ঢাকা ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীকে ঘিরে সমালোচনার ঝড় Logo বরিশালে গণপূর্তে ঘুষ–চেক কেলেঙ্কারি! Logo ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস্ ক্রাইম রিপোর্টাস সোসাইটির কম্বল ও খাবার বিতরন Logo বাংলাদেশে ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি নির্বাচন পর্যবেক্ষক মোতায়েন করল ইউরোপীয় ইউনিয়ন Logo নাগরিক শোকসভা কাল: সঙ্গে আনতে হবে আমন্ত্রণপত্র Logo উত্তরায় হোটেলে চাঁদা চাওয়ায় সাংবাদিককে গণধোলাই Logo ৩০ লক্ষ টাকায় বনানী ক্লাবের সদস্য হওয়া দুর্নীতিবাজ কাস্টমস কমিশনার জাকিরের পুনর্বাসন Logo চমেকে বিনামূল্যে বিশুদ্ধ খাবার পানির প্ল্যান্ট স্থাপন করল দূর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশন Logo তারেক রহমানের সঙ্গে সম্পাদক-সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo শেখ হাসিনার স্নেহধন্য দোলনের দাপট: হত্যা মামলার আসামি হয়েও সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীতা বহাল

নোয়াখালী হাসপাতালে ৭ কোটি টাকার দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩০:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২০ ১৬২ বার পড়া হয়েছে

জেলা প্রতিনিধি;

নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সাত কোটি টাকার যন্ত্রপাতি কেনাকাটায় অনিয়ম, দুর্নীতি ও আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক।

বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে জেলা দুদক সমন্বিত কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, নোয়াখালী দুদকের সহকারী পরিচালক ও তদন্ত টিমের প্রধান সুবেল আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত টিম বুধবার থেকে এ অনুসন্ধান শুরু করেছেন। আর প্রথম দিন তদন্তে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য পাওয়া গেছে।

দুদকের এই অনুসন্ধান টিমের অন্য সদস্যরা হলেন- ঢাকার সিএমএসডির উপ-পরিচালক ডা. নিজামুদ্দিন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের (হাসপাতাল-৪) সহকারী পরিচালক ডা. আহসানুল হক, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রেডিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শহিদুল ইসলাম, ঢাকা নিমিউ অ্যান্ড টিসির সহকারী প্রকৌশলী (ইলেকট্রনিকস) নাশিদ রহমান, ঢাকা ডিপিএম হাসপাতালের ডা. সুরজিত দত্ত।

জেলা দুদক কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, দুদকের সহকারী পরিচালক সুবেল আহমেদের নেতৃত্বে বিশষজ্ঞ টিম বুধবার হাসপাতালে এসে দেখতে পান, প্রায় ৩৫ লাখ টাকা মূল্যের একটি সিআর এক্সরে মেশিন-৫০০ অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে যা প্রায় পাঁচ বছর আগে সরবরাহ নেয়ার পর থেকে একদিনও ব্যবহার হয়নি। অথচ বিল উত্তোলন করে নেয়া হয়েছে।

এছাড়া ২০১৩-১৪ ও ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সরবরাহ নেয়া অটোমেশন, পোর্টেবেল ৪-ডি আল্ট্রাসনোগ্রাফি, আইসিইউ বেড, ডেন্টাল চেয়ারসহ বিভিন্ন পণ্য স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী সঠিক পাওয়া যায়নি। যার মূল্য সাত কোটি টাকা বলে উল্লেখ করেছেন অভিযোগকারী।

নোয়াখালী দুদকের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের বলেন, অনুসন্ধান শুরু হয়েছে মাত্র, অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। অতিশীঘ্রই অনিয়ম ও সরকারি টাকা আত্মসাতের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের দায়দায়িত্ব নির্ধারণপূর্বক মামলা রুজুর সুপারিশ কমিশনে পাঠানো হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

নোয়াখালী হাসপাতালে ৭ কোটি টাকার দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদক

আপডেট সময় : ০৯:৩০:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২০

জেলা প্রতিনিধি;

নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সাত কোটি টাকার যন্ত্রপাতি কেনাকাটায় অনিয়ম, দুর্নীতি ও আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক।

বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে জেলা দুদক সমন্বিত কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, নোয়াখালী দুদকের সহকারী পরিচালক ও তদন্ত টিমের প্রধান সুবেল আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত টিম বুধবার থেকে এ অনুসন্ধান শুরু করেছেন। আর প্রথম দিন তদন্তে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য পাওয়া গেছে।

দুদকের এই অনুসন্ধান টিমের অন্য সদস্যরা হলেন- ঢাকার সিএমএসডির উপ-পরিচালক ডা. নিজামুদ্দিন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের (হাসপাতাল-৪) সহকারী পরিচালক ডা. আহসানুল হক, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রেডিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শহিদুল ইসলাম, ঢাকা নিমিউ অ্যান্ড টিসির সহকারী প্রকৌশলী (ইলেকট্রনিকস) নাশিদ রহমান, ঢাকা ডিপিএম হাসপাতালের ডা. সুরজিত দত্ত।

জেলা দুদক কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, দুদকের সহকারী পরিচালক সুবেল আহমেদের নেতৃত্বে বিশষজ্ঞ টিম বুধবার হাসপাতালে এসে দেখতে পান, প্রায় ৩৫ লাখ টাকা মূল্যের একটি সিআর এক্সরে মেশিন-৫০০ অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে যা প্রায় পাঁচ বছর আগে সরবরাহ নেয়ার পর থেকে একদিনও ব্যবহার হয়নি। অথচ বিল উত্তোলন করে নেয়া হয়েছে।

এছাড়া ২০১৩-১৪ ও ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সরবরাহ নেয়া অটোমেশন, পোর্টেবেল ৪-ডি আল্ট্রাসনোগ্রাফি, আইসিইউ বেড, ডেন্টাল চেয়ারসহ বিভিন্ন পণ্য স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী সঠিক পাওয়া যায়নি। যার মূল্য সাত কোটি টাকা বলে উল্লেখ করেছেন অভিযোগকারী।

নোয়াখালী দুদকের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের বলেন, অনুসন্ধান শুরু হয়েছে মাত্র, অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। অতিশীঘ্রই অনিয়ম ও সরকারি টাকা আত্মসাতের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের দায়দায়িত্ব নির্ধারণপূর্বক মামলা রুজুর সুপারিশ কমিশনে পাঠানো হবে।