ঢাকা ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

মিরপুর বাংলা কলেজের অধক্ষ্য হওয়ার দৌড়ে জামায়াতের কান্ডারী শহিদুল্লাহ!!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৪:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৮ ৩৬২ বার পড়া হয়েছে

মিরপুর বাংলা কলেজের অধক্ষ্য নিয়োগ কেন্দ্র করে এক ভয়ংকর স্নায়ু যুদ্ধ চলছে। মতিউর রহমান নিজামির সাবেক সচিব ও জামায়াতের বিশ্বস্ত হাতিয়ার এ কে এম শহিদুল্লাহ (অধ্যাপক হিসাব বিজ্ঞান) মিরপুর বাংলা কলেজের অধ্যক্ষ হওয়ায় দৌড়ে যেন লাগামহীন ঘোড়ার মতই ছুটে চলছে ।

এই পদে আসীন হতে সরকারের একজন ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তার যোগশাস্ত্রে বিভিন্ন দপ্তরের লবিং ছাড়াও প্রায় ৫০ লক্ষ্য টাকার ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া গেছে, তিনি শিক্ষা মন্ত্রী সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তিদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছেন সরকারের ওই প্রভাবশালী কর্মকর্তার মাধ্যমে শোনা গেছে, তিনি বিগত জামায়াতে ইসলামীর শাসন আমলে একটি বিশেষ মন্ত্রণালয়ের সচিবের একান্ত সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
এবং যুদ্ধ অপরাধীদের ফাঁসির হুকুমের বিরুদ্ধে জামায়াতের যে আন্দোলন হয়েছিল সেই আন্দোলনের মুল হোতা ছিলেন এই শহীদুল্লাহ।

গত কয়েকদিন ধরে বাংলা কলেজের অধক্ষ্য নিয়োগ কে কেন্দ্র করে এ কে এম শহীদুল্লাহ্ চালিয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন অশুভ বুদ্ধির পায়তারা। কলেজের কর্তৃপক্ষদের মাঝে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি সুত্র জানায় এ কে এম শহিদুল্লাহ ছাড়া যদি অন্য কেউ অধক্ষ্য হিসেবে নিয়োগ পান তবে তার বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের দিয়ে তাকে হেনস্থা করা হবে ও তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হবে বলে হুমকি দিয়ে আসছে এই জামায়াতের মহারথী শহীদুল্লাহ্।

বিষয় টি নিয়ে বাংলা কলেজ পাড়ার থমথমে এক পরিস্থিতি বিরাজ করছে বলে অনুসন্ধানে জানা যায়। এবিষয়ে অধ্যাপক এ কে এম সহিদুল্লাহ্’র বক্তব্য জানতে গত দুই দিন কলেজে তার সাক্ষাৎ পাননি প্রতিবেদক, যানা গেছে কলেজ অবস্থান না করে তিনি বিভিন্ন দপ্তরে তার অধক্ষ্য হওয়ার তদবিরে ব্যাস্ত। পরে তার মুঠোফোন নাম্বারে ফোন কর হয় তিনি তা রিসিভ করেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

মিরপুর বাংলা কলেজের অধক্ষ্য হওয়ার দৌড়ে জামায়াতের কান্ডারী শহিদুল্লাহ!!

আপডেট সময় : ০৭:২৪:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৮

মিরপুর বাংলা কলেজের অধক্ষ্য নিয়োগ কেন্দ্র করে এক ভয়ংকর স্নায়ু যুদ্ধ চলছে। মতিউর রহমান নিজামির সাবেক সচিব ও জামায়াতের বিশ্বস্ত হাতিয়ার এ কে এম শহিদুল্লাহ (অধ্যাপক হিসাব বিজ্ঞান) মিরপুর বাংলা কলেজের অধ্যক্ষ হওয়ায় দৌড়ে যেন লাগামহীন ঘোড়ার মতই ছুটে চলছে ।

এই পদে আসীন হতে সরকারের একজন ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তার যোগশাস্ত্রে বিভিন্ন দপ্তরের লবিং ছাড়াও প্রায় ৫০ লক্ষ্য টাকার ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া গেছে, তিনি শিক্ষা মন্ত্রী সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তিদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছেন সরকারের ওই প্রভাবশালী কর্মকর্তার মাধ্যমে শোনা গেছে, তিনি বিগত জামায়াতে ইসলামীর শাসন আমলে একটি বিশেষ মন্ত্রণালয়ের সচিবের একান্ত সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
এবং যুদ্ধ অপরাধীদের ফাঁসির হুকুমের বিরুদ্ধে জামায়াতের যে আন্দোলন হয়েছিল সেই আন্দোলনের মুল হোতা ছিলেন এই শহীদুল্লাহ।

গত কয়েকদিন ধরে বাংলা কলেজের অধক্ষ্য নিয়োগ কে কেন্দ্র করে এ কে এম শহীদুল্লাহ্ চালিয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন অশুভ বুদ্ধির পায়তারা। কলেজের কর্তৃপক্ষদের মাঝে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি সুত্র জানায় এ কে এম শহিদুল্লাহ ছাড়া যদি অন্য কেউ অধক্ষ্য হিসেবে নিয়োগ পান তবে তার বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের দিয়ে তাকে হেনস্থা করা হবে ও তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হবে বলে হুমকি দিয়ে আসছে এই জামায়াতের মহারথী শহীদুল্লাহ্।

বিষয় টি নিয়ে বাংলা কলেজ পাড়ার থমথমে এক পরিস্থিতি বিরাজ করছে বলে অনুসন্ধানে জানা যায়। এবিষয়ে অধ্যাপক এ কে এম সহিদুল্লাহ্’র বক্তব্য জানতে গত দুই দিন কলেজে তার সাক্ষাৎ পাননি প্রতিবেদক, যানা গেছে কলেজ অবস্থান না করে তিনি বিভিন্ন দপ্তরে তার অধক্ষ্য হওয়ার তদবিরে ব্যাস্ত। পরে তার মুঠোফোন নাম্বারে ফোন কর হয় তিনি তা রিসিভ করেননি।