ঢাকা ০৭:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বন্ড সুবিধার আড়ালে শত কোটি টাকার কারসাজি, নাটের গুরু কমিশনার আবু ওবায়দা Logo লঞ্চ থেকে মেঘনায় লাফ দেওয়া যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার, প্রশংসায় নৌ পুলিশের তৎপরতা Logo স্থানীয় কৃষকদের থেকে ভাড়ায় জমি নিয়ে সাইন বোর্ড: প্লট বানিজ্যের নামে পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী কর্তৃপক্ষ’র প্রতারণা Logo “নৌ-খাতের সিমুলেটর বাণিজ্যের লুটেরা সিন্ডিকেট সাব্বির মাদানি” Logo গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ত্রাসের রাজত্ব! নকল নবীশ মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকি ও দূর্নীতির অভিযোগ Logo ‘শিশু হাসপাতালে উপ-পরিচালক নেছার উদ্দীন সিন্ডিকেটের দুর্নীতি ও লুটপাট’ Logo গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়ার ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও টেন্ডার কারসাজি Logo মাঠের ত্যাগী না অভিজ্ঞ নেতা: রাজধানীর বিএনপিতে কোন পথে যাচ্ছে নেতৃত্ব? Logo অন্তর্বর্তী সরকার আমাকে ডিসিদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ দেয়নি: রাষ্ট্রপতি Logo পথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি

করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পেতে ভোগান্তির অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২০ ২৪৯ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক; 
করোনা পরীক্ষার ফলাফল পেতে ভোগান্তির অভিযোগ উঠছে। ভুক্তভোগীরা বলছেন, নানা ঝামেলার পর নমুনা দিতে পারলেও ফল পেতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে ৩ থেকে ৭ দিন। তার চেয়েও ভয়াবহ হলো, ফলাফল নেগেটিভ আসলে তা নাকি জানানোই হচ্ছে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত রিপোর্ট না দিলে সংক্রমণের ঝুঁকি কয়েক গুণ বেড়ে যায়।

করোনা উপসর্গ থাকায় কুর্মিটোলা হাসপাতালে নমুনা জমা দিয়েছিলেন আরও তিন থেকে পাঁচ দিন আগে। কিন্তু ফলাফলের দেখা নেই। তাই প্রতিদিনই তাদের এ অপেক্ষা।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, ফলাফল না পাওয়ায় তারা অন্য রোগেরও চিকিৎসা করাতে পারছেন না।

অভিযোগ আছে, আইইডিসিআর থেকে বলা হচ্ছে ফল নেগেটিভ আসলে তা নাও জানানো হতে পারে। আবার যারা দেরি করে জানছেন, করোনা পজেটিভ, তাদের মাধ্যমে করোনা আরো ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা বাড়ছে।

দীর্ঘসূত্রিতার জন্য স্বাস্থ্য অধিদফতর দায়ী করছে জনবল সংকটকে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২৪ থেকে সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফলাফল না দিতে পারলে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রিদউয়ানউর রহমান বলেন, টেস্টের ফলাফল যদি ৩-৪ দিন সময় লেগে যায় তাহলে সেটি চিকিৎসা ও আইসোলেশনেরও কাজে লাগছে না। শুধু স্বাস্থ্য বিভাগের কতজনের টেস্ট করা হয়েছে সেটি রেকর্ড হচ্ছে। আর ২৪ থেকে সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফলাফল না দিতে পারলে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের উপ-পরিচালক ডা. আয়শা সিদ্দিকা বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে টেস্টের নমুনা আনতে হচ্ছে। যার জন্য ২৪ থেকে সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগছে।

বর্তমানে রাজধানীতে ৯টি প্রতিষ্ঠানে করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনা টেস্টের ফলাফল পাওয়ার এ দীর্ঘসূত্রিতা একদিকে যেমন রোগীর মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে এর চেয়েও ভয়াবহতা হলো এর মাধ্যমে অতি দ্রুত দেশব্যাপী করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতি দ্রুত এর সংকট না কাটাতে করোনা মোকাবিলা দিন দিন আরও বেশি কঠিন হয়ে যেতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পেতে ভোগান্তির অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:৩৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২০

অনলাইন ডেস্ক; 
করোনা পরীক্ষার ফলাফল পেতে ভোগান্তির অভিযোগ উঠছে। ভুক্তভোগীরা বলছেন, নানা ঝামেলার পর নমুনা দিতে পারলেও ফল পেতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে ৩ থেকে ৭ দিন। তার চেয়েও ভয়াবহ হলো, ফলাফল নেগেটিভ আসলে তা নাকি জানানোই হচ্ছে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত রিপোর্ট না দিলে সংক্রমণের ঝুঁকি কয়েক গুণ বেড়ে যায়।

করোনা উপসর্গ থাকায় কুর্মিটোলা হাসপাতালে নমুনা জমা দিয়েছিলেন আরও তিন থেকে পাঁচ দিন আগে। কিন্তু ফলাফলের দেখা নেই। তাই প্রতিদিনই তাদের এ অপেক্ষা।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, ফলাফল না পাওয়ায় তারা অন্য রোগেরও চিকিৎসা করাতে পারছেন না।

অভিযোগ আছে, আইইডিসিআর থেকে বলা হচ্ছে ফল নেগেটিভ আসলে তা নাও জানানো হতে পারে। আবার যারা দেরি করে জানছেন, করোনা পজেটিভ, তাদের মাধ্যমে করোনা আরো ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা বাড়ছে।

দীর্ঘসূত্রিতার জন্য স্বাস্থ্য অধিদফতর দায়ী করছে জনবল সংকটকে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২৪ থেকে সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফলাফল না দিতে পারলে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রিদউয়ানউর রহমান বলেন, টেস্টের ফলাফল যদি ৩-৪ দিন সময় লেগে যায় তাহলে সেটি চিকিৎসা ও আইসোলেশনেরও কাজে লাগছে না। শুধু স্বাস্থ্য বিভাগের কতজনের টেস্ট করা হয়েছে সেটি রেকর্ড হচ্ছে। আর ২৪ থেকে সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফলাফল না দিতে পারলে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের উপ-পরিচালক ডা. আয়শা সিদ্দিকা বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে টেস্টের নমুনা আনতে হচ্ছে। যার জন্য ২৪ থেকে সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগছে।

বর্তমানে রাজধানীতে ৯টি প্রতিষ্ঠানে করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনা টেস্টের ফলাফল পাওয়ার এ দীর্ঘসূত্রিতা একদিকে যেমন রোগীর মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে এর চেয়েও ভয়াবহতা হলো এর মাধ্যমে অতি দ্রুত দেশব্যাপী করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতি দ্রুত এর সংকট না কাটাতে করোনা মোকাবিলা দিন দিন আরও বেশি কঠিন হয়ে যেতে পারে।