ঢাকা ০১:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

টানা বন্ধের পর আজ খুলছে সরকারি-বেসরকারি অফিস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২০ ২৭৫ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন রিপোর্টঃ টানা ৬৬ দিন বন্ধের পর আজ রোববার খুলছে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। পুঁজিবাজারসহ অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানও খুলছে। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে না এখন।

সরকার অবশ্য স্বাস্থ্যবিধি ঠিক করে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন নিজের সুরক্ষার দায়িত্ব নিজেকেই নিতে হবে। এজন্য সচেতন হওয়ার বিকল্প নেই।

কোনও কোনও অফিসের প্রবেশপথে বসানো হচ্ছে জীবাণুমুক্তকরণ টানেল। কাজের পরিসর সীমিত রাখা হচ্ছে কোনও কোনও অফিসে। আর সবাইকে মাস্ক পরাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রস্তুতি তো থাকছেই।

এর আগে করোনাভাইরাসের কারণে টানা ৬৬ দিনের সাধারণ ছুটি শেষে আগামী ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত চলাচল সীমিত করে গত ২৮ মে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

এসময়ে গণপরিবহন ও কলকারখানা সীমিত পরিসরে চালু করা হলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এতে বলা হয়, করোনাভাইরাসজনিত রোগ কোভিড-19 এর বিস্তার রোধকল্পে এবং পরিস্থিতির উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার আগামী ৩০ মে’র পর শর্তসাপেক্ষে দেশের সার্বিক কার্যাবলী ও জনসাধারণের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ/সীমিত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

এদিকে করোনাভাইরাস মহামারির বিস্তার রোধে আরোপ করা লকডাউন বা বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার ক্ষেত্রে সব দেশকে ছয়টি পরামর্শ দিয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এসব শর্ত পূরণ হলেই লকডাউন তুলে নেয়ার পক্ষে সংস্থাটি।

৬ মে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সংস্থাটির মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস এই ছয় পরামর্শ দেন। এসব পরামর্শের মধ্যে রয়েছে জোরদার নজরদারি, রোগীর সংখ্যা কমা ও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসতে হবে। প্রত্যেক রোগী চিহ্নিত, পৃথক্‌করণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা করা এবং রোগীর সংস্পর্শে আসা সব ব্যক্তিকে শনাক্ত করার সক্ষমতা স্বাস্থ্যব্যবস্থার থাকতে হবে। বাকি চার পরামর্শের মধ্যে রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি পর্যায়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

টানা বন্ধের পর আজ খুলছে সরকারি-বেসরকারি অফিস

আপডেট সময় : ০৯:৫৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২০

অনলাইন রিপোর্টঃ টানা ৬৬ দিন বন্ধের পর আজ রোববার খুলছে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। পুঁজিবাজারসহ অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানও খুলছে। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে না এখন।

সরকার অবশ্য স্বাস্থ্যবিধি ঠিক করে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন নিজের সুরক্ষার দায়িত্ব নিজেকেই নিতে হবে। এজন্য সচেতন হওয়ার বিকল্প নেই।

কোনও কোনও অফিসের প্রবেশপথে বসানো হচ্ছে জীবাণুমুক্তকরণ টানেল। কাজের পরিসর সীমিত রাখা হচ্ছে কোনও কোনও অফিসে। আর সবাইকে মাস্ক পরাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রস্তুতি তো থাকছেই।

এর আগে করোনাভাইরাসের কারণে টানা ৬৬ দিনের সাধারণ ছুটি শেষে আগামী ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত চলাচল সীমিত করে গত ২৮ মে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

এসময়ে গণপরিবহন ও কলকারখানা সীমিত পরিসরে চালু করা হলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এতে বলা হয়, করোনাভাইরাসজনিত রোগ কোভিড-19 এর বিস্তার রোধকল্পে এবং পরিস্থিতির উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার আগামী ৩০ মে’র পর শর্তসাপেক্ষে দেশের সার্বিক কার্যাবলী ও জনসাধারণের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ/সীমিত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

এদিকে করোনাভাইরাস মহামারির বিস্তার রোধে আরোপ করা লকডাউন বা বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার ক্ষেত্রে সব দেশকে ছয়টি পরামর্শ দিয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এসব শর্ত পূরণ হলেই লকডাউন তুলে নেয়ার পক্ষে সংস্থাটি।

৬ মে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সংস্থাটির মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস এই ছয় পরামর্শ দেন। এসব পরামর্শের মধ্যে রয়েছে জোরদার নজরদারি, রোগীর সংখ্যা কমা ও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসতে হবে। প্রত্যেক রোগী চিহ্নিত, পৃথক্‌করণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা করা এবং রোগীর সংস্পর্শে আসা সব ব্যক্তিকে শনাক্ত করার সক্ষমতা স্বাস্থ্যব্যবস্থার থাকতে হবে। বাকি চার পরামর্শের মধ্যে রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি পর্যায়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়।