ঢাকা ০৩:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




সন্তানকে দেখে বুক চাপড়ে কাঁদছেন মা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ ১৭ বার পড়া হয়েছে

 

মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ মাদারীপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের গাজীরচর গ্রাম থেকে রাবেয়া (৬) নামে প্রথম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার দুপুরে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিশুটির পরিবারের দাবি, তাকে হত্যার পর গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, কেন্দুয়া ইউনিয়নের গাজীরচর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছোট মেয়ে রাবেয়া মায়ের সঙ্গে বাড়িতে থাকতো। সকালে রাবেয়াকে বাড়ি রেখে পাশের বাড়িতে যায় মা।

দুপুরে বাড়ি এসে মা দেখে ঘরের পাশে আম গাছের সঙ্গে রাবেয়ার মরদেহ ঝুলছে। পরে মায়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে ঝুলন্ত মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। সন্তানের এই অবস্থা দেখে বুক চাপড়ে কাঁদছেন মা। রাবেয়া কলাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

স্কুলছাত্রীর মামি মুকলী বেগম বলেন, মাকে নিয়ে নিজ বাড়িতে থাকতো রাবেয়া। আমার মনে হয় ঘরের সামনে একটি কলই ক্ষেতে শাক তুলতে গেলে ক্ষেতের মালিক তাকে হত্যা করে গাছের সঙ্গে ঝুলিয় রাখে। কলই ক্ষেত থেকে বাড়িতে আনার পুরো পথে শাক পড়া ছিল। যে গাছের সঙ্গে ঝুলিয় রাখা হয়েছে সেখানেও শাক পড়া ছিল। রাবেয়ার গায়ের জামার সঙ্গেও ছিল শাক। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।

মাদারীপুর সদর মডেল থানা পুলিশের ওসি মো. কামরুল হাসান বলেন, পুলিশ শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরে বলা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা। হত্যা হলে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




সন্তানকে দেখে বুক চাপড়ে কাঁদছেন মা

আপডেট সময় : ০৮:৩৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

 

মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ মাদারীপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের গাজীরচর গ্রাম থেকে রাবেয়া (৬) নামে প্রথম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার দুপুরে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিশুটির পরিবারের দাবি, তাকে হত্যার পর গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, কেন্দুয়া ইউনিয়নের গাজীরচর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছোট মেয়ে রাবেয়া মায়ের সঙ্গে বাড়িতে থাকতো। সকালে রাবেয়াকে বাড়ি রেখে পাশের বাড়িতে যায় মা।

দুপুরে বাড়ি এসে মা দেখে ঘরের পাশে আম গাছের সঙ্গে রাবেয়ার মরদেহ ঝুলছে। পরে মায়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে ঝুলন্ত মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। সন্তানের এই অবস্থা দেখে বুক চাপড়ে কাঁদছেন মা। রাবেয়া কলাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

স্কুলছাত্রীর মামি মুকলী বেগম বলেন, মাকে নিয়ে নিজ বাড়িতে থাকতো রাবেয়া। আমার মনে হয় ঘরের সামনে একটি কলই ক্ষেতে শাক তুলতে গেলে ক্ষেতের মালিক তাকে হত্যা করে গাছের সঙ্গে ঝুলিয় রাখে। কলই ক্ষেত থেকে বাড়িতে আনার পুরো পথে শাক পড়া ছিল। যে গাছের সঙ্গে ঝুলিয় রাখা হয়েছে সেখানেও শাক পড়া ছিল। রাবেয়ার গায়ের জামার সঙ্গেও ছিল শাক। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।

মাদারীপুর সদর মডেল থানা পুলিশের ওসি মো. কামরুল হাসান বলেন, পুলিশ শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরে বলা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা। হত্যা হলে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।