লুটেরা সিন্ডিকেট সাব্বির মাদানি” Logo গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ত্রাসের রাজত্ব! নকল নবীশ মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকি ও দূর্নীতির অভিযোগ Logo ‘শিশু হাসপাতালে উপ-পরিচালক নেছার উদ্দীন সিন্ডিকেটের দুর্নীতি ও লুটপাট’ Logo গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়ার ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও টেন্ডার কারসাজি Logo মাঠের ত্যাগী না অভিজ্ঞ নেতা: রাজধানীর বিএনপিতে কোন পথে যাচ্ছে নেতৃত্ব? Logo অন্তর্বর্তী সরকার আমাকে ডিসিদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ দেয়নি: রাষ্ট্রপতি Logo পথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি Logo সাভার পৌরসভার লাইসেন্স পরিদর্শক আমজাদ মোল্লার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

হেলালের বিয়ে আর মাদক ব্যবসাই মূল পেশা- পর্ব ১

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২৬:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মার্চ ২০১৯ ৩০৬ বার পড়া হয়েছে

মিসেস কাকলী॥ নাম তার হেলাল ছৈয়াল ওরফে শান্ত (৩৩)। শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া থানার পশ্চিম লোনশিং গ্রামের শহর আলীর পুত্র । লেগুনা চালক হলেও রাতের আধারে শত অপকর্ম করে বেড়ানোই তার নেশা। মাদক থেকে শুরু করে নারী দিয়ে বাণিজ্যসহ এমন কোন কর্ম নেই যা এই শহরে সে করেনি। সে বর্তমানে রাজধানীর কদমতলী থানার পশ্চিম মোহাম্মদবাগ এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে মাদক ও নারী বাণিজ্যসহ অসহায় মেয়েদের ভূয়া কাবিননামা তৈরি করে স্ত্রী বানিয়ে জিম্মি করে রেখে তাদের দিয়ে অনৈতিক কর্মকান্ড করিয়ে তাদের দিয়ে মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় মোটা অংকের টাকা। রাজধানীতে বিভিন্ন ফ্ল্যাক্সি লোডের দোকান থেকে গোপনে নাম্বার নিয়ে তাদের সাথে ঐসব স্ত্রীদের দিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বাসায় এনে জোর পূর্বক অন্তরঙ্গ অবস্থায় ছবি ও ভিডিও ধারন করে তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করার বহু অভিযোগ রয়েছে। এখানেই শেষ নয়, বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, ফ্ল্যাট বাসায় তাদেরকে দিয়ে অসামাজিক কাজ করিয়ে থাকে।
এ অপরাধে কদমতলীর মোহাম্মদ এলাকার বিভিন্ন বাড়ির মালিক বহুবার তাকে বাসা থেকে বের করে দেয়ারও অভিযোগ রয়েছে। তার পাশাপাশি ইয়াবা, গাজা বাণিজ্যসহ ডাকাতি, ছিনতাই এরম ত অপরাধ জনক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। কিছু দিন আগে বৃষ্টি নামে বরিশাল থেকে বিয়ের প্রলোভনে আনা মেয়েকে ভূয়া কাবিননামা তৈরি করে স্ত্রী বানিয়ে ১১ দিন যাবত আটকে রেখে মানুষকে দিয়ে তাকে গণধর্ষণ করায়। পরবর্তীতে তাকে দিয়ে দেহ ব্যবসার জন্য প্রস্তাব করে, সে রাজি না হওয়ায় তার উপর অমাণবিক শারিরীক নির্যাতন চালিয়ে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়। প্রায় ১ সপ্তাহ চিকিৎসা শেষে একটু সুস্থ হয়ে বৃষ্টি অদ্য ডিএমপির কদমতলী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
এ ব্যপারে অসহায় মেয়েটির পাশে দাড়ায় দৈনিক অন্যদিগন্ত পরিবার। আরো জানাযায় হেলাল যে কাবিন নামা গুলো তৈরী করে সে কাবিননামায় শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট নাগেরপাড়া ইউনিয়নের একটি কাজী অফিসের কাজী মাওলানা মোঃ আবু হানিফ নামের সীল স্বাক্ষর দিয়ে কাবিন নামা তৈরি করে কিন্তু দৈনিক অন্যদিগন্ত এর প্রতিনিধি সেখানে খোজ নিয়ে জানতে পারে, এ নামে অত্র ঠিকানায় কোন কাজী নেই। এই ঘটনার সাথে জাড়িত হেলার বাহিনীর বিরাট একটি সিন্ডিকেট কাজ করছে। চক্রের সদস্যদের মধ্যে শাহনাজ আক্তার পলাশ (২৮) শাহনাজের ছোট বোন কাকলী (২৬), মাসুদ (৪০)সহ আরো অনেকে। হেলাল সম্পর্কে খোজ নিয়ে জানা গেছে, তার আরো ৩ স্ত্রী রয়েছে। তাদের মধ্যে এক স্ত্রীর ৩ সন্তানও রয়েছে এ দিকে আরো জানাযায় এই হেলালের নামে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা সহ র‌্যাব ও পুলিশ প্রধানের বরাবর অনেক অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগিরা কিন্তু এই হেলাল এতটাই দুরন্ধর যে তাকে কাবু করা দুঃসহ ব্যাপার তার সিন্ডিকেটের সদস্যরা বিভিন্ন নাম এবং প্রশাসনের উচ্চপদস্ত কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করে তদবির শুরু করে এমন অভিযোগও রয়েছে আমাদের হাতে।(চলবে)

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

হেলালের বিয়ে আর মাদক ব্যবসাই মূল পেশা- পর্ব ১

আপডেট সময় : ১২:২৬:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মার্চ ২০১৯

মিসেস কাকলী॥ নাম তার হেলাল ছৈয়াল ওরফে শান্ত (৩৩)। শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া থানার পশ্চিম লোনশিং গ্রামের শহর আলীর পুত্র । লেগুনা চালক হলেও রাতের আধারে শত অপকর্ম করে বেড়ানোই তার নেশা। মাদক থেকে শুরু করে নারী দিয়ে বাণিজ্যসহ এমন কোন কর্ম নেই যা এই শহরে সে করেনি। সে বর্তমানে রাজধানীর কদমতলী থানার পশ্চিম মোহাম্মদবাগ এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে মাদক ও নারী বাণিজ্যসহ অসহায় মেয়েদের ভূয়া কাবিননামা তৈরি করে স্ত্রী বানিয়ে জিম্মি করে রেখে তাদের দিয়ে অনৈতিক কর্মকান্ড করিয়ে তাদের দিয়ে মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় মোটা অংকের টাকা। রাজধানীতে বিভিন্ন ফ্ল্যাক্সি লোডের দোকান থেকে গোপনে নাম্বার নিয়ে তাদের সাথে ঐসব স্ত্রীদের দিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বাসায় এনে জোর পূর্বক অন্তরঙ্গ অবস্থায় ছবি ও ভিডিও ধারন করে তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করার বহু অভিযোগ রয়েছে। এখানেই শেষ নয়, বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, ফ্ল্যাট বাসায় তাদেরকে দিয়ে অসামাজিক কাজ করিয়ে থাকে।
এ অপরাধে কদমতলীর মোহাম্মদ এলাকার বিভিন্ন বাড়ির মালিক বহুবার তাকে বাসা থেকে বের করে দেয়ারও অভিযোগ রয়েছে। তার পাশাপাশি ইয়াবা, গাজা বাণিজ্যসহ ডাকাতি, ছিনতাই এরম ত অপরাধ জনক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। কিছু দিন আগে বৃষ্টি নামে বরিশাল থেকে বিয়ের প্রলোভনে আনা মেয়েকে ভূয়া কাবিননামা তৈরি করে স্ত্রী বানিয়ে ১১ দিন যাবত আটকে রেখে মানুষকে দিয়ে তাকে গণধর্ষণ করায়। পরবর্তীতে তাকে দিয়ে দেহ ব্যবসার জন্য প্রস্তাব করে, সে রাজি না হওয়ায় তার উপর অমাণবিক শারিরীক নির্যাতন চালিয়ে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়। প্রায় ১ সপ্তাহ চিকিৎসা শেষে একটু সুস্থ হয়ে বৃষ্টি অদ্য ডিএমপির কদমতলী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
এ ব্যপারে অসহায় মেয়েটির পাশে দাড়ায় দৈনিক অন্যদিগন্ত পরিবার। আরো জানাযায় হেলাল যে কাবিন নামা গুলো তৈরী করে সে কাবিননামায় শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট নাগেরপাড়া ইউনিয়নের একটি কাজী অফিসের কাজী মাওলানা মোঃ আবু হানিফ নামের সীল স্বাক্ষর দিয়ে কাবিন নামা তৈরি করে কিন্তু দৈনিক অন্যদিগন্ত এর প্রতিনিধি সেখানে খোজ নিয়ে জানতে পারে, এ নামে অত্র ঠিকানায় কোন কাজী নেই। এই ঘটনার সাথে জাড়িত হেলার বাহিনীর বিরাট একটি সিন্ডিকেট কাজ করছে। চক্রের সদস্যদের মধ্যে শাহনাজ আক্তার পলাশ (২৮) শাহনাজের ছোট বোন কাকলী (২৬), মাসুদ (৪০)সহ আরো অনেকে। হেলাল সম্পর্কে খোজ নিয়ে জানা গেছে, তার আরো ৩ স্ত্রী রয়েছে। তাদের মধ্যে এক স্ত্রীর ৩ সন্তানও রয়েছে এ দিকে আরো জানাযায় এই হেলালের নামে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা সহ র‌্যাব ও পুলিশ প্রধানের বরাবর অনেক অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগিরা কিন্তু এই হেলাল এতটাই দুরন্ধর যে তাকে কাবু করা দুঃসহ ব্যাপার তার সিন্ডিকেটের সদস্যরা বিভিন্ন নাম এবং প্রশাসনের উচ্চপদস্ত কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করে তদবির শুরু করে এমন অভিযোগও রয়েছে আমাদের হাতে।(চলবে)