• ১লা মার্চ ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১৬ই ফাল্গুন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ব্যাংক থেকে বিনিয়োগ তুলে নিচ্ছে বিদেশিরা

সকালের সংবাদ ডেস্ক;
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৪, ২০২১, ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ
ব্যাংক থেকে বিনিয়োগ তুলে নিচ্ছে বিদেশিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক;

ব্যাংকগুলোর ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। যে কারণে ব্যাংকের শেয়ার বিক্রি করে বিনিয়োগ তুলে নিচ্ছেন পুঁজিবাজারের বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। গত এক বছরে বিভিন্ন ব্যাংকের ৩৮ কোটি ৯০ লাখের বেশি শেয়ার বিক্রি করেছেন তারা। তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোতে বিদেশিদের বিনিয়োগের চিত্র পর্যালোচনা করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

বিশ্লেষকরা বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা অত্যন্ত চালাক। তারা যেখানে লাভ বেশি দেখেন, সেখানে বিনিয়োগ করেন এবং মুনাফা তুলে নেয়ার চেষ্টা করেন। দেশের ব্যাংকখাত দীর্ঘদিন ধরেই এক প্রকার সমস্যার মধ্যে রয়েছে। খেলাপি ঋণে জর্জরিত বেশিরভাগ ব্যাংক। পরিচালন মুনাফাও ভালো হচ্ছে না। এ কারণে ব্যাংকের প্রতি বিনিয়োগকারীরা আস্থা পাচ্ছেন না।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩০টি ব্যাংকের মধ্যে ঢাকা ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক এবং রূপালী ব্যাংকে বিদেশিদের বিনিয়োগ নেই। বাকি ২৬টি ব্যাংকের শেয়ারে বিদেশিদের বিনিয়োগ রয়েছে।

২০২০ সালের ডিসেম্বর শেষে এই ব্যাংকগুলোর প্রায় ১২১ কোটি ৫০ লাখ ৮৬ হাজার শেয়ার বিদেশিদের কাছে রয়েছে। এক বছর আগে অর্থাৎ ২০১৯ সালের ডিসেম্বর শেষে বিদেশিদের কাছে ব্যাংকের শেয়ার ছিল প্রায় ১৬০ কোটি ৪১ লাখ ১৩ হাজার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন ব্যাংকের ৩৮ কোটি ৯০ লাখ ২৭ হাজার শেয়ার ছেড়ে দিয়েছেন।

বিদেশিদের ব্যাংকের শেয়ার বিক্রি করে দেয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর এবং বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. সালেহউদ্দিন আহমে বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা অত্যন্ত চালাক। তারা যেখানে লাভ বেশি দেখেন সেখানে বিনিয়োগ করেন। বর্তমানে শেয়ারবাজারে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়লেও ব্যাংকের শেয়ার দাম কিন্তু সেভাবে বাড়েনি। তাছাড়া ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণ বাড়ছে, তার মধ্যেই অতিরিক্ত তারল্য থেকে যাচ্ছে। আবার পরিচালন মুনাফা বা কর-পরবর্তী মুনাফা কোনোটাই ব্যাংকের খুব ভালো হচ্ছে না। এ কারণেই হয়তো বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ভাবছেন আপাতত ব্যাংকের শেয়ার থেকে সরে দাঁড়ানো ভালো। এইটাই বিদেশিদের ব্যাংকের শেয়ার বিক্রি করার প্রধান কারণ।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, বর্তমানে যে ২৬টি ব্যাংকে বিদেশিদের বিনিয়োগ রয়েছে, তার মধ্যে গত এক বছরে মাত্র দুটি ব্যাংকে তারা বিনিয়োগ বাড়িয়েছেন। এর মধ্যে ইস্টার্ন ব্যাংকের দুই কোটি ২৪ লাখ ৮৬ হাজারের বেশি শেয়ার গত এক বছরে নতুন করে কিনেছেন বিদেশিরা। ফলে কোম্পানিটির ৩ দশমিক ১৭ শতাংশ বা দুই কোটি ৫৭ লাখ ৩৪ হাজার শেয়ার এখন বিদেশিদের কাছে রয়েছে।

বিদেশিদের বিনিয়োগ বাড়া অপর প্রতিষ্ঠান সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের এক কোটি ২৮ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার রয়েছে বিদেশিদের হাতে, যা কোম্পানিটির মোট শেয়ারের ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ। গত এক বছরে ব্যাংকটির তিন লাখ ৭৫ হাজার শেয়ার নতুন করে কিনেছেন বিদেশিরা।

অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সভাপতি ও ইস্টার্ন ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আলী রেজা ইফতেখার বলেন, তথ্য পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে আমাদের ব্যাংকের শেয়ার দাম ওঠা-নামার ক্ষেত্রে একটা ধারাবাহিকতা আছে। আমাদের ব্যাংকের শেয়ার দাম হুটহাট বাড়ে না, আবার হুটহাট কমে না। যে কারণে আমাদের শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের এক ধরনের আস্থা আছে। এ কারণেই আমাদের ব্যাংকের শেয়ারে বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে।

এদিকে গত এক বছরে বিদেশিরা সবচেয়ে বেশি বিক্রি করেছেন সিটি ব্যাংকের শেয়ার। এক বছর আগে কোম্পানিটির ৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ বা ৯ কোটি ৮২ লাখ ৮৫ হাজার শেয়ার ছিল বিদেশিদের কাছে। তবে গত এক বছরে বিদেশিরা ব্যাংকটির পাঁচ কোটি ৫২ লাখ ৯১ হাজার শেয়ার বিক্রি করে দেয়া, সেই সংখ্যা কমে চার কোটি ২৯ লাখ ৯৩ হাজার বা ৪ দশমিক ২৩ শতাংশে নেমে এসেছে।

বিদেশিদের সর্বোচ্চ বিনিয়োগ তুলে নেয়ার দিক থেকে এর পরের স্থানেই রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক। গত এক বছরে বিদেশিরা ব্যাংকটির পাঁচ কোটি ১৮ লাখ ৪২ হাজার শেয়ার বিক্রি করেছেন। বিপুল পরিমা শেয়ার বিক্রির পরও এখনো ব্যাংকটিতে বিদেশিদের সর্বোচ্চ বিনিয়োগ রয়েছে। এখন ব্যাংকটির ৩৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ বা ৫২ কোটি ৪৬ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার রয়েছে বিদেশিদের কাছে।

এছাড়া গত এক বছরে বিদেশিরা সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ তুলে নিয়েছেন যেসব ব্যাংক থেকে, তার মধ্যে রয়েছে— ইসলামী ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক। এ ব্যাংকগুলোর কোটির ওপর শেয়ার বিক্রি করেছেন বিদেশিরা।

এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংকের চার কোটি ৮১ লাখ ৩৮ হাজার, সাউথইস্ট ব্যাংকের চার কোটি ৫৬ লাখ ৫৫ হাজার, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের দুই কোটি ৭ লাখ ৬৫ হাজার, এক্সিম ব্যাংকের দুই কোটি ৩৮ লাখ ৬৭ হাজার, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের দুই কোটি ৯ লাখ ৬৭ হাজার, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের এক কোটি ৭৮ লাখ ১০ হাজার, ন্যাশনাল ব্যাংকের দুই কোটি ৬৬ লাখ ৭৭ হাজার, ওয়ান ব্যাংকের এক কোটি ৯৩ লাখ এবং প্রিমিয়ার ব্যাংকের দুই কোটি ২৭ লাখ ৪ হাজার শেয়ার বিক্রি করেছেন বিদেশিরা।

২০২০ সালের ডিসেম্বর শেষে বিদেশিদের কাছে ইসলামী ব্যাংকের ২০ দশমিক ৫৮ শতাংশ বা ৩৩ কোটি ১৩ লাখ ৩৬ হাজার, সাউথইস্ট ব্যাংকের ১ দশমিক ৭০ শতাংশ বা ২ কোটি ২ লাখ ১২ হাজার, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের ১ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ বা ১ কোটি ৮ লাখ ৬২ হাজার, এক্সিম ব্যাংকের ১ দশমিক ৮৯ শতাংশ বা ২ কোটি ৬৬ লাখ ৯১ হাজার, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ২ দশমিক ০৩ শতাংশ বা ১ কোটি ৯২ লাখ ৬০ হাজার, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ বা ৪ কোটি ৩৫ লাখ ৯২ হাজার, ন্যাশনাল ব্যাংকের ১ দশমিক ০৪ শতাংশ বা ৩ কোটি ১৮ লাখ ৯১ হাজার, ওয়ান ব্যাংকের দশমিক ৫২ শতাংশ বা ৪৬ লাখ ৪ হাজার এবং প্রিমিয়ার ব্যাংকের ২ দশমিক ২৯ শতাংশ বা ২ কোটি ২২ লাখ ২০ হাজার শেয়ার আছে।

বাকি ব্যাংকগুলোতে বিদেশিদের বিনিয়োগ চিত্র-

ব্যাংকের নাম

শতাংশের হিসেবে বিদেশিদের শেয়ার ধারণ

বিদেশিদের কাছে ব্যাংকের শেয়ার সংখ্যা

ডিসেম্ব-২০২০
ডিসেম্বর-২০১৯
২০২০ সালের ডিসেম্বর শেষে
২০১৯ সালের ডিসেম্বর শেষে
এক বছরে শেয়ার বিক্রি
এবি ব্যাংক
.৯১ শতাংশ
১.০৩ শতাংশ
৭২ লাখ ৪৪ হাজার
৮১ লাখ ৯৯ হাজার
৯ লাখ ৫৫ হাজার
ব্যাংক এশিয়া
.২২ শতাংশ
.৩৭ শতাংশ
২৫ লাখ ৬৫ হাজার
৪৩ লাখ ১৪ হাজার
১৭ লাখ ৪৯ হাজার
ডাচ-বাংলা ব্যাংক
.০১ শতাংশ
.০২ শতাংশ
৫৫ হাজার
১ লাখ ১০ হাজার
৫৫ হাজার
আইএফআইসি
.৭৯ শতাংশ
১.০৪ শতাংশ
১ কোটি ২৭ লাখ ৯৭ হাজার
১ কোটি ৬৮ লাখ ৪৭ হাজার
৪০ লাখ ৫০ হাজার
যমুনা ব্যাংক
.৮২ শতাংশ
১.৭৬ শতাংশ
৬১ লাখ ৪৩ হাজার
১ কোটি ৩১ লাখ ৮৬ হাজার
৭০ লাখ ৪৩ হাজার
এনসিসি ব্যাংক
.৪৪ শতাংশ
১.২২ শতাংশ
৪১ লাখ ৬২ হাজার
১ কোটি ১৫ লাখ ৪০ হাজার
৭৩ লাখ ৭৮ হাজার
প্রাইম ব্যাংক
২.৯৯ শতাংশ
৩.৫২ শতাংশ
৩ কোটি ৩৮ লাখ ৫৫ হাজার
৩ কোটি ৯৮ লাখ ৫৬ হাজার
৬০ লাখ ১ হাজার
পূবালী ব্যাংক
.৪৭ শতাংশ
.৭৫ শতাংশ
৪৮ লাখ ৩৩ হাজার
৭৭ লাখ ১২ হাজার
২৮ লাখ ৭৯ হাজার
শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক
.১৫ শতাংশ
.৩২ শতাংশ
১৪ লাখ ৭০ হাজার
৩১ লাখ ৩৬ হাজার
১৬ লাখ ৬৬ হাজার
স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক
.৩৩ শতাংশ
১.২৬ শতাংশ
৩৩ লাখ ২০ হাজার
১ কোটি ২৬ লাখ ৭৫ হাজার
৯৩ লাখ ৫৬ হাজার
ট্রাস্ট ব্যাংক
.৫৯ শতাংশ
১.১১ শতাংশ
৩৭ লাখ ৯৫ হাজার
৭১ লাখ ৪১ হাজার
৩৩ লাখ ৪৫ হাজার
ইউসিবি
১.০৮ শতাংশ
১.৪৪ শতাংশ
১ কোটি ৩১ লাখ ৪৯ হাজার
১ কোটি ৭৫ লাখ ৩২ হাজার
৪৩ লাখ ৮৩ হাজার
উত্তরা ব্যাংক
.৯৬ শতাংশ
২.৯৫ শতাংশ
৪৮ লাখ ১৯ হাজার
১ কোটি ৪৮ লাখ ৭ হাজার
৯৯ লাখ ৮৯ হাজার

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, শুধু বিদেশি বিনিয়োগকারীরা নন, দেশীয় বিনিয়োগকারীরাও ব্যাংকের শেয়ারের প্রতি আস্থা পাচ্ছেন না। যে কারণে ব্যাংকের শেয়ার দামও বাড়ছে না। ব্যাংকের শেয়ার থেকে বিদেশিদের বিনিয়োগ তুলে নেয়া ভালো লক্ষণ নয়। কারণ বিদেশি বিনিয়োগ যত বাড়বে, এফডিআই যত বাড়বে, সুবিধা হবে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক মো. বখতিয়ার হাসান বলেন, অনেক দিন ধরে ব্যাংকিং খাতে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। খেলাপি ঋণ কিছুতেই কমছে না। উল্টো বেড়েই চলছে। আবার শেয়ারবাজারে অন্যান্য খাতের শেয়ার দাম বাড়লেও ব্যাংকের শেয়ার দাম বাড়ছে না। সবকিছু মিলিয়ে বিদেশিরা হয় তো ভাবছেন ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগ করে খুব একটা লাভবান হওয়া যাবে না, এ কারণেই হয়তো তারা ব্যাংকের শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছেন।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালক মো. রকিবুর রহমান বলেন, ব্যাংকের শেয়ারের ওপর বিনিয়োগকারীরা আস্থা পাচ্ছেন না। এ কারণেই হয়তো তারা ব্যাংকের শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছেন। অনেক ব্যাংকের তথাকথিত স্পন্সর/ডাইরেক্টররা বাংকগুলোকে তাদের পারিবারিক সম্পত্তি মনে করেন, তারা এটা থেকে বেরিয়ে আসতে পারছেন না। অনেক সময় তারা নিয়মনীতিরও তোয়াক্কা করেন না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখা যায়, স্বতন্ত্র পরিচালকদের মতামতেরও তেমন গুরুত্ব দেয়া হয় না।

তিনি বলেন, ২০০৯-২০১০ সালে ব্যাংকের অনেক পরিচালক উচ্চ দামে শেয়ার বিক্রি করেছেন। বছরের পর বছর বোনাস শেয়ার দিয়ে তারা শেয়ার সংখ্যা বাড়িয়েছেন। এখন এসব শেয়ারের দাম কমে গেলেও তারা কিনতে চাচ্ছেন না। ব্যাংকখাত দুরবস্থা থেকে বের করে আনতে এবং শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে হলে আর্থিক খাতে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তাহলেই ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীর আস্থা বাড়বে। তাতে বাজার আরও ভালো ও বড় হবে। ব্যাংকের লেনদেন আরও বাড়বে। বর্তমানে যেসব স্পন্সর/ডাইরেক্টরদের বিরুদ্ধে সামান্যতম অভিযোগ আছে, যারা বিভিন্নভাবে ঋণখেলাপি হয়েছেন অথবা যারা অবৈধভাবে ব্যাংকের লুটপাট খাতে সহযোগিতা করেছেন, তাদের অবশ্যই ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরিয়ে দিতে হবে।