ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo প্রকল্প বণ্টনে অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগে গণপূর্ত সচিব নজরুলকে নিয়ে বিতর্কের ঝড়! Logo শিক্ষা প্রকৌশলে দুর্নীতির অভিযোগ: কোটি টাকার চুক্তিতে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহজাহান আলী Logo কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগে সীমাহীন ঘুষ–দুর্নীতির অভিযোগ Logo বটিয়াঘাটায় বিএনপি প্রার্থীর উঠান বৈঠক: সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরবিচ্ছিন্ন নিরাপত্তার আশ্বাস Logo গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী কায়সার কবির ও ক্যাশিয়ার এনামুল হকের বিরুদ্ধে কোটি টাকার লুটপাটের অভিযোগ|| পর্ব – Logo বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের অর্থ অপব্যবহার: এশিয়াটিক থ্রি সিক্সটি ইস্যুতে হাইকোর্টে যাচ্ছে আইনজীদের সংগঠন  Logo বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের জ্যেষ্ঠ নেতার পদোন্নতি সহ পিআরএল: রয়েছে শত কোটি টাকার লুটপাটের অভিযোগ! Logo দৈনিক সবুজ বাংলাদেশের সম্পাদক মোহাম্মদ মাসুদ এর জন্মদিন আজ Logo উন্নয়নের নামে লুটপাট: ডিএসসিসি এডিবি প্রকল্পে ‘১২ টেবিল’ ভাগাভাগি হয় ঘুষের টাকা  Logo বাংলাদেশ ভারত কোস্টগার্ডের তত্ত্বাবধানে ১৫১ জেলের মুক্তিতে বন্দি বিনিময়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস

ফেনীর সাবরেজিস্টার শাহআলমের দূর্নীতি অনুসন্ধান করায় সাংবাদিককে হুমকি 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২৯:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১ ২৫০ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ফেনী জেলার সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিস দুর্নীতি ও অনিয়মের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। এসব অনিয়মের বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে সাব-রেজিস্ট্রার শাহ আলমের আক্রোশের রোষানলে পড়েছেন সাংবাদিক।

সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না। জমির নিবন্ধন, নামজারি, জাল দলিলে জমি দখলসহ নানা ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন ভুক্তভোগীরা। জমির দলিল আটকে রেখে ভুক্তভোগীদের চাপের মুখে ঘুষ দাবি সাব-রেজিস্ট্রার, উম্মেদার, পিওন ও নকলনবিশদের নিয়মিত আচরণে পরিণত হয়েছে। ঘুষ আদায়ের কৌশল হিসেবে সাব-রেজিস্ট্রারের রুটিনমাফিক কাজ নকলনবিশ, উম্মেদার ও পিওন দিয়েও করানো হচ্ছে। এই সুযোগে নকলনবিশ, উম্মেদার ও পিওন কোটি কোটি টাকার মলিক হচ্ছেন।

বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধন ম্যানুয়াল-২০১৪ মানছেন না সাব-রেজিস্ট্রাররাও। তারা নিবন্ধন ম্যানুয়াল অনুযায়ী নিজেদের কাজ নকলনবিশ, উম্মেদার ও পিওনদের দিয়ে করাচ্ছেন। দলিল চেক করার কাজ সাব-রেজিস্ট্রারদের করার নিয়ম থাকলেও তা মানছেন না তারা। অনুসন্ধানে ও সরেজমিন এসব তথ্য উঠে এসেছে।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধন ম্যানুয়াল-২০১৪-এর অধ্যায়-২৬-এ উল্লেখ আছে যে, সহকারীগণ কর্তৃক দলিল পরীক্ষাকরণ কাক্সিক্ষত নয়, এই কাজটি অবশ্যই স্বয়ং নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা কর্তৃক সম্পাদিত হবে।

২০১৯ সালে রেজিষ্ট্রি হওয়া এমন বেশ কয়েকটি দলিল নম্বর প্রতিবেদকের হাতে আসে। গত কয়েকদিন ধরে ঢাকা এজি অফিসের তিনজন কর্মকর্তা ফেনী সদর সাব রেজিস্ট্রার অফিসে আসে অডিটের জন্য।

এমন সংবাদের ভিত্তিতে প্রতিবেদক, অডিট কর্মকর্তাদেরকে ৬ টি দলিল নম্বরসহ সকল তথ্যাদি মুঠোফোনে জানানো হয়।

অডিট কর্মকর্তাগণ প্রতিবেদককে মঙ্গলবার রাতে মুঠোফোনে জানায়, সদর সাব রেজিস্ট্রারকে এই ছয়টি দলিলের বিষয়ে আমরা আপত্তি জানিয়েছি। সাব রেজিস্ট্রার এই ছয়টি দলিলের কপিসহ যাবতীয় ডকুমেন্টস ঢাকায় পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করেন।

বুধবার সকালে সাব রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ শাহআলম দৈনিক আমাদের কন্ঠ পত্রিকার জেলা প্রতিবেদকের মুঠোফোনে ফোন করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং দেখে নেয়ারও হুমকি প্রদান করে।

এ বিষয়ে প্রতিবেদক ফেনী সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ফেনীর সাবরেজিস্টার শাহআলমের দূর্নীতি অনুসন্ধান করায় সাংবাদিককে হুমকি 

আপডেট সময় : ১২:২৯:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ফেনী জেলার সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিস দুর্নীতি ও অনিয়মের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। এসব অনিয়মের বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে সাব-রেজিস্ট্রার শাহ আলমের আক্রোশের রোষানলে পড়েছেন সাংবাদিক।

সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না। জমির নিবন্ধন, নামজারি, জাল দলিলে জমি দখলসহ নানা ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন ভুক্তভোগীরা। জমির দলিল আটকে রেখে ভুক্তভোগীদের চাপের মুখে ঘুষ দাবি সাব-রেজিস্ট্রার, উম্মেদার, পিওন ও নকলনবিশদের নিয়মিত আচরণে পরিণত হয়েছে। ঘুষ আদায়ের কৌশল হিসেবে সাব-রেজিস্ট্রারের রুটিনমাফিক কাজ নকলনবিশ, উম্মেদার ও পিওন দিয়েও করানো হচ্ছে। এই সুযোগে নকলনবিশ, উম্মেদার ও পিওন কোটি কোটি টাকার মলিক হচ্ছেন।

বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধন ম্যানুয়াল-২০১৪ মানছেন না সাব-রেজিস্ট্রাররাও। তারা নিবন্ধন ম্যানুয়াল অনুযায়ী নিজেদের কাজ নকলনবিশ, উম্মেদার ও পিওনদের দিয়ে করাচ্ছেন। দলিল চেক করার কাজ সাব-রেজিস্ট্রারদের করার নিয়ম থাকলেও তা মানছেন না তারা। অনুসন্ধানে ও সরেজমিন এসব তথ্য উঠে এসেছে।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধন ম্যানুয়াল-২০১৪-এর অধ্যায়-২৬-এ উল্লেখ আছে যে, সহকারীগণ কর্তৃক দলিল পরীক্ষাকরণ কাক্সিক্ষত নয়, এই কাজটি অবশ্যই স্বয়ং নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা কর্তৃক সম্পাদিত হবে।

২০১৯ সালে রেজিষ্ট্রি হওয়া এমন বেশ কয়েকটি দলিল নম্বর প্রতিবেদকের হাতে আসে। গত কয়েকদিন ধরে ঢাকা এজি অফিসের তিনজন কর্মকর্তা ফেনী সদর সাব রেজিস্ট্রার অফিসে আসে অডিটের জন্য।

এমন সংবাদের ভিত্তিতে প্রতিবেদক, অডিট কর্মকর্তাদেরকে ৬ টি দলিল নম্বরসহ সকল তথ্যাদি মুঠোফোনে জানানো হয়।

অডিট কর্মকর্তাগণ প্রতিবেদককে মঙ্গলবার রাতে মুঠোফোনে জানায়, সদর সাব রেজিস্ট্রারকে এই ছয়টি দলিলের বিষয়ে আমরা আপত্তি জানিয়েছি। সাব রেজিস্ট্রার এই ছয়টি দলিলের কপিসহ যাবতীয় ডকুমেন্টস ঢাকায় পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করেন।

বুধবার সকালে সাব রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ শাহআলম দৈনিক আমাদের কন্ঠ পত্রিকার জেলা প্রতিবেদকের মুঠোফোনে ফোন করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং দেখে নেয়ারও হুমকি প্রদান করে।

এ বিষয়ে প্রতিবেদক ফেনী সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেন।