ঢাকা ০৩:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




বিচারকের নামে ২২০০ গাড়ি নিবন্ধন!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৭:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ অক্টোবর ২০১৮ ১৬ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক; সিকান্দার হায়াত। ৮২ বছর বয়সী এই ব্যক্তি পেশায় একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক। এই পর্যন্ত সবই ঠিক ছিল। তবে পরেরটুকু জানলে সত্যিই অবাক হয়ে যাবেন। পাকিস্তানের সাবেক এই বিচারকের নামে ২,২০০ গাড়ি নিবন্ধনের তথ্য পাওয়া গেছে।

রোববার পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় ইংরেজি দৈনিক ডনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শনিবার সিকান্দার হায়াতের আইনজীবী মিয়ান জাফর সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছেন, তার মক্কেলের নামে মাত্র একটি গাড়ি নিবন্ধন করা আছে। কয়েকদিন আগে তার নামে একটি চালান এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে তার নামে ২২০০টি গাড়ি নিবন্ধিত। অথচ তিনি এসব গাড়ির মালিক নন।

এক ব্যক্তির নামে এত গাড়ি নিবন্ধনের ঘটনাকে পাঞ্জাব এক্সাইজ ও ট্যাক্সেশন বিভাগ ‘অপ্রত্যাশিত’ বলে মন্তব্য করেছে।

ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইনজীবীর শুনানি নিয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে পাঞ্জাব এক্সাইজ বিভাগের সচিব এবং পরিচালককে নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। সংশ্লিষ্ট বিভাগকে এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদনটি জমা দিতে বলা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




বিচারকের নামে ২২০০ গাড়ি নিবন্ধন!

আপডেট সময় : ০৩:৫৭:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ অক্টোবর ২০১৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক; সিকান্দার হায়াত। ৮২ বছর বয়সী এই ব্যক্তি পেশায় একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক। এই পর্যন্ত সবই ঠিক ছিল। তবে পরেরটুকু জানলে সত্যিই অবাক হয়ে যাবেন। পাকিস্তানের সাবেক এই বিচারকের নামে ২,২০০ গাড়ি নিবন্ধনের তথ্য পাওয়া গেছে।

রোববার পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় ইংরেজি দৈনিক ডনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শনিবার সিকান্দার হায়াতের আইনজীবী মিয়ান জাফর সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছেন, তার মক্কেলের নামে মাত্র একটি গাড়ি নিবন্ধন করা আছে। কয়েকদিন আগে তার নামে একটি চালান এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে তার নামে ২২০০টি গাড়ি নিবন্ধিত। অথচ তিনি এসব গাড়ির মালিক নন।

এক ব্যক্তির নামে এত গাড়ি নিবন্ধনের ঘটনাকে পাঞ্জাব এক্সাইজ ও ট্যাক্সেশন বিভাগ ‘অপ্রত্যাশিত’ বলে মন্তব্য করেছে।

ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইনজীবীর শুনানি নিয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে পাঞ্জাব এক্সাইজ বিভাগের সচিব এবং পরিচালককে নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। সংশ্লিষ্ট বিভাগকে এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদনটি জমা দিতে বলা হয়েছে।