ঢাকা ০২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

খুলনায় সুপেয় পানির তীব্র সংকট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০০:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২০ ১৭৩ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক; খুলনা মহানগরীতে সুপেয় পানির সংকট তীব্র আকার নিয়েছে।মধুমতি নদীর পানিতে লবনাক্ততা দেখা দেয়ায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।ওয়াসা মধুমতি নদি থেকে পানি সংগ্রহ করে। এ অবস্থায় নদীর পানির লবনাক্ততা কমাতে পারলে সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে চায় ওয়াসা।এ কারণে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে মধুমতি নদী থেকে পানি এনে পরিশোধন ও বিতরণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সংস্থাটি। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হয়েছে আড়াই হাজার কোটি টাকা।কিন্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের এক বছর যেতে না যেতেই দেখা দিয়েছে পানিতে লবনাক্ততা। তাতে প্রকল্পের ভবিষৎ নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়।

খুলনা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, ‘দীর্ঘ গবেষণার পর ওই সময় যে তথ্য পাওয়া যায়, সে অনুযায়ী মধুমতি নদী মোল্লার হাট এলাকায় সবচেয়ে নিরাপদ।’

খুলনা মহনগরীতে ১৫ লাখেরও বেশি মানুষের বসবাস। এই জনগোষ্ঠীর প্রতিদিন ২৪ কোটি লিটার সুপেয় পানি সরবরাহের দায়িত্বে রয়েছে খুলনা ওয়াসা। সম্প্রতি ওয়াসার সরবরাহকরা পানি সমস্যা দেখা দিয়েছে।

আর পরিবেশবিদরা বলছেন, শুস্ক মৌসুমে মিষ্টি পানির প্রবাহ কমে আসায় নদীতে লবনাক্ততা বেড়ে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন মিষ্টি পানির প্রবাহ প্রতিহত করতে পারে নদীর লবনাক্ততা।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াটার এন্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিনের সয়েল সাইন্সের অধ্যাপক মোহাম্মদ সানাউল ইসলাম বলেন, ‘ছোট নদীগুলো মরে যাবার কারণে, ওই নদীগুলো বড় নদীতে যেভাবে পানি সরবরাহ করতো সেটা বন্ধ হয়েছে। যার ফলে আমাদের এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।’

আর ওয়াসা বলছে মধুমতি নদীতে হঠাৎ করে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে কমতে শুরু করেছে নদীর লবনাক্ততা। স্বল্প সময়ে এই সমস্যার সমাধানের বিষয়ে আশাবাদী ওয়াসা কর্তৃপক্ষ।

খুলনা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আরও বলেন, ‘বিভিন্ন এলাকায় আগের চেয়ে পানিতে লবনের পরিমান অনেকটা কমে গেছে। কোন কোন এলাকায় কিছুটা আ্ছে। অল্প সময়ের মধ্যেই এটা স্বাভাবিক অবস্থায় চলে যাবে।’

মধুমতি নদীতে মিঠাপানির প্রবাহ বাড়িয়ে লবনাক্ততা কমানোর ওপরই জোর দিচ্ছে ওয়াসা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

খুলনায় সুপেয় পানির তীব্র সংকট

আপডেট সময় : ১০:০০:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২০

অনলাইন ডেস্ক; খুলনা মহানগরীতে সুপেয় পানির সংকট তীব্র আকার নিয়েছে।মধুমতি নদীর পানিতে লবনাক্ততা দেখা দেয়ায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।ওয়াসা মধুমতি নদি থেকে পানি সংগ্রহ করে। এ অবস্থায় নদীর পানির লবনাক্ততা কমাতে পারলে সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে চায় ওয়াসা।এ কারণে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে মধুমতি নদী থেকে পানি এনে পরিশোধন ও বিতরণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সংস্থাটি। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হয়েছে আড়াই হাজার কোটি টাকা।কিন্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের এক বছর যেতে না যেতেই দেখা দিয়েছে পানিতে লবনাক্ততা। তাতে প্রকল্পের ভবিষৎ নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়।

খুলনা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, ‘দীর্ঘ গবেষণার পর ওই সময় যে তথ্য পাওয়া যায়, সে অনুযায়ী মধুমতি নদী মোল্লার হাট এলাকায় সবচেয়ে নিরাপদ।’

খুলনা মহনগরীতে ১৫ লাখেরও বেশি মানুষের বসবাস। এই জনগোষ্ঠীর প্রতিদিন ২৪ কোটি লিটার সুপেয় পানি সরবরাহের দায়িত্বে রয়েছে খুলনা ওয়াসা। সম্প্রতি ওয়াসার সরবরাহকরা পানি সমস্যা দেখা দিয়েছে।

আর পরিবেশবিদরা বলছেন, শুস্ক মৌসুমে মিষ্টি পানির প্রবাহ কমে আসায় নদীতে লবনাক্ততা বেড়ে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন মিষ্টি পানির প্রবাহ প্রতিহত করতে পারে নদীর লবনাক্ততা।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াটার এন্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিনের সয়েল সাইন্সের অধ্যাপক মোহাম্মদ সানাউল ইসলাম বলেন, ‘ছোট নদীগুলো মরে যাবার কারণে, ওই নদীগুলো বড় নদীতে যেভাবে পানি সরবরাহ করতো সেটা বন্ধ হয়েছে। যার ফলে আমাদের এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।’

আর ওয়াসা বলছে মধুমতি নদীতে হঠাৎ করে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে কমতে শুরু করেছে নদীর লবনাক্ততা। স্বল্প সময়ে এই সমস্যার সমাধানের বিষয়ে আশাবাদী ওয়াসা কর্তৃপক্ষ।

খুলনা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আরও বলেন, ‘বিভিন্ন এলাকায় আগের চেয়ে পানিতে লবনের পরিমান অনেকটা কমে গেছে। কোন কোন এলাকায় কিছুটা আ্ছে। অল্প সময়ের মধ্যেই এটা স্বাভাবিক অবস্থায় চলে যাবে।’

মধুমতি নদীতে মিঠাপানির প্রবাহ বাড়িয়ে লবনাক্ততা কমানোর ওপরই জোর দিচ্ছে ওয়াসা।