ঢাকা ০১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo “বেইলী রোডের অগ্নিদগ্ধ ৪৬ লাশ” কিছু প্রশ্ন ও উত্তর খোঁজার চেষ্টা Logo জেল থেকে ফিরেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রকৌশলী জুয়েল রানা Logo থাইল্যান্ডের চিকিৎসা নির্ভরতা কমাতে বাংলাদেশে সেবা সম্প্রসারণে আগ্রহ ব্যাংককের বিএনএইচ হাসপাতালের Logo প্রধান প্রকৌশলীর বদলির আদেশ অমান্য, ঢাকাতেই বহাল ফ্যাসিস্টের দোসর উপসহকারী আব্দুল্লাহ-আল-মামুন Logo কক্সবাজারের রাজাঘাট রেঞ্জে বন ধ্বংসের মহোৎসব, অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে উজাড়ের শঙ্কা Logo উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মাস্টাররোল কর্মচারীর সম্পদের পাহাড় Logo ভোলার সাবেক এসপি শরীফের বিরুদ্ধে কল্যাণ ফান্ডের দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ Logo বেইলি রোড ট্র্যাজেডি: ১৩ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা Logo ১২ কেজির গ্যাস সিলিন্ডারে ১৮ দিনে বাড়লো ৬০০ টাকা Logo বেইলি রোড ট্র্যাজেডি: ৪৬ প্রাণহানির মামলায় বিতর্কিত প্রকৌশলী খালেকুজ্জামানের নাম বাদে চাঞ্চল্য

ভূরুঙ্গামারীতে একই পরিবারে আরও দু’জন করোনায় আক্রান্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৮:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২০ ১৬৭ বার পড়া হয়েছে
ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ইতোপূর্বে করোনা পজেটিভ এক ব্যক্তির পরিবারে আরো দুই সদস্য কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন।
আজ (১৭মে ) ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আবু সাজ্জাদ মোহাম্মদ সায়েম রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থে‌কে প্রাপ্ত নমুনা পরীক্ষার ফলে  ২ জনের শরীরে কোভিড-১৯ সনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।
গত ৭ মে উপজেলার সদর ইউনিয়নের খামার পত্র নবীশ গ্রামের আসমা খাতুন নামের মহিলার শরীরে কোভিট-১৯ ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। ওই দিন রাতেই উপজেলা প্রশাসন আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়ী লক ডাউন করে দেয়। এরপর পরিবারের অন্য সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করে দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
গত কাল রাতে রংপুর পিসিআর ল্যাব থেকে নমুনা পরীক্ষার প্রাপ্ত ফলাফলে উক্ত পরিবারের আরো দুই জন সদস্যের শরীরে এই ভাইরাস পজিটিভ পাওয়া যায়। এদের মধ্যে একজন মহিলা। তার বয়স ৫০ বছর। তিনি পূর্বে আক্রান্ত আসমা খাতুনের শাশুড়ি। অপর জন ১০ বছরের এক শিশু। এনিয়ে ভূরুঙ্গামারীতে করোনা আক্রান্ত হলেন  মোট ৬ ব্যক্তি।
ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আবু সাজ্জাদ মোহাম্মদ সায়েম বলেন, প্রথম ধাপে আক্রান্ত ৩ জনের পরিবারের সকল সদস্যের নমুনা নেয়া হয়েছিল। একই গ্রামের আবেদ আলী ও পাথরডুবির আশরাফুল এর পরিবারের সদস্যদের নমুনা পরিক্ষার ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। আসমা খাতুনের পরিবারেরসদস্যরা আইসোলেসন বিধিনিষেধ ঠিকঠাক না মানায় বাকিরা আক্রান্ত হয়েছেন।
ডাঃ সায়েম আরো জানান, নতুন করে আক্রান্ত দুজনের মাঝেও কোন উপসর্গ নেই। তাদেরকে নিজ বাড়িতে আইসোলেটেড করে ইতোমধ্যে চিকিৎসা চালু করা হয়েছে।  তিনি বলেন, এক দিকে বাইরে থেকে করোনা ঝুঁকি নিয়ে ফেরা বিশাল জনগোষ্ঠীকে  সনাক্ত করা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। অপর দিকে লোকজন স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা করছে না মোটেই। ভূরুঙ্গামারীতে  সামনের দিনগুলো আরো ভয়ানক হতে পারে বলে তিনি শংকা প্রকাশ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ভূরুঙ্গামারীতে একই পরিবারে আরও দু’জন করোনায় আক্রান্ত

আপডেট সময় : ০৩:৪৮:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২০
ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ইতোপূর্বে করোনা পজেটিভ এক ব্যক্তির পরিবারে আরো দুই সদস্য কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন।
আজ (১৭মে ) ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আবু সাজ্জাদ মোহাম্মদ সায়েম রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থে‌কে প্রাপ্ত নমুনা পরীক্ষার ফলে  ২ জনের শরীরে কোভিড-১৯ সনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।
গত ৭ মে উপজেলার সদর ইউনিয়নের খামার পত্র নবীশ গ্রামের আসমা খাতুন নামের মহিলার শরীরে কোভিট-১৯ ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। ওই দিন রাতেই উপজেলা প্রশাসন আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়ী লক ডাউন করে দেয়। এরপর পরিবারের অন্য সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করে দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
গত কাল রাতে রংপুর পিসিআর ল্যাব থেকে নমুনা পরীক্ষার প্রাপ্ত ফলাফলে উক্ত পরিবারের আরো দুই জন সদস্যের শরীরে এই ভাইরাস পজিটিভ পাওয়া যায়। এদের মধ্যে একজন মহিলা। তার বয়স ৫০ বছর। তিনি পূর্বে আক্রান্ত আসমা খাতুনের শাশুড়ি। অপর জন ১০ বছরের এক শিশু। এনিয়ে ভূরুঙ্গামারীতে করোনা আক্রান্ত হলেন  মোট ৬ ব্যক্তি।
ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আবু সাজ্জাদ মোহাম্মদ সায়েম বলেন, প্রথম ধাপে আক্রান্ত ৩ জনের পরিবারের সকল সদস্যের নমুনা নেয়া হয়েছিল। একই গ্রামের আবেদ আলী ও পাথরডুবির আশরাফুল এর পরিবারের সদস্যদের নমুনা পরিক্ষার ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। আসমা খাতুনের পরিবারেরসদস্যরা আইসোলেসন বিধিনিষেধ ঠিকঠাক না মানায় বাকিরা আক্রান্ত হয়েছেন।
ডাঃ সায়েম আরো জানান, নতুন করে আক্রান্ত দুজনের মাঝেও কোন উপসর্গ নেই। তাদেরকে নিজ বাড়িতে আইসোলেটেড করে ইতোমধ্যে চিকিৎসা চালু করা হয়েছে।  তিনি বলেন, এক দিকে বাইরে থেকে করোনা ঝুঁকি নিয়ে ফেরা বিশাল জনগোষ্ঠীকে  সনাক্ত করা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। অপর দিকে লোকজন স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা করছে না মোটেই। ভূরুঙ্গামারীতে  সামনের দিনগুলো আরো ভয়ানক হতে পারে বলে তিনি শংকা প্রকাশ করেন।