ঢাকা ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করা আমাদের অঙ্গীকারঃ ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী  Logo মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির নতুন বাসের উদ্বোধন Logo মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের ভূমিকা অগ্রগণ্য: ভিসি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক Logo মঙ্গল শোভাযাত্রা – তাসফিয়া ফারহানা ঐশী Logo সাস্টিয়ান ব্রাহ্মণবাড়িয়া এর ইফতার মাহফিল সম্পন্ন Logo কুবির চট্টগ্রাম স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের ইফতার ও পূর্নমিলনী Logo অধ্যাপক জহীর উদ্দিন আহমেদের মায়ের মৃত্যুতে শাবির মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মুক্ত চিন্তা চর্চায় ঐক্যবদ্ধ শিক্ষকবৃন্দ পরিষদের শোক প্রকাশ Logo শাবির অধ্যাপক জহীর উদ্দিনের মায়ের মৃত্যুতে উপাচার্যের শোক প্রকাশ Logo বিশ কোটিতে গণপূর্তের প্রধান হওয়ার মিশনে ‘ছাত্রদল ক্যাডার প্রকৌশলী’! Logo দূর্নীতির রাক্ষস ফায়ার সার্ভিসের এডি আনোয়ার!




বাঞ্ছারামপুর সোনারামপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শাহীনের অপকর্ম পর্ব ১

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ ১০১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ যতই ডিজিটাল হচ্ছে অপরাধীরা তাদের কৌশল ডিজিটাল পদ্ধতিতে তাদের অপরাধ দুর্নীতি কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।। করোনা কে পুঁজি করে কিছু অসাধু ব্যক্তিরা নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এর তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীরা হয়ে যায় কোটিপতি। উপজেলা চেয়ারম্যান ও জনগনের টাকা আত্মসাৎ করে সবাই এখন কোটি প্রতি কাতারের নাম লেখাতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। অপরাধীর এখন কোটিপতি হওয়া নেশায় মরিয়া। তাহলে জনগণ যাবে কোথায়? এমন প্রশ্ন সাধারণ মানুষের মনে। খবরের পাতা খুলে সর্বপ্রথম চোখ পড়তেই দুর্নীতি চিত্রটি আমাদের চোখে পড়ে। জনগণের স্বার্থ হাসিলের জন্য মাঠে পরিশ্রমিক নেতাকর্মী বর্তমান বেশি নাই বললেই চলে। দুর্নীতির সাথে নিজেকে মাকড়সার মতো জড়িয়ে নিয়েছেন বেশিরভাগই অসাধু চেয়ারম্যান-মেম্বারা। দেশের স্বার্থে নির্ভীক কাজ করো আমি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বড় কষ্ট।অসৎ ব্যক্তির অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করতে অন্যের কার কি হয়েছে ভাবনার সময় নেই বর্তমান জনপ্রতিনিধির চেয়ারম্যান মেম্বারদের। এমনই কিছু কিছু ঘটনা বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বারদের দুর্নীতির খবর পত্রিকায় চোখ চোখে পড়ে তবুও উপরের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে অপকর্মগুলো ঢাকা পড়ে যাচ্ছে তাদেরকে সহযোগিতা করছেন তিনি কিছু দুর্নীতিবাজ স্বার্থলোভী রাজনীতিবিদরা মরিয়া হয়ে উঠেছে হঠাৎ রাজধানী খিলক্ষেত লা একটা প্রবাদ আছে ঠাকুর ঘরে কে রে তখন চোর উত্তর বলে আমি কলা খাইনা। ইতিপূর্বে বহু চেয়ারম্যানের মুখোশ উন্মোচন করেছেন সংবাদকর্মীরা তাতে আনন্দিত সাধারণ মানুষ ও এলাকাবাসী। যেখানে অপরাধ সেখানে চলছে কলম সংবাদকর্মীদের যুদ্ধ। সংবাদপত্র চোখ রাখতে সর্বপ্রথম যে শব্দটি পরে দুর্নীতি। চাল চোর ডাল চোর চোরের হাট-বাজার বললেই চলে এমনই একজন অপরাধী চেয়ারম্যান কে নিয়ে এই প্রতিবেদন।বাঞ্ছারামপুর সোনারামপুর ইউপি চেয়ারম্যান শাহীনের পদত্যাগের দাবীতে মানববন্দন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী। গত সোমবার দুপুরে ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সোনারামপুর ইউনিয়নের চরমরিচাকান্দী বিলপা এলাকায় বিপুল সংখ্যক ভুক্তভোগী লোকের উপস্হিতিতে মানববন্দন অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোনারামপুর ইউপির ২ নং ওয়ার্ড মেম্বার শাহজাহান মিয়ার সভাপতিত্বে মানববন্দনে বক্তব্য রাখেন। মামুন,শরীফ উদ্দিন, ডলী বেগম ও হালিমা আরো বহু ভুক্তভোগী মানববন্দনে মেম্বার শাহজাহান মিয়া অভিযোগ করে বলেন চেয়ারম্যান শাহীন গৃহহীনদের ঘর দেওয়ার কথা বলে চার লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়।শাহীন চেয়ারম্যান প্রতিবন্ধী, মাতৃত্ব কালীন ভাতা সহ টি,আর,কাবিখা,এলজি এসপিসহ বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা আৎসাত করে আসছেন। এছাড়াও মানববন্দনে ভুক্তভোগী উত্তেজিত জনতা শাহীন চেয়ারম্যানের অপসারন দাবী করে তার সকল অপকর্মের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এ সময় বক্তারা বলেন, চেয়ারম্যান শাহীনের দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। হত দরিদ্রদের পাকা ঘর নির্মাণের জন্য এই ইউপির ৪শ পরিবারের কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে ঘর দেয়নি।এছাড়াও বিজিএফ, বয়স্কভাতাসহ ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতি করে যাচ্ছে। তারা এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত স্বাপেক্ষে ওই চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবী জানান। ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে এলাকার বিপুল সংখ্যক ভূক্তভোগী নারী পুরুষ অংশ গ্রহন করে। পরে একটি বিক্ষোভ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘এডিপির প্রকল্প দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঠিকাদার কাজ করে থাকেন। আমি কীভাবে টাকা আত্মসাৎ করব? আমি কোনো অপকর্মের সঙ্গে জড়িত না। আমি চাই, জেলা প্রশাসক স্বচ্ছতার সঙ্গে বিষয়টি শতভাগ তদন্ত করুক। যারা অভিযোগ করেছে, তারা আমার শত্রু না, বন্ধু মনে করি।’ তিনি আরও বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যানের বাসভবন নির্মাণের জন্য ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা বরাদ্দ এসেছে। ঠিকাদার কাজ করছেন। আর তাঁর বাড়ির রাস্তা পাকা নয়, মাটির কাঁচা রাস্তা। দেয়ালটা হলো বাসভবনের দেয়াল।

ফোন না ধরায় এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা প্রকৌশলী নিলুফা ইয়াছমীনের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ এস এম মোসা বলেন, সুরক্ষাসামগ্রী দরপত্রের মাধ্যমে কেনা হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে। প্রকল্পগুলো দিয়েছেন জনপ্রতিনিধিরা। যাচাই-বাছাই করে এগুলো অনুমোদন দিয়েছেন। যদি কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন না হয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে বেশ কয়েকটি প্রকল্প সরেজমিনে বাস্তবায়ন হতে দেখেছেন তিনি। সবগুলো ঘুরে দেখা সম্ভব হয়নি।

অভিযোগের অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন বলেন, অভিযোগটি দেখে ও তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থ নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




বাঞ্ছারামপুর সোনারামপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শাহীনের অপকর্ম পর্ব ১

আপডেট সময় : ১১:২৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক:

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ যতই ডিজিটাল হচ্ছে অপরাধীরা তাদের কৌশল ডিজিটাল পদ্ধতিতে তাদের অপরাধ দুর্নীতি কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।। করোনা কে পুঁজি করে কিছু অসাধু ব্যক্তিরা নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এর তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীরা হয়ে যায় কোটিপতি। উপজেলা চেয়ারম্যান ও জনগনের টাকা আত্মসাৎ করে সবাই এখন কোটি প্রতি কাতারের নাম লেখাতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। অপরাধীর এখন কোটিপতি হওয়া নেশায় মরিয়া। তাহলে জনগণ যাবে কোথায়? এমন প্রশ্ন সাধারণ মানুষের মনে। খবরের পাতা খুলে সর্বপ্রথম চোখ পড়তেই দুর্নীতি চিত্রটি আমাদের চোখে পড়ে। জনগণের স্বার্থ হাসিলের জন্য মাঠে পরিশ্রমিক নেতাকর্মী বর্তমান বেশি নাই বললেই চলে। দুর্নীতির সাথে নিজেকে মাকড়সার মতো জড়িয়ে নিয়েছেন বেশিরভাগই অসাধু চেয়ারম্যান-মেম্বারা। দেশের স্বার্থে নির্ভীক কাজ করো আমি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বড় কষ্ট।অসৎ ব্যক্তির অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করতে অন্যের কার কি হয়েছে ভাবনার সময় নেই বর্তমান জনপ্রতিনিধির চেয়ারম্যান মেম্বারদের। এমনই কিছু কিছু ঘটনা বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বারদের দুর্নীতির খবর পত্রিকায় চোখ চোখে পড়ে তবুও উপরের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে অপকর্মগুলো ঢাকা পড়ে যাচ্ছে তাদেরকে সহযোগিতা করছেন তিনি কিছু দুর্নীতিবাজ স্বার্থলোভী রাজনীতিবিদরা মরিয়া হয়ে উঠেছে হঠাৎ রাজধানী খিলক্ষেত লা একটা প্রবাদ আছে ঠাকুর ঘরে কে রে তখন চোর উত্তর বলে আমি কলা খাইনা। ইতিপূর্বে বহু চেয়ারম্যানের মুখোশ উন্মোচন করেছেন সংবাদকর্মীরা তাতে আনন্দিত সাধারণ মানুষ ও এলাকাবাসী। যেখানে অপরাধ সেখানে চলছে কলম সংবাদকর্মীদের যুদ্ধ। সংবাদপত্র চোখ রাখতে সর্বপ্রথম যে শব্দটি পরে দুর্নীতি। চাল চোর ডাল চোর চোরের হাট-বাজার বললেই চলে এমনই একজন অপরাধী চেয়ারম্যান কে নিয়ে এই প্রতিবেদন।বাঞ্ছারামপুর সোনারামপুর ইউপি চেয়ারম্যান শাহীনের পদত্যাগের দাবীতে মানববন্দন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী। গত সোমবার দুপুরে ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সোনারামপুর ইউনিয়নের চরমরিচাকান্দী বিলপা এলাকায় বিপুল সংখ্যক ভুক্তভোগী লোকের উপস্হিতিতে মানববন্দন অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোনারামপুর ইউপির ২ নং ওয়ার্ড মেম্বার শাহজাহান মিয়ার সভাপতিত্বে মানববন্দনে বক্তব্য রাখেন। মামুন,শরীফ উদ্দিন, ডলী বেগম ও হালিমা আরো বহু ভুক্তভোগী মানববন্দনে মেম্বার শাহজাহান মিয়া অভিযোগ করে বলেন চেয়ারম্যান শাহীন গৃহহীনদের ঘর দেওয়ার কথা বলে চার লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়।শাহীন চেয়ারম্যান প্রতিবন্ধী, মাতৃত্ব কালীন ভাতা সহ টি,আর,কাবিখা,এলজি এসপিসহ বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা আৎসাত করে আসছেন। এছাড়াও মানববন্দনে ভুক্তভোগী উত্তেজিত জনতা শাহীন চেয়ারম্যানের অপসারন দাবী করে তার সকল অপকর্মের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এ সময় বক্তারা বলেন, চেয়ারম্যান শাহীনের দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। হত দরিদ্রদের পাকা ঘর নির্মাণের জন্য এই ইউপির ৪শ পরিবারের কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে ঘর দেয়নি।এছাড়াও বিজিএফ, বয়স্কভাতাসহ ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতি করে যাচ্ছে। তারা এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত স্বাপেক্ষে ওই চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবী জানান। ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে এলাকার বিপুল সংখ্যক ভূক্তভোগী নারী পুরুষ অংশ গ্রহন করে। পরে একটি বিক্ষোভ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘এডিপির প্রকল্প দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঠিকাদার কাজ করে থাকেন। আমি কীভাবে টাকা আত্মসাৎ করব? আমি কোনো অপকর্মের সঙ্গে জড়িত না। আমি চাই, জেলা প্রশাসক স্বচ্ছতার সঙ্গে বিষয়টি শতভাগ তদন্ত করুক। যারা অভিযোগ করেছে, তারা আমার শত্রু না, বন্ধু মনে করি।’ তিনি আরও বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যানের বাসভবন নির্মাণের জন্য ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা বরাদ্দ এসেছে। ঠিকাদার কাজ করছেন। আর তাঁর বাড়ির রাস্তা পাকা নয়, মাটির কাঁচা রাস্তা। দেয়ালটা হলো বাসভবনের দেয়াল।

ফোন না ধরায় এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা প্রকৌশলী নিলুফা ইয়াছমীনের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ এস এম মোসা বলেন, সুরক্ষাসামগ্রী দরপত্রের মাধ্যমে কেনা হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে। প্রকল্পগুলো দিয়েছেন জনপ্রতিনিধিরা। যাচাই-বাছাই করে এগুলো অনুমোদন দিয়েছেন। যদি কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন না হয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে বেশ কয়েকটি প্রকল্প সরেজমিনে বাস্তবায়ন হতে দেখেছেন তিনি। সবগুলো ঘুরে দেখা সম্ভব হয়নি।

অভিযোগের অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন বলেন, অভিযোগটি দেখে ও তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থ নেওয়া হবে।