ঢাকা ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

টাঙ্গাইলের যৌনকর্মীরা চরম অর্থকষ্টে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৪:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০ ১৮১ বার পড়া হয়েছে

সকালের সংবাদ ডেস্ক;
দুই মাস ধরে লক ডাউন। অবরুদ্ধ টাঙ্গাইলের যৌনপল্লি। আয়ের উৎস বন্ধ থাকায় চরম সংকটে দিন পার করছেন সেখানে বসবাসকারীরা। দুবেলা দুমুঠো খেয়ে জীবন বাঁচাতে সরকারের কাছে অর্থ সহায়তা চান তারা।

সেখানকার এক বাসিন্দা জানান, ‘বাচ্চার ৩ দিন ধরে জ্বর, ঘরে দুধ নেই খাবার নেই । বড় মানুষের খাবার নাই বলা যায় কিন্তু শিশুর খাবার নাই এটা তো বলা যায় না। খুব কষ্টে দিন যায় ভাই।’

মায়ের এই আর্তনাদই বলে দেয় কতটা অসহায় করোনাকালে তাদের জীবন । শুনশান চারিদিক। প্রায় সাড়ে পাঁচশকর্মী ও তাদের পরিবার পরিজনের আবাসস্থল টাঙ্গাইলের এই যৌনপল্লী রূপ নিয়েছে ভুতুড়ে এক নগরীতে । তারা জনান,’ আমার জীবনটা খুব কষ্টে চলছে। সামনে যে কি হবে জানি না।মরা মতো বেঁচে আছি। ঈদ বলে কিছু মনে হয়নি।’

টাকা নেই, ঘরে নেই খাবার। দুবেলা দুমুঠো খেয়ে বেঁচে থাকায় বড় চ্যালেঞ্জ। যৌনকর্মীরা জানান,’আমাদে এখন কান্না ছাড়া কিছু নাই। অনেক কষ্টে বেঁচে আছি । কাউকে বুঝতে দেই না।’

গত তিন মাসে জনপ্রতি মাত্র ৪০ কেজি চাল ও নগদ ৫শ টাকা ছাড়া আর কোন সহায়তা জোটেনি। নারী মুক্তি সংঘের কার্যকরী সদস্য বেবী আক্তার বলেন, ‘লকডাউন তিন মাস ধরে। মেয়েরা বন্দি। পাঁচশ’ টাকা আর ৩০ কেজি চাল দিয়ে কি তিন মাস চলে।’

খাদ্য সহায়তাসহ তাদের নগদ সহায়তার বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে বলে জানালেন জেলা প্রশাসক। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম জানান, ‘প্রতিজনকে ৫০০ টাকা করে দিয়েছি। আমাদের প্রায় আড়াই লাখ টাকা দিয়েছি। এটা সকরারের বরাদ্দ ছিল।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

টাঙ্গাইলের যৌনকর্মীরা চরম অর্থকষ্টে

আপডেট সময় : ১০:১৪:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০

সকালের সংবাদ ডেস্ক;
দুই মাস ধরে লক ডাউন। অবরুদ্ধ টাঙ্গাইলের যৌনপল্লি। আয়ের উৎস বন্ধ থাকায় চরম সংকটে দিন পার করছেন সেখানে বসবাসকারীরা। দুবেলা দুমুঠো খেয়ে জীবন বাঁচাতে সরকারের কাছে অর্থ সহায়তা চান তারা।

সেখানকার এক বাসিন্দা জানান, ‘বাচ্চার ৩ দিন ধরে জ্বর, ঘরে দুধ নেই খাবার নেই । বড় মানুষের খাবার নাই বলা যায় কিন্তু শিশুর খাবার নাই এটা তো বলা যায় না। খুব কষ্টে দিন যায় ভাই।’

মায়ের এই আর্তনাদই বলে দেয় কতটা অসহায় করোনাকালে তাদের জীবন । শুনশান চারিদিক। প্রায় সাড়ে পাঁচশকর্মী ও তাদের পরিবার পরিজনের আবাসস্থল টাঙ্গাইলের এই যৌনপল্লী রূপ নিয়েছে ভুতুড়ে এক নগরীতে । তারা জনান,’ আমার জীবনটা খুব কষ্টে চলছে। সামনে যে কি হবে জানি না।মরা মতো বেঁচে আছি। ঈদ বলে কিছু মনে হয়নি।’

টাকা নেই, ঘরে নেই খাবার। দুবেলা দুমুঠো খেয়ে বেঁচে থাকায় বড় চ্যালেঞ্জ। যৌনকর্মীরা জানান,’আমাদে এখন কান্না ছাড়া কিছু নাই। অনেক কষ্টে বেঁচে আছি । কাউকে বুঝতে দেই না।’

গত তিন মাসে জনপ্রতি মাত্র ৪০ কেজি চাল ও নগদ ৫শ টাকা ছাড়া আর কোন সহায়তা জোটেনি। নারী মুক্তি সংঘের কার্যকরী সদস্য বেবী আক্তার বলেন, ‘লকডাউন তিন মাস ধরে। মেয়েরা বন্দি। পাঁচশ’ টাকা আর ৩০ কেজি চাল দিয়ে কি তিন মাস চলে।’

খাদ্য সহায়তাসহ তাদের নগদ সহায়তার বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে বলে জানালেন জেলা প্রশাসক। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম জানান, ‘প্রতিজনকে ৫০০ টাকা করে দিয়েছি। আমাদের প্রায় আড়াই লাখ টাকা দিয়েছি। এটা সকরারের বরাদ্দ ছিল।’