• ১১ই আগস্ট ২০২২ খ্রিস্টাব্দ , ২৭শে শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

‘আনুশকারকে অপহরণ ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে’

সকালের সংবাদ ডেস্ক;
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৩, ২০২১, ২২:৩৮ অপরাহ্ণ
‘আনুশকারকে অপহরণ ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে’

অনলাইন ডেস্ক;

দিহান ও তার সঙ্গীরা আমার মেয়েকে গত ৭ জানুয়ারি অপহরণ করে নিয়ে যায়। বাসায় নিয়ে ধর্ষণ শেষে আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। দিহান তখন ফোন দিয়ে জানায়, হাসপাতালে পায়ে ধরে কান্নাকাটি করে বলে, ‘আন্টি আমাকে বাঁচান।’ তখন দিহান আরও বলে, ‘আমরা চারজনই তাকে বাসায় নিয়ে যাই।’

আমার মেয়ে ফাঁকা বাসায় একা যাওয়ার কথা না বলে জানিয়েছেন ধর্ষণের পর হত্যার শিকার ইংরেজি মাধ্যমপড়ুয়া স্কুলছাত্রীর মা। তিনি মেয়েকে অপহরণ করে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন।

আজ বুধবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে অভিযোগ এনে তিনি বলেন, আমার নিষ্পাপ মেয়েকে নিয়ে মিথ্যা প্রচারণা চালানো হচ্ছে। চরিত্রহনন করা হচ্ছে। এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মিথ্যা প্রচারণাকারীদের সাইবার ট্রাইব্যুনালে বিচারের দাবি জানান তিনি।

একইসাথে পুলিশ অপহরণ মামলা করতে দেয়নি অভিযোগ এনে স্কুলছাত্রীর মা বলেন, আমরা অপহরণ মামলা করতে চেয়েছি। কিন্তু পুলিশ সেটা করতে দেয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলা হচ্ছে, দিহানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এ তথ্য মোটেও সঠিক নয়। দিহানের সঙ্গে আমার মেয়ের পরিচয় ছিল না।

তিনি বলেন, আমি চার দফা দাবি জানাচ্ছি। দ্রুত বিচার আইনে দিহান ও তার সঙ্গীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। সরকার যেন তদন্তে আমাদের সহযোগিতা করে। স্বচ্ছ ও সঠিক ডিএনএ পরীক্ষা করা হোক। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হোক। আমার নিষ্পাপ মেয়েকে বিকৃতভাবে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ, আপনি একজন মা। আমি অমার মেয়েকে হত্যার স্বচ্ছ ও ন্যায় বিচার চাই।

নিহত স্কুলছাত্রীর বাবা বলেন, মেয়েকে পেয়ে আমি আমার মায়ের শূন্যতা ভুলেছি। মেয়ে আমার মায়ের মতো ছিল। আমাকে না বলে কিছুই করতো না মেয়েটা। আমরা সেভাবে মেয়েকে গড়ে তুলেছি। যেদিন ঘটনা ঘটে, ওইদিন সে আমাকে ফোন দিয়েছিল, কিন্তু জরুরি সভা থাকায় আমি ফোন ধরতে পারিনি। আমার একটাই অনুরোধ সরকারের কাছে, সঠিক তথ্য তুলে ধরা হোক।

error: Content is protected !!